শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:১৮
আপডেট : ২০ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:২৯
প্রিন্ট করুন printer

শিগগিরই করোনা ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

শিগগিরই করোনা ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারীর উদ্ভূত সংকট থেকে জনগণকে রক্ষা করতে ইতোমধ্যে তিন কোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিন সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিগগিরই করোনার ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হবে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আজ বুধবার সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের তৃতীয় দিনে টেবিলে উত্থাপিত প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি ও বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, কোভিড-১৯ মহামারীর উদ্ভূত সংকট মোকাবিলা এবং এ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করে অর্থনীতিকে দ্রুত পুনর্গঠন করতে একটি সামগ্রিক কর্মপন্থা নির্ধারণ করেছে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও সামাজিক সুরক্ষায় সম্মিলিতভাবে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকার ২১টি প্রণোদনা প্যাকেজসমূহ বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা জিডিপির ৪ দশমিক ৩৪ শতাংশের সমান। কিছু কিছু প্যাকেজের বাস্তবায়ন ২০২১ সালেও চলমান থাকবে। করোনা পরিস্থিতিতে অন্য অনেক দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিলেও বাংলাদেশ তা অনেকটাই এড়াতে পেরেছে। বাংলাদেশ এখন যে ধরনের অর্থনৈতিক বিকাশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০১:২৮
আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০১:৩২
প্রিন্ট করুন printer

মুশতাকের দাফন সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের দাফন সম্পন্ন
লেখক মুশতাক আহমেদ।

লেখক মুশতাক আহমেদের (৫৩) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে, লালমাটিয়ার মিনার মসজিদে তার জানাজা হয়। জানাজায় তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন এবং স্থানীয় এলাকাবাসী অংশ নেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন মুশতাক আহমেদ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কারাগারের ভেতরেই তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে কারা হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৮টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মুশতাক আহমেদ নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার থানার ছোট বালাপুর এলাকার মো. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা ছিল। ২০২০ সালের আগস্ট মাস থেকে তিনি এ কারাগারে বন্দি ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২৪
প্রিন্ট করুন printer

মুশতাকের মৃত্যু: যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ইইউসহ ১৩ দূতের উদ্বেগ, তদন্তের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের মৃত্যু: যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ইইউসহ ১৩ দূতের উদ্বেগ, তদন্তের আহ্বান
মুশতাক আহমেদ

কারান্তরীণ অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ঢাকায় নিযুক্ত ১৩ রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার। গতকাল রাতে এক যুক্ত বিবৃতিতে তারা এই আহ্বান জানান। 

তারা বলেন, মুশতাক আহমেদ ৫ মে ২০২০ থেকে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে বিচারাধীন মামলায় কারাগারে আটক ছিলেন। আমরা মনে করি বিভিন্ন সময়ে তার জামিন আবেদন নাকচ করা হয়েছে, যার ফলে কারান্তরীণ অবস্থায় তার উপযুক্ত চিকিৎসা প্রাপ্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আমরা তার পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি দ্রুত, স্বচ্ছ এবং স্বাধীন তদন্তের মধ্য দিয়ে পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে।

বাংলাদেশের ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট-এর প্রবিধান এবং এর প্রয়োগ নিয়ে আমাদের স্ব স্ব রাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্বেগের প্রেক্ষিতে আমরা বিষয়টি নিয়ে সরকারের সঙ্গে সর্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। একই সঙ্গে এই আইনের গ্রহণযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং এর স্ট্যান্ডার্ড মানার থেকে বাংলাদেশের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে তার সঙ্গে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের সামঞ্জস্যতার প্রশ্নেও আমরা আমাদের উদ্বেগ অব্যাহত রাখছি। 

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, বৃটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তেরিঙ্ক, কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনওয়ে প্রিফন্টেইনার, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি স্ট্রাপ পিটারসন, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জিন ম্যারিন স্কো, জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেন হল্টজ, ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নুনজিয়াতা, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারওয়েজি, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত ইস্পেন রিকটার ভেনডেনসেন, স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রানসিসকো ডি আসিস ভেনিতেজ সালাস, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজেন্দ্রা বার্গ ভন লিন্ডে এবং সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড।

উল্লেখ্য, ২৫ ফেব্রুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মুশতাক আহমেদ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:১৭
প্রিন্ট করুন printer

ফেসবুকে দু’চার লাইন লিখলে আপনাদের ইজ্জত চলে যায়: নূর

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুকে দু’চার লাইন লিখলে আপনাদের ইজ্জত চলে যায়: নূর
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর বলেছেন, এ দেশের জনগণ ভোট দিয়ে কোনো রাজা-রানী বানায় নাই। জনগণ তাদের সেবক বানায়, জনপ্রতিনিধি বানায়, জনপ্রতিনিধিদের সমালোচনা করার অধিকার এ দেশের মানুষের আছে। কী এমন হয়ে গেল যে তাদের বিরুদ্ধে দুই-চারটা কথা বললেই তাদের মানহানির ঘটনা ঘটে। আমি জিজ্ঞেস করতে চাই, ফেসবুকে দু’চার লাইন লিখলে আপনাদের ইজ্জত চলে যায়, আসলে আপনাদের ইজ্জত আছে?

ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে শুক্রবার বিকালে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ভিপি নূর বলেন, কখনো হাতুড়ি দিয়ে, কখনো হেলমেট দিয়ে, কখনো পুলিশ দিয়ে, কখনো ছাত্রলীগ দিয়ে, কখনো যুবলীগ দিয়ে, যারাই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলছে, তাদেরকেই এই নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে দমন-পীড়ন হয়েছে, সামরিক শাসনামলেও হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার সামরিক শাসনকেও অতিক্রম করে গেছে।

নুরুল হক নূর বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন যেটিকে সরকার একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভিন্ন মতের মানুষের দমন-পীড়নে। আপনি কথা বলবেন, লিখবেন, প্রত্যেকটা জায়গায় সেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে আপনার কণ্ঠকে রুদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আজকে কেউই আর নিরাপদ নাই এই সরকারের কাছ থেকে।

সাংবাদিক ফারুক ওয়াসিফের সঞ্চালনায় নাগরিক সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক তানজিম উদ্দিন প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:০৫
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:০৭
প্রিন্ট করুন printer

মার্চে কালবৈশাখী, এপ্রিলে ঘূর্ণিঝড়-তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস

এপ্রিলে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে তাপমাত্রা হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক

মার্চে কালবৈশাখী, এপ্রিলে ঘূর্ণিঝড়-তীব্র তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস
ফাইল ছবি

শীতকাল শেষ। এখন ধীরে ধীরে বাড়ছে তাপমাত্রা। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে এসে তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি ছাড়াল। মার্চেই তা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠে যাওয়ার আভাস। এপ্রিলে ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে, দেশে বয়ে যেতে পারে তীব্র তাপপ্রবাহ।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এই আভাস দেওয়া হয়েছে। অধিদফতরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত ওই পূর্বাভাস ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরে পাঠানো হয়েছে।
 
মার্চের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ‘মার্চে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে। দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুই দিন মাঝারি অথবা তীব্র কালবৈশাখী অথবা বজ্রঝড় এবং দেশের অন্যত্র দুই থেকে তিনদিন হালকা অথবা মাঝারি কালবৈশাখী অথবা বজ্রঝড় হওয়ার আশঙ্কা আছে। তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে প্রথমে ৩৬ ডিগ্রি পরবর্তীতে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ৩৮ ডিগ্রিতে ঠেকতে পারে।

স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত এপ্রিলেও হতে পারে। তবে এক থেকে দুইটি নিন্মচাপের আভাস আছে। ফলে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এ ছাড়া দেশের উত্তর থেকে মধ্যাঞ্চলে দুই থেকে তিনদিন বজ্রসহ মাঝারি অথবা তীব্র কালবৈশাখী অথবা বজ্রঝড় এবং দেশের অন্যত্র চার থেকে পাঁচ দিন হালকা অথবা মাঝারি কালবৈশাখী অথবা বজ্রঝড় হতে পারে।
 
এপ্রিলে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি তীব্র তাপপ্রবাহ (৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে) এবং অন্যত্র এক থেকে দুটি মৃদু (৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি) অথবা মাঝারি (৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি) ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। 

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ 

 
 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:৫০
প্রিন্ট করুন printer

মুশতাকের মৃত্যুর দায় সরকার-প্রশাসন এড়াতে পারে না: জাসদ

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের মৃত্যুর দায় সরকার-প্রশাসন এড়াতে পারে না: জাসদ

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন, কারাবন্দি অনলাইন লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যু সমগ্র রাষ্ট্র ও সরকারের জন্য দুর্ভাগ্যজনক। কারাগারে মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর দায় সরকার ও প্রশাসন এড়াতে পারে না।

আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা থাকলেও আইন অনুযায়ী তার জামিন পাওয়ার অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে। তাকে জামিনে মুক্তি দিয়েও তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার বিচার কার্যক্রম চালানোর ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা ছিল না। সাজ্জাদ হোসেন কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক সকল সাংবাদিক ও লেখকের জামিন প্রদান করার দাবি জানান।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর