শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:২২, শনিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৫

মিল ছিল আবার গরমিলও ছিল

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
মিল ছিল আবার গরমিলও ছিল

ঔপনিবেশিক শাসনামলে ভারতবর্ষের মুক্তিসংগ্রামে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও ব্যক্তি নিজের মতো করে অংশগ্রহণ করেছেন। নেতা হিসেবে যাঁরা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠেছিলেন তাঁরা হলেন মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধী (১৮৬৯-১৯৪৮), মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ (১৮৭৬-১৯৪৮), জওহরলাল নেহরু (১৮৮৯-১৯৬৪) এবং সুভাষচন্দ্র বসু (১৮৯৭-১৯৪৫)। এঁদের ভিতর মিল ছিল, গরমিলও ছিল। এবং প্রত্যেকেই ছিলেন স্বতন্ত্র। মিলের বড় জায়গাটা ছিল এই যে এঁরা সবাই ছিলেন জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী। এবং তাঁদের ভিতর দ্বিপক্ষীয় যে ঝগড়াটা বেধেছিল সেটা ওই জাতীয়তাবাদের প্রশ্নেই। চারজনের দুজন-গান্ধী ও নেহরু মনে করতেন যে ভারতে জাতি একটাই, সেটা হচ্ছে ভারতীয়। মাওলানা আজাদও জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে কংগ্রেসপন্থিই ছিলেন। তবে তাঁর বক্তব্য ছিল এই রকমের, ভারতবর্ষে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায় রয়েছে, কিন্তু তারা সম্প্রদায়ই বটে, জাতি নয়। প্রথম জীবনে জিন্নাহও সাম্প্রদায়িক বিভাজন মানতেন বটে, তবে সেটিকে জাতিগত বিভাজন মনে করতেন না। হিন্দু-মুসলমান একসঙ্গে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন করুক, এটাই তিনি চাইতেন। পরে কিছুটা গান্ধীর সঙ্গে ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে এবং অনেকটা মূল কংগ্রেস নেতৃত্বের অনড় অবস্থানের দরুন দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে না দেখে, প্রথমে তিনি রাজনীতিতেই থাকবেন না বলে ঠিক করেন, পরে সিদ্ধান্ত বদলে মুসলমানদের জন্য চিহ্নিত স্বতন্ত্র আবাসভূমির যে দাবিটি উঠেছিল সেই ধারার রাজনীতিতে যোগ দেন। এবং দ্বিজাতিতত্ত্বের প্রধান মুখপাত্র হয়ে ওঠেন। জাতীয়তাবাদী রাজনীতি তখন দুই ধারায় বিভক্ত হয়ে শুধু পরস্পরবিরোধীই নয়, পরস্পরের শত্রুতে পরিণত হয়ে পড়ে।

এতে সর্বাধিক সন্তুষ্টির কারণ ছিল ব্রিটিশ শাসকদেরই। হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ সৃষ্টিতে তাদের সক্রিয় সমর্থন ছিল। কারণ সেটি ঘটলে স্বাধীনতার আন্দোলনে বিভাজন দেখা দেবে। এবং ফলস্বরূপ আন্দোলনটি দুর্বল হয়ে গেলে ব্রিটিশের পক্ষে শাসনক্ষমতায় টিকে থাকা সহজ হবে, এই ছিল আশা। সে আশা যে অমূলক ছিল তা-ও নয়।

ব্রিটিশ শাসকদের উদ্যোগে ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি করা হয় ১৮৭১-৭২ সালে। তাতে হিন্দু মুসলমানের সংখ্যা স্বতন্ত্রভাবে দেখানো হয়েছে। যদিও ব্রিটিশদের নিজেদের দেশের আদমশুমারিতে ধর্ম-সম্প্রদায়িক ভিত্তিতে জনমানুষের বিভাজন দেখানোর রেওয়াজ ছিল না। ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাস রচনার বেলাতেও ব্রিটিশের উদ্যোগেই একেবারে সূচনাতেই যুগ ভাগ করা হয়েছিল হিন্দু যুগ, মুসলিম যুগ ও ব্রিটিশ যুগ হিসেবে। এর দ্বারা বোঝানোর চেষ্টা হয়েছে যে হিন্দুস্তান ছিল হিন্দুদেরই দেশ। পরে মুসলমানরা এসে রাজত্ব কায়েম করে। এবং ব্রিটিশদের আগমন ভারতবর্ষকে মুসলমানদের দুঃশাসন থেকে উদ্ধার করে দেশটিকে আধুনিক যুগে নিয়ে আসে।

জাতীয়তাবাদী হওয়া সত্ত্বেও সুভাষ বসু অন্য তিন নেতার কারও মতোই ছিলেন না। প্রথমত তিনি বুঝে গিয়েছিলেন যে আবেদন-নিবেদনে দেশকে স্বাধীন করা যাবে না, বড় জোর ডমিনিয়ন স্ট্যাটাস (ঔপনিবেশিক স্বায়ত্তশাসন) পাওয়া যাবে। পূর্ণ স্বাধীনতার জন্য প্রয়োজন হবে সশস্ত্র সংগ্রামের। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিস্থিতিকে ব্যবহার করে রুশ দেশে যেভাবে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ শাসকরা যে সংকটের মধ্যে পড়েছে, তাকে ব্যবহার করে ভারতবর্ষকে অনেকটা সেভাবেই স্বাধীন করা সম্ভব বলে তাঁর ধারণা হয়েছিল। তিনি ভেবেছিলেন বিদেশে গিয়ে ভারতীয়দের নিয়ে একটি বাহিনী গঠন করে দেশকে স্বাধীন করার অভিযান পরিচালনা করা গেলে দেশের ভিতরেও একটি সশস্ত্র অভ্যুত্থান ঘটবে এবং ব্রিটিশ শাসকরা পাততাড়ি গুটাতে বাধ্য হবে।

আজাদ হিন্দ ফৌজের সদস্যদের তাঁর স্বাভাবিক উদ্দীপনাদৃপ্ত কণ্ঠে সুভাষচন্দ্র বসু বলেছিলেন, ‘আসুন আমরা ইতিহাস তৈরি করি, পরে কেউ হয়তো সে ইতিহাস লিখে রাখবে।’ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী লড়াইয়ে সুভাষচন্দ্র বসু যে ভূমিকা পালন করেছেন, সেটা অবশ্যই ঐতিহাসিক। তাঁর ভূমিকার সঙ্গে গান্ধী এবং জিন্নাহর ভূমিকার তুলনা করা যে চলে না। কেননা তাঁদের মতো তিনি সময় পাননি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করার। জীবিত ছিলেন মাত্র ৪৮ বছর এবং তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছিল সর্বমোট ২৪ বছরের। উল্লেখ্য যে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গান্ধী যখন ভারতবর্ষে ফেরত এলেন তখন তাঁর বয়স ছিল ৪৬ আর ১৯৩৪ সালে জিন্নাহ যখন তাঁর দ্বিতীয় রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন তাঁর বয়স তখন ৫৮। জওহরলাল নেহরু, বয়সে যিনি সুভাষচন্দ্রের চেয়ে আট বছরের বড়, এবং তাঁর মৃত্যু ঘটে সুভাষের অন্তর্ধানের ১৯ বছর পরে। স্বল্প জীবনে সুভাষচন্দ্র যে কাজ করে গেছেন তাৎপর্যের দিক থেকে তা নেহরুর কাজকে ছাড়িয়ে গেছে তো বটেই; জিন্নাহর কাজের তুলনাতেও তা মহৎ। যদিও জিন্নাহ যেভাবে একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে গেছেন, সুভাষ তা করতে পারেননি। অবশ্য তেমন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা তাঁর ধ্যানধারণা থেকে অনেক দূরবর্তীই ছিল। রাজনৈতিক জীবনে তিনি মোট ১১ বার কারাবন্দি হন এবং তাঁর জীবনের শেষ সাড়ে চার বছর কেটেছে প্রবাসে, বলা যায় যুদ্ধক্ষেত্রে।

১৯২৯ সালে কলকাতায় কবি নজরুলকে যে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয় সুভাষচন্দ্র তাতে উপস্থিত ছিলেন। এবং বলেছিলেন, ‘আমরা যখন যুদ্ধে যাব তখন সেখানে নজরুলের গান গাওয়া হবে। আমরা যখন কারাগারে যাব তখনো তাঁর গান গাইব।’ তত দিনে অবশ্য সুভাষের বেশ কয়েকবার কারাবাস ঘটে গেছে, কিন্তু তিনি যে সত্যি সত্যি যুদ্ধে যাবেন, প্রধান হবেন জাতীয় মুক্তির জন্য গঠিত একটি সশস্ত্র বাহিনীর-সেটা তখন কেউ ভাবেনি। সুভাষের নিজের কল্পনাতে তেমন স্বপ্ন হয়তো গড়ে উঠেছিল, কিন্তু সেটি যে বাস্তবে সম্ভব হবে তেমনটা তাঁর পক্ষেও আশা করার কথা নয়। আর ওইখানেই, ওই যুদ্ধগমনেই তিনি বিশেষভাবে স্বতন্ত্র হয়ে গেছেন অন্য নেতাদের থেকে; যাঁদের লড়াইটা ছিল নিয়মতান্ত্রিক, সশস্ত্র অভ্যুত্থানের ব্যাপারে যাঁদের কোনো প্রকার চিন্তা ছিল না, বরঞ্চ ওই ধারার বিপক্ষেই তাঁরা কাজ করেছেন।

সশস্ত্র বিপ্লবীরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইংরেজ শাসনের নিকৃষ্টতম বলে চিহ্নিত ব্যক্তিদের হত্যা করে স্বাধীনতাসংগ্রামকে এগিয়ে নেবেন ভেবেছিলেন। ক্ষুদিরাম বসু (১৮৮৯-১৯০৮) এবং প্রফুল্ল চাকি (১৮৮৮-১৯০৮) ছিলেন ওই পথের অগ্রযাত্রী। পরে ব্যক্তিগত আক্রমণে কাজ হচ্ছে না দেখে সংঘবদ্ধ আক্রমণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। অনুশীলন ও যুগান্তর নামে গোপন দল নিজ নিজ উপায়ে স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামে যুক্ত হয়। চট্টগ্রামে মাস্টারদা সূর্য সেন (১৮৯৩-১৯২৪) গোপন বিপ্লবী দল গঠন করেন। শুরুতে সূর্য সেন কংগ্রেসের রাজনীতিতেই ছিলেন। কিন্তু গান্ধীজির অসহযোগ প্রত্যাহারে হতাশ হয়ে সশস্ত্র পথ ছাড়া উপায় নেই ভেবে গোপন দলের তরুণদের নিয়ে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখল করে এবং যুদ্ধ চালিয়ে চট্টগ্রাম শহরকে কয়েক দিনের জন্য হলেও কার্যত নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখেন। মাস্টারদাদের আশা ছিল প্রান্তিক চট্টগ্রামে বিদ্রোহ শুরু হলে সেটা সমগ্র ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়বে। কিন্তু তেমনটা ঘটেনি। সূর্য সেনকে সমাজতন্ত্রী ভগৎ সিংপন্থি নয়, জাতীয়তাবাদী সুভাষপন্থিই বলতে হবে। তবে সুভাষ বসুর পরিকল্পনা ছিল আরও বড় আকারে আক্রমণ পরিচালনা করা এবং অভ্যন্তরীণ অভ্যুত্থান ঘটানোর। তিনি অনেক দূর এগিয়েছিলেন। জাপানিদের সমর্থনে তাঁর আজাদ হিন্দ ফৌজ ভারতবর্ষের সীমান্ত পর্যন্ত চলে এসেছিল। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপ তাঁদের দখলে এসে গিয়েছিল। কিন্তু জার্মানি ও জাপানের আত্মসমর্পণের পর আর অগ্রসর হতে পারেননি। জাপানিদের সহায়তায় ভারতবর্ষকে স্বাধীন করলে সেটা মস্ত বড় একটা ঘটনা হতো বৈকি। এর মাধ্যমে নতুন পরাধীনতার সূত্রপাত ঘটত কি না, সে নিয়ে সংশয় অন্যায্য নয় বটে; তবে সুভাষের অবিশ্বাস্য রকমের বীরত্বপূর্ণ অভিঘাতেই পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশ ভারতীয় নৌবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনীতে বিদ্রোহের লক্ষণ দেখা দিয়েছিল এবং আজাদ হিন্দ ফৌজের বন্দি নেতাদের মুক্তির দাবিতে ভারতবর্ষজুড়ে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, যার সঙ্গে শ্রমিক ধর্মঘট যুক্ত হয়ে একটি প্রায়-বৈপ্লবিক পরিস্থিতি গড়ে উঠেছিল, এটা তো ঐতিহাসিকভাবেই সত্য। সত্য এটাও যে ব্রিটিশ শাসকদের ভারতবর্ষ ত্যাগ ত্বরান্বিত হয়েছিল কংগ্রেস বা মুসলিম লীগের কারণে যতটা নয়, সুভাষ বসুর কারণে তার চেয়ে বেশি। যদিও সুভাষ বসু জাতীয়তাবাদী ধারার ভিতরেই ছিলেন, তার বাইরে যেতে চাননি, এবং পারেনওনি যেতে।

প্রথম প্রজন্মের তিন নেতা, গান্ধী, জিন্নাহ এবং মাওলানা আজাদ-রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার ওপরই জোর দিয়েছেন, নেহরু এবং সুভাষ রুশ বিপ্লব দেখেছেন, এবং তার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন। নেহরু তো একসময় কমিউনিস্টই হয়ে যাবেন ভেবেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জাতীয়তাবাদীই রয়ে গেছেন, সামাজিক বিপ্লবের কথা আর ভাবেননি। সুভাষ সমাজতন্ত্রের কথা বলেছেন, কিন্তু সে সমাজতন্ত্র জাতীয়তাবাদকে বাদ দিয়ে নয়। এ সমাজতন্ত্র পরবর্তীকালে শেখ মুজিবুর রহমান যে রকমের সমাজতন্ত্রের কথা বলতেন, তা থেকে খুব একটা ভিন্ন প্রকারের ছিল না। সুভাষচন্দ্র বসুর পরিচয় তাই রাষ্ট্রবিপ্লবীতেই আবদ্ধ রয়ে গেল; সমাজবিপ্লবী পর্যন্ত  এগোলো না। ব্রিটিশের চোখে তিনি ‘চরমপন্থি’ ছিলেন; তবে কমিউনিস্ট বিপ্লবী অর্থে নয়, মধ্যবিত্ত শ্রেণির ‘বিপ্লবী’ অর্থেই। ওই রকম চরমপন্থায় আস্থা শ্রীঅরবিন্দের মধ্যেও ছিল, যা শেষ হয়েছে আশ্রমিক সাধনায় পৌঁছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে সুভাষ বসুর চরমপন্থা কিন্তু ব্রিটিশের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিল, তার কারণ তিনি জাপানের সমর্থন ও সহযোগিতা পেয়েছিলেন।

জাতীয়তাবাদীরা কমিউনিস্টদের কতটা ভীতির চোখে দেখে তা বোঝা গেছে ২০২৪ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ে নিজের সমর্থকদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা হ্যারিস সম্পর্কে ঘৃণার উদ্রেক করার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন বলেছিলেন, সবাই জানে কমলা হ্যারিস একজন মার্কসিস্ট। কমিউনিস্ট হওয়ার দরকার পড়ে না, মার্কসিস্ট হওয়াটাই যথেষ্ট আতঙ্কের কারণ। একইভাবে বার্নি স্যান্ডাস মার্কসিস্ট বলে নিজ ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়ন বঞ্চিত হন।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট

৪৫ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১৯ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়