শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০১৫

রাজনীতি এখন কোন পথে?

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
রাজনীতি এখন কোন পথে?

রাজনীতির চালিকাশক্তি হলো রাজনৈতিক দলগুলো। নাম ও প্যাডসর্বস্ব শতের উপরে রাজনৈতিক দল থাকলেও বিগত দুই দশকের অধিক সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতি আবর্তিত হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে ঘিরে। তবে বিগত সময়ে দেখা গেছে নির্বাচন এলেই জাতীয় পার্টি ও জামায়াত একটা ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। জামায়াত-বিএনপি এখনো একই মায়ের দুই সন্তান হিসেবে আছে, তারেক রহমানের ঘোষণা ও বাস্তবতার মধ্যে কোনো অমিল নেই। অন্যদিকে ২০০৮ সাল থেকে মহাজোটের শরিক হিসেবে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তারা এখন সংসদে বিরোধী দল। ২০১৪ সালের নির্বাচনের সময় হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কেন দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করার চেষ্টা করেছিলেন তার রহস্য এখনো পরিষ্কার হয়নি। এখন জাতীয় পার্টি মোটামুটি স্থির আছে বলা যায়। কিন্তু ঠিক নেই। স্বামী-স্ত্রী এক গাড়িতে না চলার কারণে যানজটে পড়ে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার পার্টিতে যোগ দিতে পারেননি বেগম রওশান এরশাদ। দুই গাড়ি আবার দুই দিকে ঘুরে গেলেই বিপত্তি ঘটবে, জাতীয় পার্টি আর থাকবে না। তবে বৃদ্ধ বয়সে জেনারেল এরশাদ এতবড় ঝুঁকি নেবেন বলে মনে হয় না। জামায়াত আছে এখন মহাবিপদে। তাদের সব বড় নেতা এখন অগস্ত্যযাত্রার অপেক্ষায়। ইতিমধ্যে দুজন অগস্ত্যযাত্রায় চলে গেছেন। বাকিরা লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। কার কখন ডাক আসে সেই দিনক্ষণ গণনায় জামায়াত-শিবিরের নেতারা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তাদের উগ্র ধর্মান্ধ ওয়াহাবি তন্ত্রের রাজনীতি বাংলাদেশে আদৌ টিকে থাকবে কিনা, সে চিন্তাও জামায়াতিদের মাথায় রাখতে হচ্ছে। আমেরিকা ও ইউরোপে বিরাট প্রভাবশালী ব্যক্তি ও লবিস্ট ফার্মের পিছনে কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগ করেও কোনো লাভ হয়নি, নেতাদের অগস্ত্যযাত্রা ঠেকানো যায়নি। জামায়াতের শেষ ভরসা ছিল আরব বিশ্বের ওয়াহাবি রাজশক্তি। কিন্তু সম্প্রতি গোপন তথ্য ফাঁস হওয়াতে জানা গেল সেখানে তারা গত পাঁচ বছর যাবৎ শত চেষ্টা করেও যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর পক্ষে সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হয়েছেন। আজকের বিশ্বের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি জামায়াতের অনুকূলে নেই। এমতাবস্থায় জামায়াতের রাজনীতি বলতে আপাতত আর কিছু নেই। তবে তাদের শেষ ভরসার একটা জায়গা আছে। সেটি হলো বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তাদের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ আছে। এই টাকার দ্বারা তারা দুটি কাজ করার চেষ্টা করতে পারে। প্রথমত, বাংলাদেশে এখন টাকায় নাকি সব কিছু হয়। সুতরাং এই বিশাল অঙ্কের টাকা দিয়ে তারা কোরামিনের ব্যবস্থা করতে পারেন এবং চূড়ান্ত শবযাত্রাকে দীর্ঘায়িত করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, মরার আগে চূড়ান্ত কামড় দেওয়ার চেষ্টা করবেন। টাকার বিনিময়ে জঙ্গি সন্ত্রাসীদের দ্বারা ব্যাপকভাবে জনবিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারেন। সে প্রচেষ্টায় বড় শরিক বিএনপিকে সঙ্গী করতে পারলে সরকারকে একটা বড় ঝাঁকুনি দেওয়া সম্ভব হবে, যেমনটি তারা করেছিলেন 'দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসি আদেশের পর ২০১৩ সালের মার্চ মাসে'। পরস্পর আদান-প্রদানের হিসাবে বিএনপির সমর্থন জামায়াত প্রত্যাশা করতে পারে। কারণ ২০১৪ ও ২০১৫ সালের বছর শুরুতে দুই দফায় বিএনপির দেশব্যাপী আগুন জ্বালাও এবং পেট্রলবোমার অভিযানে বিএনপিকে জামায়াত-শিবির অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছে।

রাজনীতি এখন কোন পথে তা বলার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কথা লিখে কলামের পাতা পূর্ণ করা যায়। তবে প্রাসঙ্গিকতার কারণে বামপন্থি দলগুলোর 'উত্তপ্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত চুলার আগুনের মধ্যে পড়ার তত্ত্ব সম্পর্কে দু-একটি কথা বলা প্রয়োজন। কমিউনিস্ট পার্টিসহ প্রগতিশীল বাম রাজনীতি যারা করেন তাদের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি ইতিবাচক। এটাই তাদের একমাত্র সম্বল। এটাকে অবলম্বন করে তারা এখন পত্রিকায় কলাম লিখেন আর টেলিভিশনের টকশোতে যোগ দেন। জনমানুষের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। ভোটে দাঁড়ালে সব জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। স্বাধীনতার পর গত ৪৪ বছরের খতিয়ানে দেশের জন্য তাদের অবদান দুরবিন দিয়ে খুঁজে পাওয়া যাবে না। কথায় বামরা জামায়াতের বিনাশ চাইলেও নিজামী, মুজাহিদের মতো গণহত্যাকারীদের যারা মন্ত্রী বানায় সেই বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগকে যখন একই পাল্লায় মাপা হয় তখন প্রকারান্তরে জামায়াতের পক্ষই অবলম্বন করা হয়। এতে জামায়াতের আয়ু বাড়ে এ কথা তারা বেমালুম কেন ভুলে যান মানুষ তা বুঝতে পারে না। বামরা ভুলে যান যে, ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট পুনরায় ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশ এতদিনে আরেকটি পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা ইরাক হতো। বাম নেতাদের পত্রিকায় কলাম লেখা এবং টেলিভিশনের টকশোতে কথা বলা তো দূরের কথা, মাটির ওপরে তাদের অবস্থান থাকত কিনা সেটাই সন্দেহ। নিজেদের ভুল রাজনীতির কারণেই তারা আজ জনবিচ্ছিন্ন এবং অস্তিত্বহীন। সুতরাং বলা যায় রাজনীতির পথ নির্ধারণে বামদের ভূমিকা এখন জিরো।

বিএনপি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের হাত ধরে এই দলের জন্ম। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তৃতীয় বিশ্বের দেশে দেশে সামরিক শাসকদের হাতে জন্ম নেওয়া সব রাজনৈতিক দল ওই নির্দিষ্ট সামরিক শাসকের মৃত্যুর পর আর টিকে থাকেনি। পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, আর্জেন্টিনা, চিলি, থাইল্যান্ড, মিসর, ইরাক, লিবিয়িা সর্বত্রই একই উদাহরণ। তাই বিএনপির সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তারা আজ অবধি ৩৫ বছর টিকে আছে। শুধু টিকে থাকা নয়, গত শতকের নব্বই দশকের শুরু থেকে এ পর্যন্ত পূর্ণ দুই মেয়াদে তারা ১০ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকেছে। তবে ২০০১-২০০৬ মেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনায় সীমাহীন ব্যর্থতা, উগ্র ধর্মান্ধদের সঙ্গে অতিরিক্ত মাখামাখি এবং তার রেশ ধরে দেশের অভ্যন্তরে উগ্র জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসীদের ভয়াবহ উত্থান এবং ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে হারার পর থেকে এ পর্যন্ত একের পর এক ভুল ও হঠকারী রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে ২০১৫ সালে এসে বিএনপি এখন একেবারে দিশাহীন হয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে লজ্জাজনক দেউলিয়াত্বের পরিচয় দিচ্ছে। সম্প্রতি নিজেদের অঙ্গসংগঠন ও জোটের দলগুলোর ইফতার পার্টিতে গিয়ে বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে বিদ্বেষপূর্ণ রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছেন সেগুলো অনুষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষায় বেমানান। অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের ইফতার পার্টিতে এমনটি দেখা যায়নি। এর আগে অন্য বছরগুলোতে ইফতারের মতো একান্ত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়াকেও এমন পরচর্চা, পরনিন্দাসূচক আক্রমণাত্দক বক্তব্য দিতে দেখা যায়নি। পবিত্র ইফতারের আগ মুহূর্তে দোয়া কবুলের সময়ে এমন বিদ্বেষপূর্ণ রাজনৈতিক বক্তব্যকে চরম অস্থিরতা এবং হতাশার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন মানুষ। বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা-কর্মীদের মধ্যে গোপন টেলি কথোপকথনের সারমর্ম ফাঁস হওয়ার পর যা শোনা গেছে তাতে দলের অভ্যন্তরের বিশৃঙ্খলা, নড়বড়ে অবস্থা ও হতাশাজনক অবস্থার কথা আর কাউকে বলতে হয় না, এমনিতেই সবাই বুঝতে পারে। বিএনপির পক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যানদের নামে মিথ্যা ও নকল বিবৃতি প্রচার, ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির সভাপতি অমিত শাহের টেলিফোন করা সম্পর্কিত মিথ্যাচার দেখে মনে হয়েছে নিজেদের শক্তিতে বিএনপির আর বিশ্বাস নেই। তারপর গত বছর ঢাকায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে দেখা করার জন্য একটা স্বাধীন দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে হোটেলে ছুটে গেলেন এবং সর্বশেষ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে নতজানু হয়ে যেসব নালিশ দিলেন তাতে দলের চরম রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের চিত্রই ফুটে ওঠেছে। শোনা যাচ্ছে বিএনপি এখন সংগঠন গোছানোর দিকে নজর দেবে এবং নিবেদিত নেতা-কর্মীদের নিয়ে বেগম খালেদা জিয়া দলকে পুনর্গঠন করবেন। এটা রাজনীতির জন্য ভালো খবর। তবে সেই পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় জামায়াতকে না ছাড়লে এবং ধর্মাশ্রয়ী রাজনৈতিক চিন্তাচেতনা ত্যাগ না করলে যেই লাউ সেই কদু স্টাইলের পুনর্গঠন করে বিএনপির কোনো লাভ হবে না। বিশ্বের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক সমীকরণের বাস্তবতায় বিএনপিকে বুঝতে হবে ধর্মাশ্রয়ী রাজনীতির দিন শেষ। বিএনপির জন্য এখন একটি ক্রান্তিকাল এবং উপযুক্ত সময়ও বটে। তারা ইচ্ছা করলে জামায়াত ত্যাগ করে প্রকৃতপক্ষে মুক্তিযুদ্ধের দর্শনের রাজনীতিতে ফিরে আসতে পারে, আর নয়তো আগের পথেই পড়ে থাকতে পারে। আগের পথে থাকলে সামরিক শাসকদের গড়া দলের ঐতিহ্য ধরে অস্তিত্বহীন হয়ে যেতে পারে, আর পুনর্গঠন করে সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধের দর্শনে ফিরে এলে আগামীতে আবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সুগম হতে পারে।

