শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:৩৫, সোমবার, ২২ জুন, ২০২০ আপডেট:

“সবার উপরে মানুষ সত্য”

মনিরা নাজমী জাহান
অনলাইন ভার্সন
“সবার উপরে মানুষ সত্য”

বর্ণবাদ ও বৈষম্য মানব সভ্যতার এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। সভ্যতার শুরু থেকেই এই কলঙ্ক বয়ে চলেছে মানবসমাজ। যুগের পরিক্রমায় মানুষ সভ্য হয়েছে বটে, জ্ঞান বিজ্ঞানে উৎকর্ষ সাধন করেছে বটে, তবে বর্ণবাদ নামক কলঙ্ক থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই বর্ণবাদ নামক ভাইরাস সমাজে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে যখন মানুষ করোনা নামক অদৃশ্য ভাইরাসের বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্ত্ব রক্ষার লড়াইয়ে লিপ্ত ঠিক সেই সময়েও আমরা দেখেছি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বর্ণবাদের এক বীভৎস রূপ।

সর্বপ্রথম যে বিষয়টি আমাদের জানা প্রয়োজন তা হচ্ছে বর্ণবাদ কি? বর্ণবাদ হচ্ছে সেই দৃষ্টিভঙ্গি, চর্চা এবং ক্রিয়াকলাপ যেখানে বিশ্বাস করা হয় যে মানুষ বৈজ্ঞানিকভাবেই অনেকগুলো গোষ্ঠীতে বিভক্ত এবং একই সাথে বিশ্বাস করা হয় যে কোনো কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী অন্য গোষ্ঠীর চেয়ে নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্যের জন্য উঁচু অথবা নিচু; কিংবা তার উপর কর্তৃত্ব করার অধিকারী; অথবা বেশি যোগ্য কিংবা অযোগ্য।

তবে এই কথাও সত্য যে বর্ণবাদের সঠিক সংজ্ঞা নির্ধারণ করাটা কঠিন। কারণ, গবেষকদের মধ্যে গোষ্ঠী ধারণাটি নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। এছাড়াও কোনটি বৈষম্য এবং কোনটি বৈষম্য নয় সেটি নিয়েও সবাই একমত নন। বর্ণবাদ কখনও গায়ের চামড়ার রং দিয়ে হতে পারে, কখনও আঞ্চলিকতা দিয়ে হতে পারে, কখনও গোত্র দিয়ে হতে পারে, কখনও বর্ণ দিয়ে হতে পারে। কিছু কিছু সংজ্ঞা অনুসারে, কোনো মানুষের আচরণ যদি কখনো তার জাতি বা বর্ণ দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়, সেটি অন্য কারো জন্য ক্ষতিকর না হলেও তাকে বর্ণবাদ বলা হবে। 

অন্যান্য সংজ্ঞায় শুধুমাত্র বর্ণবাদ দিয়ে প্রভাবিত হয়ে শোষণ এবং অত্যাচার করাই বর্ণবাদ। তবে এই কথাও অস্বীকার করা যায় না যে বর্ণবাদের সঠিক সংজ্ঞা নির্ধারিত না হবার ফলে সমাজে কিছু কিছু বর্ণবাদী আচরণ স্থান পেয়ে যায়। 

পৃথিবীকে কথায় কথায় মানবাধিকারের ছবক দেয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বর্ণবাদের  ঘটনা কি এই প্রথম? উত্তর হবে একেবারেই না। যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবাদের শুরু ষোড়শ শতকে। সেই সময় কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকানদের দাস হিসেবে ব্যবহারের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া শুরু হয়েছিল। এরপর প্রায় এক কোটি ২০ লাখ কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকানকে দাস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। তবে দিন দিন যুক্তরাষ্ট্র জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় সাফল্য লাভ করেছে বটে, তবে তাদের আচরণের পরিবর্তন হয়নি। 

সিএনএনের ভাষ্যমতে, ২০১৮ সালে দেশটিতে মোট গ্রেফতারের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৩ লাখ ১০ হাজার ৯৬০টি। অর্থাৎ গড়ে প্রতি ৩২ মার্কিন নাগরিকের একজন গ্রেফতার হয়েছে। আর এই গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শারীরিক শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে এমন ব্যক্তির মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গরাই এগিয়ে। 

আর ২০১৬ সালে আমেরিকান জার্নাল অব হেলথে প্রকাশিত এক গবেষণা নিবন্ধের তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের তৎপরতার কারণে শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে কৃষ্ণাঙ্গদের নিহত হওয়ার ঝুঁকি তিনগুণ বেশি। 

লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড প্রিজন ব্রিফের দেওয়া তথ্যমতে, কয়েদি সংখ্যার দিক থেকেও যুক্তরাষ্ট্র সবার ওপরে। দেশটির জেলখানাগুলোয় ২০ লাখের বেশি কয়েদি রয়েছে, যা ওয়াশিংটন ডিসি, মিয়ামি ও বোস্টনের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। এই কয়েদিদের এক–তৃতীয়াংশই কৃষ্ণাঙ্গ। অথচ. দেশটির মোট জনসংখ্যার ১৩ শতাংশের কিছু বেশি অংশ কৃষ্ণাঙ্গ।

শুধু বর্ণবাদের অভিযোগ যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে তা কিন্তু নয়। মানবাধিকারের তীর্থভুমি বলে খ্যাত ইউরোপও এই অভিযোগ থেকে মুক্ত নয়। ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের সাবেক অধ্যাপক রবার্ট ডেভিসের মতে, ১৫শ' থেকে ১৮শ' শতকের মধ্যে ১০ লাখের বেশি মুসলমানকে ইউরোপে দাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়।    

২০০৫ সালে বুনা তাওহে ও জিয়েঁদ বিনা নামের দুই কিশোর পুলিশের তাড়া খেয়ে পালাতে গিয়ে একটি সাবস্টেশনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা পড়ে। যে ঘটনার জেরে পুরো ফ্রান্সে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই বছরই জার্মানির ডেসাউয়ে পুলিশ সেলে গুলিতে সিয়েরা লিওনের শরণার্থী ওউরি জালহ মারা যায়। ২০১১ সালে পুলিশের গুলিতে মার্ক ডুগান নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি নিহতের ঘটনায় লন্ডন বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছিল। শুধু সাধারণ মানুষ নন, নেইমার কিংবা ওজিলের মত বিশ্ব বরেণ্য ব্যক্তিদেরও ইউরোপে বর্ণবাদী আচরণের স্বীকার হতে হয়েছে। 

শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপ নয়, পৃথিবীর এমন কোনো অংশ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর যেখানে বর্ণবাদ তার বিষাক্ত ছোবল ফেলেনি। ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের সাবেক অধ্যাপক রবার্ট ডেভিস আরও বলেন, ১৫শ' থেকে ১৮শ' শতকের মধ্যে উত্তর আফ্রিকা এবং তুরস্ক, মিশর ও পশ্চিম এশিয়ায় প্রায় ২০ লাখ খ্রিস্টানকে দাস করা হয়েছিল। অষ্টম শতকে উত্তর আফ্রিকার মুররা স্পেন ও পর্তুগালের একটি অংশ দখল করার পরে শ্বেতাঙ্গ খ্রিস্টানদের দাস হিসেবে ব্যবহার শুরু করে। ১৫শ’ শতকে ইউরোপ থেকে বিতাড়িত হওয়ার আগ পর্যন্ত সেই রীতি চালু ছিল। 

তবে এ কথাও সত্য যে এই বর্ণবাদ বৈষম্যকে সমাজ থেকে উৎখাত করতে মানুষ অবিরত লড়াই করে গেছে। মার্টিন লুথার কিং, নেলসন ম্যান্ডেলা কিংবা মহাত্মা গান্ধীর মত বিশ্ববরেণ্য নেতারা তাদের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন এই বর্ণবাদ বৈষম্যর বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে। 

জাতিসংঘও বিভিন্ন সময়ে এই বর্ণবাদ বৈষম্যর বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হচ্ছে-  Universal Declaration of Human Rights 1948, International Covenant on Civil and Political Rights 1966, International Convention on the Elimination of All Forms of Racial Discrimination 1965 প্রভৃতি।

এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে জর্জ ফ্লয়েড হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে চলে আসা বর্ণবাদ বৈষম্য, অন্যায়, অবিচারের তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ। মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটকে এক বছর সময়ের মধ্যে তদন্ত করে ওই প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। 

এত আন্দোলন-সংগ্রাম, আইন-কানুন প্রণয়নের পরেও সমাজ থেকে নির্মূল করা যায়নি বর্ণবাদ বৈষম্য। আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি কেন নির্মূল করা যায়নি? এর কারণ সমাজে মানবিকতা ও মনুষ্যত্ববোধের চরম অভাব। সমাজে মানুষের প্রথম পরিচয় মানুষ নয় বরং ধর্ম, বর্ন গোত্র প্রভৃতি বিষয়গুলো বেশী গুরুত্ব পাচ্ছে। যার কারণে সমাজে প্রকট হচ্ছে শ্রেণী বৈষম্য, বাড়ছে সংঘাত এবং সমাজের রন্ধে রন্ধে প্রবেশ করছে বর্ণবাদের ভয়ংকর বিষবাষ্প।

আমাদের মনে রাখতে হবে, যে সমাজ মানুষকে তার সর্বপ্রথম পরিচয় মানুষ না শিখিয়ে ধর্ম, বর্ন, গোত্র প্রভৃতির ভিত্তিতে বিভক্ত করতে শেখায় সেই সমাজ কখনো সভ্য সমাজ হতে পারে না। নিজেদের সভ্যতার আলোয় আলোকিত করতে হলে ধর্ম, বর্ন, গোত্রের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে একমাত্র মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করতে হবে। তাই সমাজ থেকে বর্ণবাদ বৈষম্য নামক মহামারী নির্মূল করতে হলে আমাদের একমাত্র মূলমন্ত্র হতে হবে “সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই”।

লেখক : শিক্ষক, আইন বিভাগ, ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়। 

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম

এই বিভাগের আরও খবর
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
বাজেট : কৃষি খাতে বরাদ্দ ও ভর্তুকি বাড়ানো দরকার
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
হাসপাতাল চিকিৎসা কেন্দ্র, মৃত্যু ঠেকানোর নিশ্চয়তাকারী নয়
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
ফ্ল্যাটে পড়েছিল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধার মরদেহ, প্রশ্নবিদ্ধ সন্তানদের দায়িত্ববোধ
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
শহীদ জিয়া গণতন্ত্র-জনরাজনীতি ও রাষ্ট্রনায়কত্বের এক অমর উত্তরাধিকার
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
উচ্চাভিলাষী বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
শিল্প ও কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখাই চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
বাংলাদেশের প্রাণ জিয়াউর রহমান : কাদের গনি চৌধুরী
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
প্রেসিডেন্ট জিয়া ও জনসার্বভৌমত্বভিত্তিক সমৃদ্ধির দর্শন
শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার
শহীদ জিয়া: অগ্রসরমান বাংলাদেশের রূপকার
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রচিন্তার জনক
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রচিন্তার জনক
সর্বশেষ খবর
ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি বদলের গল্প
ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি বদলের গল্প

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ আর্জেন্টাইন তারকার
ইনজুরিতে বিশ্বকাপ শেষ আর্জেন্টাইন তারকার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবার হাত, মায়ের শরীর ভেদ করে শিশুর চোয়ালে গুলি, প্রাণ গেল ৭ মাসের সামের
বাবার হাত, মায়ের শরীর ভেদ করে শিশুর চোয়ালে গুলি, প্রাণ গেল ৭ মাসের সামের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ ফাতেমা গ্রেপ্তার
ফেনীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ ফাতেমা গ্রেপ্তার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফ্রেঞ্চ ওপেনের নতুন রানি আন্দ্রিভা
ফ্রেঞ্চ ওপেনের নতুন রানি আন্দ্রিভা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মশাল মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক
মশাল মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জনগণকে স্বাবলম্বী করতে একটি স্বস্তিদায়ক বাজেট ঘোষণা করতে চায় সরকার : চিফ হুইপ
জনগণকে স্বাবলম্বী করতে একটি স্বস্তিদায়ক বাজেট ঘোষণা করতে চায় সরকার : চিফ হুইপ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপের আগে ভবিষ্যদ্বাণীতে ব্যস্ত হাতি-গরিলা-জিরাফ
বিশ্বকাপের আগে ভবিষ্যদ্বাণীতে ব্যস্ত হাতি-গরিলা-জিরাফ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ের চারদিন পর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের
বিয়ের চারদিন পর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশে চার পরিবর্তন
মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশে চার পরিবর্তন

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বগুড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে অটোভ্যান, চালকের মৃত্যু
বগুড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে অটোভ্যান, চালকের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আত্মীয়দের অধিকার প্রদানে ইসলামের নির্দেশনা
আত্মীয়দের অধিকার প্রদানে ইসলামের নির্দেশনা

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ১০০ দিন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

রক্ষণের ভুলে হ্যাটট্রিক হলো না বাংলাদেশের
রক্ষণের ভুলে হ্যাটট্রিক হলো না বাংলাদেশের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দিনাজপুর সেক্টরের দুই সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা ঠেকালো বিজিবি
দিনাজপুর সেক্টরের দুই সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা ঠেকালো বিজিবি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ফাইনাল হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন কোচ বাটলার
ফাইনাল হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন কোচ বাটলার

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা :  সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী
দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ জনগণের একমাত্র আকাঙ্ক্ষা :  সারোয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ধান মাড়াই মেশিনে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
ধান মাড়াই মেশিনে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স
স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামিনের পর কিশোরীকে অপহরণ, উদ্ধারের পর সেফ কাস্টডি
জামিনের পর কিশোরীকে অপহরণ, উদ্ধারের পর সেফ কাস্টডি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৮৯ হাজার টাকা জরিমানা
সিরাজগঞ্জে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ৮৯ হাজার টাকা জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেঘনায় বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ ১
মেঘনায় বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ ১

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক
৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চিম্বুলুই সীমান্তে অসুস্থ বিজিবি সদস্যকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম সিএমএইচে স্থানান্তর
চিম্বুলুই সীমান্তে অসুস্থ বিজিবি সদস্যকে হেলিকপ্টারে চট্টগ্রাম সিএমএইচে স্থানান্তর

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩
কুমিল্লায় বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত ৩

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শরীয়তপুরে রহস্যজনকভাবে গরম মাটি, কারণ খুঁজছে ফায়ার সার্ভিস
শরীয়তপুরে রহস্যজনকভাবে গরম মাটি, কারণ খুঁজছে ফায়ার সার্ভিস

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরার তালায় সীমানা পিলারসহ প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার
সাতক্ষীরার তালায় সীমানা পিলারসহ প্রতারক চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জিয়াউর রহমানের আদর্শে মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান রুমানা মাহমুদের
জিয়াউর রহমানের আদর্শে মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান রুমানা মাহমুদের

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রোগী হয়রানির অভিযোগে যুবককে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করাল ছাত্রদল
রোগী হয়রানির অভিযোগে যুবককে দিয়ে ড্রেন পরিষ্কার করাল ছাত্রদল

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেভাবে বিশ্বকাপ জিততে পারে আর্জেন্টিনা, পথে দেখা হবে রোনালদোর সঙ্গেও
যেভাবে বিশ্বকাপ জিততে পারে আর্জেন্টিনা, পথে দেখা হবে রোনালদোর সঙ্গেও

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা
ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা

১৪ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩
বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা
৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র
ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক
মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি
মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতীয়দের নিয়ে অপপ্রচার, হঠাৎ কেন এত কঠোর সিঙ্গাপুর
ভারতীয়দের নিয়ে অপপ্রচার, হঠাৎ কেন এত কঠোর সিঙ্গাপুর

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ
শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণের মঞ্চ প্রস্তুত : নারী ফুটবলে নতুন অধ্যায়ের সামনে বাংলাদেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?
ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে
১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে
বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল: ভাগ্য নির্ধারণে নজর থাকবে যাদের দিকে

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি
ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড
ইরানকে সমর্থনের অভিযোগে কুয়েতি টিভি উপস্থাপিকার কারাদণ্ড

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা
‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত
টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩০০ রানের মহাতাণ্ডব! ভারত-অস্ট্রেলিয়া যা পারেনি, তা-ই করে দেখাল নেপাল
৩০০ রানের মহাতাণ্ডব! ভারত-অস্ট্রেলিয়া যা পারেনি, তা-ই করে দেখাল নেপাল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাদাপাথরের পর্যটকদের প্রতি নির্দেশনা
সাদাপাথরের পর্যটকদের প্রতি নির্দেশনা

১৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আদ্‌-দ্বীন হাসপাতাল শোকজ নোটিশের জবাব না দিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?
১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাফের হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতা হলো না বাংলাদেশের
সাফের হ্যাটট্রিক শিরোপা জেতা হলো না বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার
নতুন সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন বসছে রবিবার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতা দেবে চীন
বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতা দেবে চীন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিপদ শুধু বাড়ছেই
বিপদ শুধু বাড়ছেই

প্রথম পৃষ্ঠা

হলো না হ্যাটট্রিক শিরোপা
হলো না হ্যাটট্রিক শিরোপা

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ
রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ

প্রথম পৃষ্ঠা

২৯ কোটি টাকার লিচুবাগান
২৯ কোটি টাকার লিচুবাগান

পেছনের পৃষ্ঠা

ঢাকা ছেড়ে নিজের শহরে গিয়ে থাকব
ঢাকা ছেড়ে নিজের শহরে গিয়ে থাকব

প্রথম পৃষ্ঠা

আমূল পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি
আমূল পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রবীণরা কি এভাবেই ধুঁকে ধুঁকে মরবেন?
প্রবীণরা কি এভাবেই ধুঁকে ধুঁকে মরবেন?

প্রথম পৃষ্ঠা

কী করে ঔষধ প্রশাসন
কী করে ঔষধ প্রশাসন

পেছনের পৃষ্ঠা

গ্রামের পর লোডশেডিং শহরেও
গ্রামের পর লোডশেডিং শহরেও

পেছনের পৃষ্ঠা

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মডেল হচ্ছে খুলনা
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মডেল হচ্ছে খুলনা

নগর জীবন

নিঃসঙ্গ পিতা-মাতা এবং বৃদ্ধাশ্রম
নিঃসঙ্গ পিতা-মাতা এবং বৃদ্ধাশ্রম

সম্পাদকীয়

সিলেটে পাঁচ কারণে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা
সিলেটে পাঁচ কারণে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা

নগর জীবন

বিশ্বকাপ ঘিরে জুয়া রমরমা
বিশ্বকাপ ঘিরে জুয়া রমরমা

পেছনের পৃষ্ঠা

মগড়াসহ অধিকাংশ নদীই বিলুপ্তির পথে
মগড়াসহ অধিকাংশ নদীই বিলুপ্তির পথে

পেছনের পৃষ্ঠা

শিরোপা লড়াইয়ে মোহামেডান আবাহনী
শিরোপা লড়াইয়ে মোহামেডান আবাহনী

মাঠে ময়দানে

ছিন্নভিন্ন পারিবারিক বন্ধন
ছিন্নভিন্ন পারিবারিক বন্ধন

প্রথম পৃষ্ঠা

অবাধে বৃক্ষ নিধন, হুমকিতে পরিবেশ
অবাধে বৃক্ষ নিধন, হুমকিতে পরিবেশ

দেশগ্রাম

ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশাহারা জনগণ
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে দিশাহারা জনগণ

নগর জীবন

কমাতে হবে জটিলতা
কমাতে হবে জটিলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ঋণের বোঝায় অর্থনীতি
ঋণের বোঝায় অর্থনীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

বর্জ্যরে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জীবন
বর্জ্যরে দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ জীবন

দেশগ্রাম

হানি ট্র্যাপ চক্রের হাতে খুন হন উবার চালক লোকমান
হানি ট্র্যাপ চক্রের হাতে খুন হন উবার চালক লোকমান

পেছনের পৃষ্ঠা

বিনিয়োগ বাড়ান কর কমান
বিনিয়োগ বাড়ান কর কমান

পেছনের পৃষ্ঠা

চ্যাম্পিয়ন ১৯ বছরের মিরা আন্দ্রিভা
চ্যাম্পিয়ন ১৯ বছরের মিরা আন্দ্রিভা

মাঠে ময়দানে

অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাত সাংবাদিক
অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাত সাংবাদিক

নগর জীবন

উপকারী গাছের ছাল থাকে না
উপকারী গাছের ছাল থাকে না

পেছনের পৃষ্ঠা

সংসদে সদস্যদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে
সংসদে সদস্যদের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা