শিরোনাম
প্রকাশ : ২ এপ্রিল, ২০২০ ২১:৫১

সংসদ অধিবেশনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ১২ এপ্রিলের পর: স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

সংসদ অধিবেশনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ১২ এপ্রিলের পর: স্পিকার

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদের এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিতব্য আগামী অধিবেশন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয় এখনো কেনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি।

তবে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, সংসদের পরবর্তী অধিবেশনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ১২ এপ্রিলের পর। সংসদের শেষ অধিবেশন (ষষ্ঠ অধিবেশন) শেষ হয়েছিল ১৮ ফেব্রুয়ারি। সে হিসেবে ৬০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন বসার সাংবিধানিক বাধ্যবাদকতা মেনে ১৮ এপ্রিলের মধ্যে অধিবেশন বসতে হবে। 

এর আগে করোনাভাইরাসে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ২২ ও ২৩ মার্চ আহুত সংসদের বিশেষ অধিবেশন স্থগিত করা হয়। তবে বিশেষ অধিবেশন আহবান করার পর তা স্থগিতের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ তার সাংবিধানিক ক্ষমতা বলে তা স্থগিত করেন। তবে দেশের করোনা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে সাংবিধানিক এ নির্দেশনা পালনে জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে আশাঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ৬০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বসার সাংবিধানিক বাধ্যবাদকতা রয়েছে। সংসদের অধিবেশন আহবান করেন রাষ্ট্রপতি। এই বাধ্যবাধকতা এড়িয়ে যাওয়ার মতো কোনো নির্দেশনা সংবিধানে নেই। রাষ্ট্রপতি সংবিধানের বাইরে যাবেন কী করে? এপ্রিল মাসে সংসদের পরবর্তী অধিবেশন কবে বসবে এ নিয়ে আমরা ভাবছি। একটু অপেক্ষা করেন। করোনাভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটির মেয়াদ ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। পরবর্তী ১০ ও ১১ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটিও এর সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এই সময়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ বিষয়ে ১২ এপ্রিলের পর সিদ্ধান্ত নিতে পারবো বলে আশা করি। আমাদের হাতে সময় আছে। 

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংসদের বৈঠক করা যায় কিনা জানতে চাইলে স্পিকার বলেন, সব এমপিদের সংসদের বৈঠকে যোগদানের অধিকার রয়েছে। কিন্তু ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেটা সম্ভব নয়। সবার সে সুবিধা নেই।

দ্বৈব-দুর্বিপাকে বা এ্যাক্ট অব গড-এ অধিবেশন পেছানোর সুযোগ আছে কীনা জানতে চাইলে স্পিকার বলেন, সেটা নির্বাচনের বিষয়ে বলা হয়েছে। অধিবেশনের বিষয়ে সংবিধানে ক্যাটাগরিক্যালি বলা হয়েছে, ‘সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ৬০ দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকবে না। তবে রাষ্ট্রপতি এ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন’।


বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য