শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ১০ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১০ মার্চ, ২০২১ ০১:৪৫

বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ অন্তরে দাবানল জ্বালিয়ে দিয়েছিল : ১৪ দল

নিজস্ব প্রতিবেদক

কেন্দ্রীয় ১৪ দলীয় জোট আয়োজিত ৭ মার্চের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষণ মানুষের অন্তরে দাবানল জ্বালিয়ে দিয়েছিল। তার এই বক্তব্যের আবেদন এখনো শেষ হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না। গতকাল ভার্চুয়ালি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

সভাপতির ভাষণে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হত্যা করেছে, যারা এই দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়, স্বাধীন বাংলাদেশে এখনো যারা স্বাধীনতার গন্ধ খুঁজে পায়নি, তারাই ইতিহাস বিকৃতির নতুন ষড়যন্ত্রে নেমেছে। বিএনপির ৭ মার্চ পালনের নামে ইতিহাস বিকৃতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দীর্ঘ ২১ বছর দুঃশাসনের সময় যে ষড়যন্ত্র সফল হয়নি, সেই ষড়যন্ত্র আর সফল হবে না। কারণ দেশের মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, একটি বক্তৃতার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু একটি দেশের স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। ভাষণের শুরুতেই বঙ্গবন্ধু যখন ‘ভাইয়েরা আমার’ বলে ডাক দিলেন তখন সবাই নীরব হয়ে গেল। ১৮ মিনিটে বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণ শেষ করলেন। সেই ভাষণেই ছিল বাংলার মানুষের মনের ভাষা।

রাশেদ খান মেনন বলেন, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের কোণায় দাঁড়িয়ে চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হানসহ ভাষণ শুনছিলাম। আমরা সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা উপলব্ধি করতে পারিনি। কিন্তু জনগণ ঠিকই তাদের মনের চাওয়া সেই ভাষণে পেয়েছেন। ফলে তারা সেদিন থেকেই যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন।

হাসানুল হক ইনু বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে অনন্য সাধারণ একটি বদলের ঘটনা ঘটেছিল। পাকিস্তানের চক্রান্ত বানচাল হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু সেদিন স্বশাসিত বাংলাদেশ গড়ার সূচনা করেন।

আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টি-জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, তরিকত ফেডারেশনের সভাপতি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, মজলুম পার্টির সভাপতি জাকির হোসেন, গণআজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস কে শিকদার, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ-এর আবদুর রশীদ সরকার, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ড. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, সমাজতান্ত্রিক দলের আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খান।