শিরোনাম
প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:৩৬
প্রিন্ট করুন printer

করোনার টিকা হস্তান্তর করলো ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার টিকা হস্তান্তর করলো ভারত
ভ্যাকসিন হস্তান্তর মুহূর্ত।

বাংলাদেশের কাছে ২০ লাখ ডোজ করোনার টিকা হস্তান্তর করেছে ভারত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাগুলো হস্তান্তর করা হয়।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাগুলো হস্তান্তর করেন। এসময় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমসহ সরকারের দায়িত্বশীল অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এসময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আজ একটি ঐতিহাসিক দিন, আজ আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত সরকার আমাদের ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন উপহার দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধে ভারত সরকার আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এখন বিনা মূল্যে ভ্যাকসিন দিল। চুক্তির ভ্যাকসিনও ঠিক সময় আসবে। অনেক উন্নত দেশ এখনো ভ্যাকসিন পায়নি, দেয়া শুরু করেনি। সেখানে আমরা আগে ভ্যাকসিন পেলাম, সেজন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ।

ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, ‘পার্শ্ববর্তী দেশের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতির ফলেই এই উপহার দেয়া হয়েছে। ভারতীয় হাইকমিশনার। ভারত-বাংলাদেশ একসাথে এই মহামারী মোকাবেলা করবে। এতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো মজবুত হবে।’

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক বলেন, ‘আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ভ্যাকসিন দেশে এসেছে। আমরা সবাই খুবই আনন্দিত, আমাদের হাতে ২০ লাখ ভ্যাকসিন এসে পৌঁছেছে। সেই ভ্যাকসিন স্টোরে রাখা হয়েছে। আজ প্রমাণ হলো বন্ধু রাষ্ট্র একে অপরকে সাহায্য করে। যুদ্ধের সময় ভারত আমাদের সাহায্য করেছে, এখন মহামারিতেও ভ্যাকসিন দিযে সাহায্য করলো। দুই রাষ্ট্রের বন্ধুত্বের প্রমাণ রাখলো এ ভ্যাকসিন। 

তিনি আরও বলেন, যেকোন দুর্যোগ আমরা একসাথে মোকাবেলা করবো। তিন কোটি ভ্যাকসিন চুক্তি তাড়াতাড়ি বাস্তবায়ন হবে আশা করছি। ভারত সরকারকে অনুরোধ করবো তাড়াতাড়ি যেনো সেটি বাস্তবায়িত হয়। ৭০ লাখ ভ্যাকসিন এ মাসে আমাদের হাতে থাকবে। ভারত সরকারকে ধন্যবাদ।

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:৩০
আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:৩৩
প্রিন্ট করুন printer

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ছয় মন্ত্রণালয়ের বৈঠক বিকেলে

অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ছয় মন্ত্রণালয়ের বৈঠক বিকেলে
ফাইল ছবি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ছয় মন্ত্রণালয়ের বৈঠক আজ শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীকে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, শনিবার বিকেল ৩টায় মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হবে। 

সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ সচিব, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার বিভাগের সচিব এবং আইজিকে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত আইজি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ), ইউজিসি প্রতিনিধি ছাড়াও পাঁচ মহাপরিচালক এবং তিন পদস্থ কর্মকর্তাকেও উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৯:৪০
আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:২৩
প্রিন্ট করুন printer

করোনার টিকা পেতে ৪১ লাখ নিবন্ধন

অনলাইন ডেস্ক

করোনার টিকা পেতে ৪১ লাখ নিবন্ধন

২৭ জানুয়ারি গণহারে করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত মোট ৪১ লাখ আট হাজার ১৬৫ জন নিবন্ধন করেছেন। গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী টিকা কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথম ডোজের টিকা গ্রহিতার সংখ্যা ছিল ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৯৪০ জন। টিকা প্রাপকদের মধ্যে ১৮ লাখ ৫৬ হাজার ২৬৫ জন পুরুষ এবং নয় লাখ ৯৪ হাজার ৬৭৫ জন নারী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় (ডিজিএইচএস) সূত্র জানায়, শুক্রবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত করোনা টিকা গ্রহণে ৪১ লাখ আট হাজার ১৬৫ জন নিবন্ধন করেছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, জনসাধারণের মাঝে ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিরা করোনার টিকা পাওয়ার জন্য নিবন্ধন করতে পারেন।

ডিজিএইচএস জানায়, ঢাকা শহরের ৫০টি হাসপাতাল এবং রাজধানীর বাইরে এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে সপ্তাহের শুক্রবার বাদে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত টিকা প্রদান করা হয়।

জনসাধারণকে করোনা টিকা পেতে সুরক্ষা ওয়েবসাইটে (www.surokkha.gov.bd) গিয়ে নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০১:২৮
আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০১:৩২
প্রিন্ট করুন printer

মুশতাকের দাফন সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের দাফন সম্পন্ন
লেখক মুশতাক আহমেদ।

লেখক মুশতাক আহমেদের (৫৩) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে, লালমাটিয়ার মিনার মসজিদে তার জানাজা হয়। জানাজায় তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন এবং স্থানীয় এলাকাবাসী অংশ নেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন মুশতাক আহমেদ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কারাগারের ভেতরেই তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে কারা হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৮টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মুশতাক আহমেদ নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার থানার ছোট বালাপুর এলাকার মো. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা ছিল। ২০২০ সালের আগস্ট মাস থেকে তিনি এ কারাগারে বন্দি ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২৪
প্রিন্ট করুন printer

মুশতাকের মৃত্যু: যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ইইউসহ ১৩ দূতের উদ্বেগ, তদন্তের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের মৃত্যু: যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ইইউসহ ১৩ দূতের উদ্বেগ, তদন্তের আহ্বান
মুশতাক আহমেদ

কারান্তরীণ অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ঢাকায় নিযুক্ত ১৩ রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার। গতকাল রাতে এক যুক্ত বিবৃতিতে তারা এই আহ্বান জানান। 

তারা বলেন, মুশতাক আহমেদ ৫ মে ২০২০ থেকে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে বিচারাধীন মামলায় কারাগারে আটক ছিলেন। আমরা মনে করি বিভিন্ন সময়ে তার জামিন আবেদন নাকচ করা হয়েছে, যার ফলে কারান্তরীণ অবস্থায় তার উপযুক্ত চিকিৎসা প্রাপ্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আমরা তার পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি দ্রুত, স্বচ্ছ এবং স্বাধীন তদন্তের মধ্য দিয়ে পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে।

বাংলাদেশের ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট-এর প্রবিধান এবং এর প্রয়োগ নিয়ে আমাদের স্ব স্ব রাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্বেগের প্রেক্ষিতে আমরা বিষয়টি নিয়ে সরকারের সঙ্গে সর্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। একই সঙ্গে এই আইনের গ্রহণযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং এর স্ট্যান্ডার্ড মানার থেকে বাংলাদেশের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে তার সঙ্গে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের সামঞ্জস্যতার প্রশ্নেও আমরা আমাদের উদ্বেগ অব্যাহত রাখছি। 

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা হলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, বৃটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তেরিঙ্ক, কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনওয়ে প্রিফন্টেইনার, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি স্ট্রাপ পিটারসন, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জিন ম্যারিন স্কো, জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেন হল্টজ, ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নুনজিয়াতা, নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারওয়েজি, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত ইস্পেন রিকটার ভেনডেনসেন, স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রানসিসকো ডি আসিস ভেনিতেজ সালাস, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজেন্দ্রা বার্গ ভন লিন্ডে এবং সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড।

উল্লেখ্য, ২৫ ফেব্রুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মুশতাক আহমেদ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:১৭
প্রিন্ট করুন printer

ফেসবুকে দু’চার লাইন লিখলে আপনাদের ইজ্জত চলে যায়: নূর

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুকে দু’চার লাইন লিখলে আপনাদের ইজ্জত চলে যায়: নূর
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর বলেছেন, এ দেশের জনগণ ভোট দিয়ে কোনো রাজা-রানী বানায় নাই। জনগণ তাদের সেবক বানায়, জনপ্রতিনিধি বানায়, জনপ্রতিনিধিদের সমালোচনা করার অধিকার এ দেশের মানুষের আছে। কী এমন হয়ে গেল যে তাদের বিরুদ্ধে দুই-চারটা কথা বললেই তাদের মানহানির ঘটনা ঘটে। আমি জিজ্ঞেস করতে চাই, ফেসবুকে দু’চার লাইন লিখলে আপনাদের ইজ্জত চলে যায়, আসলে আপনাদের ইজ্জত আছে?

ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে শুক্রবার বিকালে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে এক নাগরিক সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ভিপি নূর বলেন, কখনো হাতুড়ি দিয়ে, কখনো হেলমেট দিয়ে, কখনো পুলিশ দিয়ে, কখনো ছাত্রলীগ দিয়ে, কখনো যুবলীগ দিয়ে, যারাই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলছে, তাদেরকেই এই নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে দমন-পীড়ন হয়েছে, সামরিক শাসনামলেও হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার সামরিক শাসনকেও অতিক্রম করে গেছে।

নুরুল হক নূর বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন যেটিকে সরকার একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভিন্ন মতের মানুষের দমন-পীড়নে। আপনি কথা বলবেন, লিখবেন, প্রত্যেকটা জায়গায় সেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন দিয়ে আপনার কণ্ঠকে রুদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আজকে কেউই আর নিরাপদ নাই এই সরকারের কাছ থেকে।

সাংবাদিক ফারুক ওয়াসিফের সঞ্চালনায় নাগরিক সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক তানজিম উদ্দিন প্রমুখ।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর