শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:১৯, সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৪

রিসিভার নিয়োগে শিল্প আরো রুগ্‌ণ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
রিসিভার নিয়োগে শিল্প আরো রুগ্‌ণ

বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে রিসিভার নিয়োগের অসংখ্য নজির রয়েছে। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রায় প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রেই পরিণতি ভালো হয়নি। রিসিভার নিয়োগের পর রুগ্‌ণ প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠিত শিল্প গ্রুপ।

এসব প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের কষ্ট করে দাঁড় করানো ব্যবসায় রিসিভার/প্রশাসক নিয়োগের পর উদ্ভাবন ও বিপণনের ধারাবাহিতা না থাকায় দেখা গেছে, উদ্যোগগুলো ধ্বংসের মুখে পড়েছে।

এতে ঋণ আদায় কিংবা পাওনা পরিশোধ আরো অনিশ্চিত হয়ে গেছে। সম্প্রতি দেশের ১০টি শিল্প গ্রুপে রিসিভার নিয়োগের গুজব ওঠায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও শ্রমিক সবাই।

জানা গেছে, স্বাধীনতা-পরবর্তী ৫৩ বছরে দেশের অর্থনীতিতে ঈর্ষণীয় সাফল্য এসেছে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকগুলোতে প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে সামনের সারিতে বাংলাদেশ।

এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে ব্যবসায়ী ও বৃহৎ শিল্পের অসামান্য অবদান। শুধু অর্থনীতি নয়, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ভূমিকা রাখছেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া কিছু দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের হেনস্তা করার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের শিল্প খাত ও অর্থনীতি। ব্যবসায়ী নেতারা বলেছেন, কোনো ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি কিংবা অপরাধ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নিতে হবে।

কিন্তু ব্যক্তিকে শাস্তি দিতে গিয়ে প্রতিষ্ঠান, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটা দেখতে হবে। দেশ ও অর্থনীতির স্বার্থে ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। তা না হলে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সংশ্লিষ্ট খাতের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো মুনাফা করলেও করপোরেশনের অধীন থাকা বেশির ভাগ কারখানা তা পারছে না। এমনকি কারখানা বন্ধ থাকলেও বছরের পর বছর লোকসান গুনছে একাধিক করপোরেশন।

ফলে সরকারকে প্রতিবছর বিপুল অঙ্কের লোকসানের দায় নিতে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখতে জনগণের করের টাকায় ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এই দায় বহনের সুযোগ নেই।
 
যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক/রিসিভার নিয়োগ
অপরাধলব্ধ সম্পদগুলো যেন নষ্ট না হয় এবং চূড়ান্ত রায়ের পর সম্পদগুলো যেন সহজেই রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা যায়, সে কারণেই আদালত রিসিভার নিয়োগ দেয় বলে জানিয়েছেন দুদকের সাবেক মহাপরিচালক ও সাবেক জেলা জজ মো. মঈদুল ইসলাম। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, রিসিভাররা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির আয় ও ব্যয়ের হিসাব আদালতে জমা দেবেন। কোনো কারণে সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে রিসিভার দায়ী থাকবেন। এ ছাড়া চূড়ান্ত রায়ে কোনো কারণে আসামি খালাস পেলে তাঁকে তাঁর সম্পত্তি ফেরত দিতে হবে। ফলে ক্রোককৃত সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় সবাইকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে।

বেক্সিমকো : শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বেক্সিমকো গ্রুপের সব সম্পত্তি সংযুক্ত করে তা ব্যবস্থাপনায় ছয় মাসের জন্য একজন রিসিভার নিয়োগ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। তবে রিসিভার নিয়োগে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে বেক্সিমকো গ্রুপ আপিল করায় বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডে রিসিভার নিয়োগ স্থগিত হয়ে যায়। তবে গ্রুপের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে রিসিভার নিয়োগের আদেশ বহাল থাকবে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি এখন কারাবন্দি। জানা গেছে, সম্প্রতি বেতন দিতে না পারায় বেক্সিমকো গ্রুপের একাধিক কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

নগদ : ডাক বিভাগের মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস ‘নগদ’-এ প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ১৫ দিন পরই গত ২১ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অফিসে কর্মরত পরিচালক মুহম্মদ বদিউজ্জামান দিদারকে নগদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে প্রশাসক নিয়োগের পর নগদের লেনদেন আগের চেয়ে কমে গেছে, প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।

প্রিমিয়ার লিজিং : ২০২০ সালে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে না পারায় ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সে প্রশাসক নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হলে এ রকম বেশ কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অবসায়ন চেয়ে গ্রাহকরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বিভিন্ন সময়ে।

হলমার্ক গ্রুপ : ২০১১ সালে হলমার্কসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা (হোটেল শেরাটন) শাখা থেকে ঋণের নামে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়, যা নিয়ে তখন বড় আলোচনা তৈরি হয়। সেই ঘটনার বিচারকাজ এখনো চলছে। টাকাও আদায় করতে পারছে না সোনালী ব্যাংক। এই ঘটনায় উভয় পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কারণ ব্যাংকও তার পুরো টাকা ফেরত পায়নি। আবার ব্যবসাও ধ্বংস হয়ে গেছে হলমার্কের।

২০২২ সালে সোনালী ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আতাউর রহমান প্রধান বলেছিলেন, ‘হলমার্কের যেসব সম্পদ আছে তা আদালতের রায়ের মাধ্যমে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। আমরা চিন্তা করছি এটি কিভাবে নিষ্পত্তি করা যায়।’

হলমার্ক গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক শামীম আল মামুন বলেন, ‘এখানে কী হয়েছে তা সবাই জানেন। প্রায় ১৩৭ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত হলমার্ক গ্রুপের বিশাল শিল্প পার্কে ৪৩টি কারখানায় প্রায় ৪০ হাজার শ্রমিক কাজ করত। তবে সেখানে এখন আর কিছুই নেই। সব বিক্রি করে দিয়েছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। জমি দখলের পর এখন চলছে বিক্রির অপচেষ্টা।’

সোনালী ব্যাংকের ঢাকা জোনের একটি শাখাপ্রধান কালের কণ্ঠকে জানান, হলমার্ক গ্রুপ এখন একটি বিলুপ্তপ্রায় প্রতিষ্ঠান। তাদের ব্যবসাও নষ্ট হয়েছে। ব্যাংকও তার ঋণ ফেরত পায়নি। এমনকি তাদের সম্পত্তি নিলামে তুললে আইনি জটিলতার ভয়ে কেউ সেই সম্পত্তি কিনতে চায় না।

এননটেক্স : এদিকে ঋণখেলাপের পরিপ্রেক্ষিতে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক এননটেক্স গ্রুপও রুগ্‌ণ শিল্পে পরিণত হয়েছে। অনিয়ম, জালিয়াতি ও তথ্য গোপন করে এননটেক্স গ্রুপের ২২ প্রতিষ্ঠানকে ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল সময়ে বিপুল অঙ্কের ঋণ দিয়েছে জনতা ব্যাংক। অনারোপিত সুদ বাদে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাংকের পাওনা রয়েছে ছয় হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

এননটেক্স গ্রুপের একজন সাবেক কর্মকর্তা জানান, টঙ্গীতে তাঁদের কারখানা ছিল ২২টি।  রহস্যজনক আগুনে পুড়ে দুটি কারখানা তিন-চার বছর আগে বন্ধ হয়েছে। অর্থাভাবে দিন দিন কারখানা কমতে থাকে। এখন চালু রয়েছে মাত্র চার-পাঁচটি কারখানা। কারখানার মালিক ৫ আগস্টের আগে দেশে ছেড়ে যান।

বিসমিল্লাহ গ্রুপ : হলমার্ক কেলেঙ্কারির পর ব্যাংকিং খাতে আরেকটি আলোচিত ঘটনা ছিল টেরিটাওয়েল (তোয়ালেজাতীয় পণ্য) উৎপাদক প্রতিষ্ঠান বিসমিল্লাহ গ্রুপের ঋণ কেলেঙ্কারি। ২০১২ ও ২০১৩ সালে বিসমিল্লাহ গ্রুপ ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে প্রায় এক হাজার ২০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ভুয়া এলসির মাধ্যমে তা বিদেশে পাচার করে।

বিসমিল্লাহ গ্রুপের প্রতিষ্ঠিত কারখানাগুলোর মধ্যে একমাত্র গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার বহেরারচালা এলাকায় সাহরিস কম্পোজিট টাওয়েল মিলস লিমিটেড কারখানাই চালু রয়েছে। তবে দিন দিন শ্রমিক-কর্মচারী কমিয়ে উৎপাদন সীমিত রেখে কারখানাটি নামে মাত্র চালু রাখা হয়েছে।

ই-ভ্যালি : ই-কমার্সে ব্যাপক অনিয়মের কারণে পর্ষদ ভেঙে দেওয়ায় ছন্দঃপতন ঘটে অনলাইন মাধ্যমে পরিচালিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালিতেও। এখন পর্যন্ত সেই প্রতিষ্ঠান আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। আবার টাকাও ফেরত পাইনি হাজার হাজার গ্রাহক।

হাইকোর্টের নির্দেশে ২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর ই-ভ্যালির পরিচালনার দায়িত্ব নেয় আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ। ওই পর্ষদ গত তিন মাসে ৯টি বোর্ড সভা করে সফলতা অর্জন করতে না পেরে পর্ষদের সব সদস্য পদত্যাগ করেন।

জাতীয়করণের অভিজ্ঞতাও ভালো নয়
মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সব কিছু জাতীয় করা হয়। আদমজীসহ আরো ৮২টি বেসরকারি পাটকল জাতীয় করে এগুলোর ব্যবস্থাপনার জন্য ১৯৭৪ সালে বিজেএমসি গঠন করা হয়। তাতে কোনো ফল আসেনি। ২০০২ সালে সরকার আদমজী জুট মিল বন্ধ ঘোষণা করে সব শ্রমিক-কর্মচারীকে গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে বিদায় করে।

আদমজী জুট মিলের মতোই ২০২০ সালের ১ জুলাই সরকারি মালিকানাধীন ২৬টি পাটকল বন্ধের ঘোষণা এসেছে। আদমজী জুট মিলের মতোই এই পাটকলগুলো বছরের পর বছর লোকসান দিয়ে আসছিল।

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) অধীন ২৬টি পাটকল ২০২০ সালে বন্ধ করে দেয় সরকার। পাটকল বন্ধ হলেও বিজেএমসির লোকসান বেড়েছে। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে করপোরেশনটির লোকসান ছিল প্রায় ২১৩ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত লোকসান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৫ কোটি টাকায়।

চীনে ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতি : মাঝেমধ্যেই চীনে দুর্নীতি দমনের ধুয়া তুলে ব্যক্তি খাতের ওপর নানা আক্রমণ চলে। আস্থা হারায় বিনিয়োগকারীরা। ২০২০ সালের শেষ দিকে তাদের সরকার বিভিন্ন প্রযুক্তি কম্পানির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। তাদের নজরদারি ও বিধি-নিষেধের প্রধান বলি ছিল দেশটির শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স কম্পানি আলিবাবা, শীর্ষস্থানীয় গেম নির্মাতা কম্পানি টেনসেন্ট, ফুড ডেলিভারির কম্পানি মাইতুয়ান, সার্চ ইঞ্জিন কম্পানি বাইদু এবং ই-কমার্স কম্পানি জেডি ডটকম।

সে সময় ব্যাবসায়িক ক্ষেত্রে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করার অভিযোগে কম্পানিগুলোকে জরিমানা করা হয়। সরকারি এই নিয়ন্ত্রণ ১৮ মাস বজায় থাকে। চীনের শীর্ষ পাঁচ প্রযুক্তি কম্পানির শেয়ারমূল্য ৪০.৪ শতাংশ থেকে ৭১ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এতে কম্পানিগুলো সম্মিলিতভাবে বাজার থেকে হারায় ১.১ ট্রিলিয়ন ডলার। এতে নতুন উদ্ভাবনের মাত্রা কমতে থাকে। অনেক কর্মী চাকরিও হারায়।

পোশাক খাতেও প্রশাসক নিয়োগ?
অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর গত তিন মাসে বকেয়া বেতন-ভাতা, বোনাসসহ নানা দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলনে অস্থির শিল্পাঞ্চল। নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও বন্ধ হচ্ছে না এই অস্থিরতা। এমন পরিস্থিতিতে বকেয়া বেতন পরিশোধে মালিকপক্ষের সমস্যা পেলে প্রশাসক নিয়োগের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সরকার।

নতুন করে মন্ত্রণালয় পুনর্গঠনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময়সভায় ওই হুঁশিয়ারি দেন।

মালিকরা কী বলছেন?
কর্ণফুলী ইপিজেডের ‘ডেনিম এক্সপার্ট’ গার্মেন্টসের মালিক ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন রুবেলের মতে, ‘ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান যেখানে মালিক আছে সেখানে এভাবে দিয়ে কতটুকু পজিটিভ রেজাল্ট আসবে সেখানে মালিক হিসেবে আমি সন্দেহ পোষণ করি।’

ডিসিসিআইর সাবেক সভাপতি আবুল কাসেম খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভালো নেই ব্যবসা-বাণিজ্য। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদের হার এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির সার্বিক প্রভাব পড়েছে দেশের অর্থনীতিতে। এর মধ্যে বেসরকারি কোনো কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মালিকরা রাজনৈতিক আক্রোশে পড়েছেন। লাল তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগের আশঙ্কায় মনোবল হারাচ্ছেন তাঁরা।’

নিট ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘রাজনৈতিক মতাদর্শ যা-ই হোক না কেন, একজন উদ্যোক্তাকে রাজনৈতিক ব্যক্তির পরিবর্তে ব্যবসায়ী হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বিচার ছাড়াই যদি মিডিয়া ট্রায়ালে আমরা দেশীয় শিল্প ধ্বংস করে ফেলি, তাহলে তা অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, বেক্সিমকো কয়েক মাস ধরে শ্রমিকদের মজুরি দিতে পারছিল না। সরকার তাদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করছে। গ্রুপটিকে সচল করতে এখন সেখানে রিসিভার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বেক্সিমকোতে রিসিভার দেওয়া মানে বন্ধ নয়; বরং এটা সচল করা হচ্ছে। যেকোনো কম্পানি বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চাই না, কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বা শিল্প বন্ধ হয়ে যাক। কারণ সেখানে অনেক কর্মসংস্থান রয়েছে। আবার কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের হিসাব জব্দ করা হয়নি, হবেও না।’

সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ

এই বিভাগের আরও খবর
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য বিশেষ সম্মাননা পেলেন কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী
সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য বিশেষ সম্মাননা পেলেন কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী
গণসংহতি আন্দোলন ও জাতীয় কবিতা পরিষদের মতবিনিময়
গণসংহতি আন্দোলন ও জাতীয় কবিতা পরিষদের মতবিনিময়
হাওর মহাপরিকল্পনার খসড়া মূল্যায়ন ও হালনাগাদকরণে মতামত আহ্বান
হাওর মহাপরিকল্পনার খসড়া মূল্যায়ন ও হালনাগাদকরণে মতামত আহ্বান
সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেফতার ১৫১৫
সারাদেশে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেফতার ১৫১৫
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সমস্যা হতে যাচ্ছে রোহিঙ্গা সংকট : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সমস্যা হতে যাচ্ছে রোহিঙ্গা সংকট : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
দাম বেড়েছে আরও কিছু পণ্যের, খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ
দাম বেড়েছে আরও কিছু পণ্যের, খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষ
পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের আহ্বান সিইসির
পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের আহ্বান সিইসির
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সর্বশেষ খবর
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

১৫ মিনিট আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

২৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৩০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ
জাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন
মাগুরায় উপজেলা প্রশাসন বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার
শ্রীপুরে নারীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কক্সবাজারে চোরাচালানের অভিযোগে আটক ২
কক্সবাজারে চোরাচালানের অভিযোগে আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটিতে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্ষমতায় এলে প্রথমে গুমের সংস্কৃতি নিশ্চিহ্ন করা হবে : সালাহউদ্দিন
ক্ষমতায় এলে প্রথমে গুমের সংস্কৃতি নিশ্চিহ্ন করা হবে : সালাহউদ্দিন

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক
ধ্রুপদীকে জিনপিংয়ের গোপনপত্র, নতুন মোড়ে ভারত-চীন সম্পর্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

উত্তরাঞ্চলে আবারও বন্যার পদধ্বনি
উত্তরাঞ্চলে আবারও বন্যার পদধ্বনি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাতামুহুরী নদীতে গোসল করতে নেমে কিশোরী নিখোঁজ
মাতামুহুরী নদীতে গোসল করতে নেমে কিশোরী নিখোঁজ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য বিশেষ সম্মাননা পেলেন কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী
সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য বিশেষ সম্মাননা পেলেন কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বালিয়াকান্দিতে বিএনপির লিফলেট বিতরণ
বালিয়াকান্দিতে বিএনপির লিফলেট বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সোনারগাঁয়ে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
সোনারগাঁয়ে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা জারি

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা
সংসার ভাঙার পর নতুন করে বাগদান সারলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া
ড্রোন হামলা চালিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিল রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ
সচিব হলেন মঈন উদ্দিন আহমেদ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু
১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি সৃষ্টিতে বিএনপির পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে : আমীর খসরু

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ
লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন ড. খন্দকার মোশাররফ

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা
উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা : সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ দুই ম্যাচের দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

১১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু কমছে সাড়ে ৫ বছর
বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু কমছে সাড়ে ৫ বছর

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি
পুকুর যেন সাদাপাথরের খনি

পেছনের পৃষ্ঠা

বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি
বহু নারীর জীবন নষ্টে তৌহিদ আফ্রিদি

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি
ডিবি হারুনের স্ত্রীর নামে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান
রোগীদের জন্য ১৭ কোটি টাকার ওষুধ এনে দিলেন শীর্ষ শ্রেয়ান

নগর জীবন

আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য
আজমির শরিফে অন্যরকম দৃশ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

আবারও মব রাজধানীতে
আবারও মব রাজধানীতে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের
মনোনয়ন চান বিএনপির সাত নেতা, প্রার্থী চূড়ান্ত জামায়াতের

নগর জীবন

একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের
একক প্রার্থী বিএনপিসহ সব দলের

নগর জীবন

রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স
রংপুরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স

নগর জীবন

প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন
প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিন

নগর জীবন

ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া
ছাত্র সংসদ নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মহড়া

প্রথম পৃষ্ঠা

অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ
অবশেষে ভোটের রোডম্যাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী
সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার বাংলাদেশিসহ ২ লাখ অভিবাসী

পেছনের পৃষ্ঠা

গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল
গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েল

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া মুখোমুখি

মাঠে ময়দানে

কমপ্লিট শাটডাউন
কমপ্লিট শাটডাউন

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট
ব্যাংকের ভল্ট ভেঙে নগদ টাকা লুট

নগর জীবন

চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন
চ্যাম্পিয়ন কিংসের সামনে তিন চ্যাম্পিয়ন

মাঠে ময়দানে

কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা
কেন ছবির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন শর্মিলা

শোবিজ

বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার
বাহারি প্রতিশ্রুতি কৌশলী প্রচার

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব
নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় র‌্যাব

প্রথম পৃষ্ঠা

কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু অক্টোবরে
কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু অক্টোবরে

নগর জীবন

মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি
মেসির জোড়া গোলে ফাইনালে মায়ামি

মাঠে ময়দানে

ফের মোহনীয়রূপে জয়া
ফের মোহনীয়রূপে জয়া

শোবিজ

নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ
নিজেদের অসহায় পরিচয় দিয়ে প্লট নেন রেহানা-টিউলিপ

পেছনের পৃষ্ঠা

সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি
সংবিধান পরিবর্তন করতে পারে শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধি

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’
ক্যাপিটাল ড্রামায় অবমুক্ত তৌসিফ-তিশার ‘খোয়াবনামা’

শোবিজ

‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’
‘রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ না করলে ছাড় পাবে না ভারত’

পূর্ব-পশ্চিম

শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা
শির আমন্ত্রণে চীন যাচ্ছেন বিশ্বনেতারা

পূর্ব-পশ্চিম