আওয়ামী লীগ দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বৃহত্তম দল। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় অর্জনসহ স্বাধীনতা প্রাপ্তি এবং বাংলাদেশের বড় বড় সব অর্জনে এই দলের একচ্ছত্র অবিস্মরণীয় ভূমিকা রয়েছে। এ কারণেই এই দলের কাছে মানুষের প্রত্যাশা বেশি এবং একটুতেই এই দলের বিরুদ্ধে মানুষ কঠিন সমালোচনামুখর হয়ে ওঠে। তাদের অন্যতম রাজনৈতিক ব্যর্থতা, যে কারণেই হোক তারা উগ্রবাদী ধর্মান্ধ রাজনীতির উত্থান ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি। এ দায় তাদের ওপর বর্তাবে, কারণ বাংলাদেশে আর কোনো রাজনৈতিক দল নেই যাদের ওপর মানুষ এই বিষয়ে ভরসা রাখতে পারে। দুই মেয়াদে একনাগাড়ে প্রায় ছয় বছরের অধিক আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আছে। বিরাজমান অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে সামনে রেখে সার্বিক তথ্য-উপাত্তসহ মূল্যায়ন করলে গত ছয় বছর আওয়ামী লীগ সরকারের পারফরমেন্সকে অবশ্যই হাই রেটিংয়ে ফেলতে হবে। একনাগাড়ে গত ছয় বছর ধরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রের সব সূচক ঊর্ধ্বমুখী আছে। যার ফলে সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী বাংলাদেশ এখন নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশে উন্নীত হলো। বিশাল ব্যাপার। কিন্তু এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো এই উন্নয়নকে টেকসই করার জন্য, অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত ও ষড়যন্ত্রকারীদের দুরভিসন্ধি মোকাবিলা করার জন্য দল হিসেবে আওয়ামী লীগ গত ছয় বছরে কতটুকু সুসংগঠিত হয়েছে? শোনা যায় বিএনপি-জামায়াতের লোক এখন আওয়ামী লীগে ঢুকছে। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের নেতারা যেন মোশতাক ও শফিউল আলম প্রধানের কথা মনে রাখেন। এতদিনে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিরা কতটুকু রাজনৈতিক পরিপক্বতা, অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা অর্জন করেছে সে সম্পর্কে আশাব্যঞ্জক কোনো চিত্র দেখি না। বাজেট সেশন সদ্য শেষ হলো। দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি, জাতীয় স্বার্থ এবং নিরাপত্তার জন্য বড় বড় যে চ্যালেঞ্জগুলো আছে সেগুলোর মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে মন্ত্রী-এমপিদের বক্তৃতায় গভীর তাৎপর্যপূর্ণ কোনো কথা শুনতে পেলাম না। একটি সরকারের ইতিবাচক অর্জনগুলোকে সুসংহত করার জন্য দলের তৃণমূল পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের যে ভূমিকা থাকার কথা সেটি বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর মধ্যে তো নেই, বরং উল্টো ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মকাণ্ডে সরকারের বড় বড় অর্জন অনেক সময় ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের যাত্রার শুরুতে বিডিআর হত্যাকাণ্ডসহ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে কেন্দ্র করে জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব এবং সর্বশেষ ২০১৪-২০১৫-এর শুরুতে দুই দফায় বিএনপি-জামায়াতের সম্মিলিত ধ্বংসযজ্ঞকে মোকাবিলা করে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা যেভাবে অব্যাহত আছে, তাতে বলা যায় এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব এখন একেকটি এসিড টেস্টের মধ্য দিয়ে এগোচ্ছেন। এই এসিড টেস্টে শেখ হাসিনার স্কোরিং ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী।

শেখ হাসিনা এখন যে কোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী। তাই প্রখ্যাত কলামিস্ট ও সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী লিখেছেন- শেখ হাসিনাকে এখন একটি দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিতে হবে। সেই বিপ্লবে আওয়ামী লীগসহ দেশের রাজনীতি পরিশুদ্ধ হবে। বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ হয়েই তবে রাজনীতি করতে হবে। বাংলাদেশের রাজনীতি এখন সেই রাস্তায়ই চলছে বলে মনে করি। তবে পথ কণ্টকহীন নয়। পঁচাত্তরের শত্রুরা সক্রিয়। যাত্রীরা সবাই সাবধান ও সতর্ক থাকুন।

লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়