শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:১৪, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কার শুরু হবে কোথা থেকে

মুশতাক হোসেন
অনলাইন ভার্সন
স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কার শুরু হবে কোথা থেকে

সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে নানা মহল থেকে এ বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব ও বিশ্লেষণ দেওয়া হচ্ছে। সরকারও একাধিকবার কমিটি গঠন করেছে এবং ভেঙেছে। কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে স্বাস্থ্য সংস্কার করা হবে তা নিয়ে নানা মত আছে বলেই এমনটি হচ্ছে হয়তো। তবে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হওয়াটা সুসংবাদ। স্বাস্থ্য সংস্কারের পথে যদি এক পাও এগোতে পারি, তাহলে ২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের শহীদদের প্রতি কিছুটা সম্মান জানানো হবে।

প্রশ্নটা হচ্ছে, কোথা থেকে শুরু করব? স্বাস্থ্য খাতে অনেক দিন ধরে জমে থাকা সমস্যার পাহাড় দূর করা শুরু হতে পারে তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিটি মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে। এটা করতে গিয়ে যা করতে হবে তা করার মতো রাজনৈতিক দৃঢ়তা থাকতে হবে সরকারের। তাহলে যত বাধা, সমস্যাই আসুক না কেন তা উতরানো সহজ হবে। তবে হ্যাঁ, এ বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য থাকতে হবে।

স্বাস্থ্যসেবার সংজ্ঞাটাও সব পক্ষকে পরিষ্কার করে বলতে হবে এবং একমত হতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা কি শুধুই চিকিৎসা ওষুধ? স্বাস্থ্যসেবা বলতে মানুষকে সুস্থ রাখার আয়োজনকেই বোঝাতে হবে। রোগ যেন না হয় সেই কাজ করাটা স্বাস্থ্যসেবার আসল কথা। আর যদি রোগ হয়েই যায়, খুবই দ্রুত চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্যকর্মীর কাছে যেতে হবে। যত দেরি ততই সমস্যা বাড়তে থাকবে। এ জন্যই হাতের কাছে থাকতে হবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, যেখানে জরুরি স্বাস্থ্যসেবাও থাকবে।

মানুষকে সুস্থ রাখার আয়োজন আর রোগীর চিকিৎসার আয়োজন এককথা নয়। রোগীর চিকিৎসা হচ্ছে হাসপাতালভিত্তিক, যেখানে একজন অসুস্থ মানুষকে একক ধরে সব ব্যবস্থা করতে হয়। আর মানুষকে সুস্থ রাখতে, মানুষকে রোগ থেকে দূরে রাখতে যে ব্যবস্থা নিতে হয়, সেটা সমাজকে একক ধরে করতে হয়। একটা জনগোষ্ঠীর মাঝে যদি নিরাপদ ও সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে হয়, সেটা করতে হয় একটা নির্দিষ্ট জনপদকে একক ধরেই। বাচ্চাদের সুস্থ রাখতে যদি খেলার মাঠের আয়োজন করতে হয়, সেটা করতে হবে পাড়া-মহল্লাকে একক ধরেই। ডেঙ্গু থেকে নিরাপদ থাকতে যদি বাড়ির ভেতরে ও বাইরে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হয়, সেটা সামষ্টিকভাবে পাড়া-মহল্লাকে একক ধরেই করতে হবে।

স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কার শুরু হবে কোথা থেকেএকটি জনভিত্তিক শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো আমাদের স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। সারা বিশ্বে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূলস্তম্ভ হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু আমাদের দেশে এটি অপর্যাপ্ত ও অবহেলিত। এ জন্য তৃতীয় স্তরের ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনেক রোগীর ভিড় লেগে থাকে। যদি স্বাস্থ্যসেবার প্রাথমিক স্তরে এই রোগীরা সেবা নেওয়ার সুযোগ পেত, তাহলে অনেককেই হয়তো মাধ্যমিক বা তৃতীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠানে যেতে হতো না।

প্রতিটি ইউনিয়নে (নগরে প্রতি ওয়ার্ডে) অন্তত একটি পূর্ণাঙ্গ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করতে হবে। এ জন্য স্বাস্থ্য বিভাগ ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের মধ্যে সমন্বয় করে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রকে সমন্বিত করে কমিউনিটি ক্লিনিকের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে হবে। এখানে শুধু স্বাস্থ্যসেবা নয়, রোগ নির্ণয়ের প্রাথমিক সুবিধাও থাকতে হবে।

বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে ২০৩০ সালের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা (ইউনিভার্সাল হেলথ কাভারেজ) বাস্তবায়িত করার। এটা তখনই সম্ভব হবে, যদি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকের আদলে সমগ্র দেশে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রয়োজনীয় জনবল/সামগ্রী থাকে। গ্রামাঞ্চলে অনেক গ্রামেই কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র রয়েছে। মহানগর অঞ্চলে এ রকম কোনো প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। মাঝে মাঝে এনজিওর মাধ্যমে সীমিত আকারে নগর/মহানগরে ওয়ার্ড পর্যায়ে মা ও শিশু স্বাস্থ্য-পুষ্টি সেবা দেওয়া হয়। শহর-নগরেও অতি দ্রুত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো গড়ে তোলা দরকার।

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বাস্তবায়ন করতে হলে কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য পেশাজীবী, নার্স, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট, মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী প্রভৃতি জনবল নিযুক্ত করে আরো শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। এসব কেন্দ্র শুধু রোগ নির্ণয় ও রোগীর চিকিৎসাই করবে না, এখানে রোগ প্রতিরোধমূলক সেবা, স্বাস্থ্য উন্নয়নমূলক সেবা কার্যক্রমও থাকবে। জটিল রোগীদের এখান থেকেই মাধ্যমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র/হাসপাতাল বা প্রয়োজনবোধে তৃতীয় পর্যায়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে/হাসপাতালে রেফার (সুপারিশ) করা হবে।

মহানগর/নগরে তো প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য আউটডোর (বহির্বিভাগ) ব্যবস্থা আছে বড় বড় মেডিক্যাল কলেজেই। মাধ্যমিক পর্যায়ের সেবাও দেওয়া হয় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যেকোনো রোগীর সেখানে না গিয়ে তো উপায় থাকে না। যদিও এসব মহানগর/নগরে হাতে গোনা কিছু আউটডোর ডিসপেন্সারি (ঔষধালয়) রয়েছে, সেগুলো খুবই দুর্বল এবং মানুষের কাছে অজানা। ফলে এগুলো প্রায়   অব্যবহৃতই থাকে। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও তৃতীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রীভূত থাকার কারণে সব সময় প্রচণ্ড ভিড় লেগে থাকে। ফলে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবার মানের অবনতি ঘটে।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্ররূপে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শহর ও গ্রামে উপজেলা হাসপাতালের মতো স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাকেন্দ্রকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্বাস্থসেবার সন্ধিস্থল হিসেবে বিকশিত করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে শক্তিশালী ও সার্বক্ষণিক সচল রাখতে হলে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষকে (উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা) আরো শক্তিশালী করতে হবে। অর্থের সংস্থান, জনবল নিয়োগ, প্রয়োজনীয় কেনাকাটা প্রভৃতি বিষয়ে বিদ্যমান সীমানার পরিসর আরো বাড়াতে হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অর্থ ব্যবস্থাপনা, আইটি ব্যবস্থাপনা, তথ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসককেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মর্যাদা দেওয়ার জন্য স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ ও ডিগ্রি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। মাধ্যমিক ও তৃতীয় পর্যায়ের হাসপাতালের মতো প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে মেডিক্যাল গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকরাও কাজ করবেন। এখানে কর্মরত নার্স, মিডওয়াইফ (ধাত্রী), মেডিক্যাল প্রযুক্তিবিদ, মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্যও উচ্চ পর্যায়ের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য জনবলের জন্য ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

রোগীর স্বাস্থ্যসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যতথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবহারোপযোগী করতে হবে। ই-স্বাস্থ্যব্যবস্থা কার্যকর হলে তৃণমূলে মানুষের স্বাস্থ্যসেবার দক্ষতা অনেক গুণ বাড়বে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও তৃতীয় স্তরের স্বাস্থ্যসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান সঙ্গে সঙ্গেই ঘটবে।

এ জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ও পর্যাপ্ত সম্পদ বরাদ্দ করতে হবে। স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দকে শুধুই খরচ হিসেবে বিবেচনা করলে হবে না। এটাকে স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনে বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রম ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শুধু স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনেই অবদান রাখে না, দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগের চিকিৎসায় যে বিশাল খরচের বোঝা সৃষ্টি হয় তা থেকে রাষ্ট্র ও ব্যক্তিকে রেহাই দেয়। এটা বহু গবেষণায় দেখা গেছে যে জনস্বাস্থ্য ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যে টাকা খরচ করলে তা জাতীয় আয় বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমাদের স্বাস্থ্য বাজেটের অন্তত ৭০ শতাংশ প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় বরাদ্দ করা দরকার। সেটা পর্যায়ক্রমে আগামী বাজেট থেকেই শুরু হোক আর আগামী বাজেটের আগে সরকারের থোক বরাদ্দ থেকে কাজটা শুরু হোক।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা যেকোনো দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত। এটি সুলভ, টেকসই ও সমতাভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্বাস্থ্যব্যবস্থা সংস্কারের অংশ হিসেবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সবার জন্য সাশ্রয়ী, সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারে।

লেখক: জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, খণ্ডকালীন শিক্ষক, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
সর্বশেষ খবর
স্পেনে ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২১
স্পেনে ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ২১

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হট্টগোল ও বিতর্কের ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল
হট্টগোল ও বিতর্কের ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন সেনেগাল

২৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ধাপে ধাপে ইন্টারনেট চালু করবে ইরান
ধাপে ধাপে ইন্টারনেট চালু করবে ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্লে-অফে কে কার বিপক্ষে খেলবে
প্লে-অফে কে কার বিপক্ষে খেলবে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্ধারিত সময়েই শাকসু নির্বাচন হবে
নির্ধারিত সময়েই শাকসু নির্বাচন হবে

২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আগামী নির্বাচন কোনোভাবেই সহজ হবে না : শামা ওবায়েদ
আগামী নির্বাচন কোনোভাবেই সহজ হবে না : শামা ওবায়েদ

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

তারেক রহমানের গাড়িতে রহস্যময় কাগজ সেঁটে উধাও বাইকার
তারেক রহমানের গাড়িতে রহস্যময় কাগজ সেঁটে উধাও বাইকার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের অবস্থান বদলে প্রতারিত বোধ করছেন ইরানের বিক্ষোভকারীরা
ট্রাম্পের অবস্থান বদলে প্রতারিত বোধ করছেন ইরানের বিক্ষোভকারীরা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোনালের ‘ও জান’
কোনালের ‘ও জান’

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাজধানীতে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু
রাজধানীতে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নিরাপত্তা বাড়াতে শাকসু নির্বাচনে মোতায়েন হবে তিন শতাধিক পুলিশ
নিরাপত্তা বাড়াতে শাকসু নির্বাচনে মোতায়েন হবে তিন শতাধিক পুলিশ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বুধবার
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বুধবার

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আল্লাহর রহমত ও দয়া অপরিসীম
আল্লাহর রহমত ও দয়া অপরিসীম

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

লাইটারেজ সংকটে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস ব্যাহত
লাইটারেজ সংকটে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস ব্যাহত

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্যবসাবাণিজ্যে এখনো দুর্দিন
ব্যবসাবাণিজ্যে এখনো দুর্দিন

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিফলে কোহলির সেঞ্চুরি, ওয়ানডে সিরিজ হারল ভারত
বিফলে কোহলির সেঞ্চুরি, ওয়ানডে সিরিজ হারল ভারত

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবিতে ৫ দিনব্যাপী শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা শুরু
ঢাবিতে ৫ দিনব্যাপী শহীদ ওসমান হাদি স্মৃতি বইমেলা শুরু

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নিরাপদ ও বৈষম্যহীন ক্যাম্পাসের দাবিতে ঢাবিতে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি
নিরাপদ ও বৈষম্যহীন ক্যাম্পাসের দাবিতে ঢাবিতে ব্যতিক্রমী কর্মসূচি

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এলপিজি আমদানির অনুমতি পেল বিপিসি
এলপিজি আমদানির অনুমতি পেল বিপিসি

৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রূপগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
রূপগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এনসিপি নির্বাচনে যাবে কি না পুনর্বিবেচনা করছে: আসিফ মাহমুদ
এনসিপি নির্বাচনে যাবে কি না পুনর্বিবেচনা করছে: আসিফ মাহমুদ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলের বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলের বৈঠক

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসিতে শেষদিনে ২৩ আপিল মঞ্জুর
ইসিতে শেষদিনে ২৩ আপিল মঞ্জুর

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টসহ আটক ১১
মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টসহ আটক ১১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যেভাবে 'গোপন কারাগার' থেকে লিবিয়ায় মুক্ত দুই শতাধিক অভিবাসী
যেভাবে 'গোপন কারাগার' থেকে লিবিয়ায় মুক্ত দুই শতাধিক অভিবাসী

