শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:৫৮

দেশ ও জাতির পক্ষে সাংবাদিকতা করেছেন এ বি এম মূসা

আলোচনা সভায় বক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশ ও জাতির পক্ষে সাংবাদিকতা করেছেন এ বি এম মূসা

সাংবাদিক এ বি এম মূসার স্মরণসভায় বক্তারা বলেছেন, দুর্বল গণতন্ত্রের চেয়ে দুর্বল সাংবাদিকতা বেশি ক্ষতিকর। সেলফ সেন্সরশিপ খুবই খারাপ জিনিস। এতে সাংবাদিকতার মৌলিকতা নষ্ট হয়। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ছিলেন এ বি এম মূসা। তিনি শতভাগ খাঁটি সাংবাদিক ছিলেন। স্পষ্টভাষী ছিলেন, মুখের সামনে কথা বলতে পারতেন। মানুষের অধিকারের বিষয়ে কখনই আপস করেননি। পুরো জীবন দেশ ও জাতির পক্ষে সাংবাদিকতা করেছেন এ বি এম মূসা। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর চৌধুরী হলে ‘এ বি এম মূসার ৮৯তম জন্মদিন : আজীবন সম্মাননা ও স্মারক বক্তৃতা-২০২০’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। এ বি এম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ সভায় বাংলাদেশের প্রথম নারী আলোকচিত্র সাংবাদিক সাইদা খানমকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন লেখক-সাংবাদিক সৈয়দ আবুল মকসুদ। ‘মানবাধিকার নিশ্চিতকরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা করেন অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। বক্তব্য রাখেন এ বি এম মূসার জ্যেষ্ঠ কন্যা মরিয়ম সুলতানা মূসা, কনিষ্ঠা কন্যা ঢাবির অধ্যাপক ড. শারমিন মূসা। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ব্যারিস্টার আফতাব উদ্দীন। সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, দেশে যেমন দুর্বল গণতন্ত্র আছে তেমনি সাংবাদিকতায় রয়েছে এক ধরনের সেলফ সেন্সরশিপ। এটি দেশের জন্য বড় হুমকি। মূসা ভাইকে দেখেছি একজন ব্যতিক্রমী সাংবাদিক হিসেবে। তিনি স্পষ্টভাষী ছিলেন, মুখের সামনে কথা বলতে পারতেন।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, সাংবাদিকরা নিজেরা যা করতে পারেন তা থেকে এজন্য তাদের বিরত থাকার কোনো কারণ নেই। সাংবাদিকদের ঐক্য ও আদর্শের শক্তি কত বেশি তা আমরা এরশাদবিরোধী আন্দোলনে দেখেছি। সেই শক্তি সাংবাদিকদের বিস্মৃত হওয়া উচিত নয়।


আপনার মন্তব্য