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোংলায় মাদকের আখড়ায় অভিযান, মাদকসহ আটক ৩
মোংলায় মাদকের আখড়ায় অভিযান, মাদকসহ আটক ৩

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৩০ বছরের বন্দি জীবনের অবসান বৃদ্ধা রাহেলার
৩০ বছরের বন্দি জীবনের অবসান বৃদ্ধা রাহেলার

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদকসহ আটক ২
মুন্সীগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদকসহ আটক ২

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরাধ প্রতিরোধে দিঘীরপাড়ে আইনশৃঙ্খলা সভা
অপরাধ প্রতিরোধে দিঘীরপাড়ে আইনশৃঙ্খলা সভা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঘরের খাবারেও হচ্ছে এসিডিটি, সমাধান কী?
ঘরের খাবারেও হচ্ছে এসিডিটি, সমাধান কী?

৭ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

সর্বাধিক পঠিত
জানুয়ারিতেই পে স্কেল কার্যকর, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত?
জানুয়ারিতেই পে স্কেল কার্যকর, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত?

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা
আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আইসিসিকে এবার নতুন এক প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
আইসিসিকে এবার নতুন এক প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে কারণে ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন নেতানিয়াহু
যে কারণে ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন নেতানিয়াহু

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আয়ারল্যান্ডের ‘না’ : ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার জন্য গ্রুপ বদলের প্রস্তাব
আয়ারল্যান্ডের ‘না’ : ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার জন্য গ্রুপ বদলের প্রস্তাব

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে করলে ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান, সন্তানের জন্মে দ্বিগুণ
বিয়ে করলে ৫০ হাজার দিরহাম অনুদান, সন্তানের জন্মে দ্বিগুণ

১৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শীতে কাঁপুনি কমবে নাকি বাড়বে, জানাল আবহাওয়া অফিস
শীতে কাঁপুনি কমবে নাকি বাড়বে, জানাল আবহাওয়া অফিস

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাড়ে ১২ ঘণ্টার বৈঠক: কী আলোচনা করল জামায়াত
সাড়ে ১২ ঘণ্টার বৈঠক: কী আলোচনা করল জামায়াত

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৩২টি আসন নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের নতুন বার্তা
৩২টি আসন নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের নতুন বার্তা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন
খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন

২০ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

বাংলাদেশের দাবি না মানলে বিশ্বকাপ থেকে সরে আসতে পারে পাকিস্তানও
বাংলাদেশের দাবি না মানলে বিশ্বকাপ থেকে সরে আসতে পারে পাকিস্তানও

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ
বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে ইরানে জয়ের সহজ কোনও পথ নেই ট্রাম্পের: আল-জাজিরার বিশ্লেষণ
যে কারণে ইরানে জয়ের সহজ কোনও পথ নেই ট্রাম্পের: আল-জাজিরার বিশ্লেষণ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ে করলেই মিলবে ১৬ লাখ, সন্তান জন্ম দিলে দ্বিগুণ!
বিয়ে করলেই মিলবে ১৬ লাখ, সন্তান জন্ম দিলে দ্বিগুণ!

১২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

কে এই ভেনেজুয়েলার ‘বিশ্বাসঘাতক’?
কে এই ভেনেজুয়েলার ‘বিশ্বাসঘাতক’?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে তোয়াক্কা না করে প্রধান তেল-গ্যাসক্ষেত্র দখলে নিলো সিরীয় বাহিনী
যুক্তরাষ্ট্রকে তোয়াক্কা না করে প্রধান তেল-গ্যাসক্ষেত্র দখলে নিলো সিরীয় বাহিনী

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমেরিকার বিদ্যুৎ খরচ করে ভারতকে সেবা, ট্রাম্পের উপদেষ্টার ক্ষোভ
আমেরিকার বিদ্যুৎ খরচ করে ভারতকে সেবা, ট্রাম্পের উপদেষ্টার ক্ষোভ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা
আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপি প্রার্থী গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল
কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপি প্রার্থী গফুর ভূঁইয়ার প্রার্থিতা বাতিল

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পার্টিকে নিষিদ্ধ করেছে, ব্যক্তিকে তো নিষিদ্ধ করেনি: আইনজীবীকে ইসি মাছউদ
পার্টিকে নিষিদ্ধ করেছে, ব্যক্তিকে তো নিষিদ্ধ করেনি: আইনজীবীকে ইসি মাছউদ

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২৭ আসনে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, কে কোথায় প্রার্থী হচ্ছেন
২৭ আসনে এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, কে কোথায় প্রার্থী হচ্ছেন

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিসিবির শোকজ নোটিশের জবাব দিয়েছেন নাজমুল
বিসিবির শোকজ নোটিশের জবাব দিয়েছেন নাজমুল

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাশিয়া থেকে ফিরলেন চাকরিচ্যুত ৩৫ বাংলাদেশি
রাশিয়া থেকে ফিরলেন চাকরিচ্যুত ৩৫ বাংলাদেশি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত
৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইউএনওকে ‘শাসানো’ সেই ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত
ইউএনওকে ‘শাসানো’ সেই ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনে নাহিদ ইসলামকে শোকজ
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনে নাহিদ ইসলামকে শোকজ

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম
আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম

২০ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভারতীয় ভিসা পেতে ‘পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত’ ক্রিকেটারদের পাশে আইসিসি
ভারতীয় ভিসা পেতে ‘পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত’ ক্রিকেটারদের পাশে আইসিসি

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
বৈধ প্রার্থী ২২৫৩ জন
বৈধ প্রার্থী ২২৫৩ জন

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসলামী আন্দোলন না এলে আসন বাড়বে অন্যদের
ইসলামী আন্দোলন না এলে আসন বাড়বে অন্যদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোটের মাঠে অস্তিত্ব সংকটে এনসিপি
ভোটের মাঠে অস্তিত্ব সংকটে এনসিপি

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের জন্মদিন আজ
স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের জন্মদিন আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তিস্তা প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করতে সম্মতি
তিস্তা প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করতে সম্মতি

পেছনের পৃষ্ঠা

উপদেষ্টারা ছাড়ছেন লাল পাসপোর্ট
উপদেষ্টারা ছাড়ছেন লাল পাসপোর্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

সুন্দরবনে আবারও বনদস্যুর হানা
সুন্দরবনে আবারও বনদস্যুর হানা

পেছনের পৃষ্ঠা

হেরিটেজ কাবাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরু
হেরিটেজ কাবাব অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের যাত্রা শুরু

নগর জীবন

সাভারে সিরিয়াল কিলার!
সাভারে সিরিয়াল কিলার!

প্রথম পৃষ্ঠা

জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা বিভাগ হবে
জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা বিভাগ হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিন্ন লুকে কেয়া পায়েল
ভিন্ন লুকে কেয়া পায়েল

শোবিজ

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আমিরের বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আমিরের বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

দৈন্যতা তো কিছুটা চলছেই
দৈন্যতা তো কিছুটা চলছেই

শোবিজ

কোনালের ‘ও জান’
কোনালের ‘ও জান’

শোবিজ

তমার নতুন অধ্যায়
তমার নতুন অধ্যায়

শোবিজ

খুলনার বেশির ভাগ কেন্দ্রই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’
খুলনার বেশির ভাগ কেন্দ্রই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’

নগর জীবন

দেশের জন্য সবার আন্তরিকতা থাকতে হবে
দেশের জন্য সবার আন্তরিকতা থাকতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন উপলক্ষে নীরব চাঁদাবাজি
নির্বাচন উপলক্ষে নীরব চাঁদাবাজি

প্রথম পৃষ্ঠা

সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন
সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বসেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তালিকায় তারেক রহমান
বিশ্বসেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তালিকায় তারেক রহমান

পেছনের পৃষ্ঠা

বিয়ে করলেই কর্মীরা পাবেন ১৬ লাখ, সন্তান নিলে দ্বিগুণ!
বিয়ে করলেই কর্মীরা পাবেন ১৬ লাখ, সন্তান নিলে দ্বিগুণ!

পূর্ব-পশ্চিম

সিনেমা হল কেন ছাড়লেন দর্শক
সিনেমা হল কেন ছাড়লেন দর্শক

শোবিজ

মার্চে আসছে পারমাণবিক কেন্দ্রের বিদ্যুৎ
মার্চে আসছে পারমাণবিক কেন্দ্রের বিদ্যুৎ

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে স্ত্রী খুনে স্বামী গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে স্ত্রী খুনে স্বামী গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

করুণ দশায় যমুনা-বাঙালি নদী
করুণ দশায় যমুনা-বাঙালি নদী

দেশগ্রাম

বাণী
বাণী

সম্পাদকীয়

অরক্ষিত সুন্দরবন
অরক্ষিত সুন্দরবন

সম্পাদকীয়

লিখুন আপনিও
লিখুন আপনিও

রকমারি রম্য

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা

সম্পাদকীয়