শিরোনাম
প্রকাশ: ১২:৪২, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

কালের কণ্ঠের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রকাশিত

পরবর্তী লক্ষ্য হওয়া উচিত কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা

তিহামী আহমেদ
অনলাইন ভার্সন
পরবর্তী লক্ষ্য হওয়া উচিত কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন একটি নতুন বাংলাদেশের সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। এই বিপ্লব একদিকে যেমন বিগত সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ছিল, তেমনি এটি ছিল জনমনে বিপুল প্রত্যাশা জাগানোরও। ছাত্রসমাজ, যারা দেশের ভবিষ্যৎ, নিজেদের অধিকার আদায়ে পথে নেমে এসেছে। তাদের এই বিপ্লবের মাধ্যমে দেশবাসী নতুন একটা সম্ভাবনার আলো দেখতে পেয়েছে।

এই আন্দোলনে দেশে প্রথমবারের মতো যোগ্য, প্রাজ্ঞ ব্যক্তিত্বের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়, যার নেতৃত্বে রয়েছেন বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদল। এই আন্দোলনের ফলে বাংলাদেশ প্রবীণ নেতৃত্বের তুলনায় নবীন নেতৃত্বের প্রতি অনেক বেশি আস্থাশীল। 

নতুন প্রজন্মের চিন্তা-ভাবনা স্পষ্ট, প্রখর ও আধুনিক। তারা দেশের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় যোগ্য। জুলাই মাসে ছাত্রদের আন্দোলন ছিল আচমকা ‘কোটা আন্দোলন’ এবং পরে হাসিনা সরকারের পদত্যাগ এবং রাষ্ট্র সংস্কারের আন্দোলন। ছাত্ররা এই আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকার এবং রাষ্ট্রের ভুল নীতির বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে। এ সময় জাতীয় চেতনা জাগ্রত হয়েছিল এবং জনগণ অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের ওপর আস্থা রাখেনি।

তবে আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে কিছু সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে। প্রথমত, দেশে ‘মব জাস্টিস’-এর ঘটনা বেড়ে গেছে, যা আইন ও প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থাহীনতার ইঙ্গিত দেয়। গণতান্ত্রিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা আরো প্রকট হয়েছে। ছাত্রদের মধ্যে যাঁরা সফলভাবে আন্দোলন পরিচালনা করেছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই বর্তমানে রাজনৈতিকভাবে অস্থিরতা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে অনেক মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথা বলা হলেও সামাজিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক অস্থিরতা রয়ে গেছে। সংখ্যালঘুদের প্রতি যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও বৈষম্য রোধে আইন প্রণয়ন এবং তার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শুধু মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা নয়, বরং সামাজিক শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে এমন পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। রাষ্ট্রের এই পদক্ষেপগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এখানে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো সংস্কার। রাষ্ট্র সংস্কার ও ন্যায়বিচারের বিষয়গুলো দ্রুত কার্যকর করা উচিত। ছাত্রদের আন্দোলনকে রাষ্ট্রীয় নীতির প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এই পরিবর্তনগুলো যদি দ্রুত বাস্তবায়িত হয় তাহলে দেশের সার্বিক অবস্থার উন্নতি সম্ভব। দেশের আইনি কাঠামোতে আধুনিকীকরণের পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সংস্কার এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা কমানো অত্যন্ত জরুরি।

দেশে নতুন নেতৃত্ব ও সুশাসনের প্রত্যাশা সবার। তবে এই নেতৃত্ব রাতারাতি তৈরি হবে না, এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রচেষ্টার বিষয়। এর জন্য একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ নির্বাচন অপরিহার্য, যেখানে জনগণ তাদের সরকার নির্বাচন করতে পারবে। যারা পরিবর্তন চায়, তাদের উচিত ক্ষমতার জাল ছিঁড়ে ফেলা এবং সমাজের সব অংশের মধ্যে সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা।

বাংলাদেশের তরুণরা বুঝতে পেরেছে, সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতি চর্চা ও রাজনৈতিক পরিবেশের সুষ্ঠু উন্নয়ন প্রয়োজন। এটি শুধু তরুণদের চিন্তার উদ্দীপনা নয়, বরং পুরো জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি আন্দোলন হয়ে উঠেছে। সর্বোপরি, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব পক্ষকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে, যেন রাষ্ট্রদ্রোহী শক্তিগুলোকে প্রতিহত করা সম্ভব হয় এবং দেশ নিরাপদ থাকে।

লেখক: শিক্ষার্থী, দ্বিতীয় বর্ষ, প্রথম সেমিস্টার লোকপ্রসাশন বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হয়ে গেছে?
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
যুদ্ধের কোনো সীমা ও মেয়াদ থাকে না
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
৭ মার্চের কারাবাস: একটি রাত, একটি রাষ্ট্র এবং ক্ষমতার দীর্ঘ ভূরাজনীতি
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
বাজেটের ঝুঁকি কাটাতে মাঝি হতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
অনাচারের অবসানে মুক্তি পাক গণতন্ত্র
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
আস্থা বনাম প্রশাসনিক সংস্কার: সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কোন পথে?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের নেপথ্যে কি?
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
ইতিহাসের চোখে ট্রাম্প
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
চাঁদাবাজি প্রতিরোধে ঐকমত্য আমাদের আশাবাদী করে
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
প্রয়াস বাংলাদেশ: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য এক আলোর দিশা
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার এখনই সময়
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
স্মৃতিময় একাত্তর : অগ্নিঝরা মার্চ
সর্বশেষ খবর
রাজধানীতে ৪৭টি মানুষের মাথার খুলি-হাড় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪
রাজধানীতে ৪৭টি মানুষের মাথার খুলি-হাড় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

৫৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের তেলসম্পদ দখলের ষড়যন্ত্র করছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের তেলসম্পদ দখলের ষড়যন্ত্র করছে যুক্তরাষ্ট্র

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, চিকিৎসাধীন দু’জনের মৃত্যু
মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, চিকিৎসাধীন দু’জনের মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জ্বালানি তেলের সংকট বেশি এশিয়ায়
জ্বালানি তেলের সংকট বেশি এশিয়ায়

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে নিয়ে পশ্চিমাদের যতো সংশয়

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

গুম-খুনের শিকার ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে শেকৃবিতে ইফতার
গুম-খুনের শিকার ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে শেকৃবিতে ইফতার

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ছাত্রদলের ১১৮৮টি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ছাত্রদলের ১১৮৮টি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের
ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব তুরস্কের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী
‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প
মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া ‘বড় ভুল’ বললেন ট্রাম্প

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাঙামাটিতে এনসিপির আহ্বায়কসহ ৮৭ জনের পদত্যাগ
রাঙামাটিতে এনসিপির আহ্বায়কসহ ৮৭ জনের পদত্যাগ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চকরিয়ায় নদীতে গোসলে নেমে ২ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু
চকরিয়ায় নদীতে গোসলে নেমে ২ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন
নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টঙ্গীতে বাসা থেকে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
টঙ্গীতে বাসা থেকে যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খাগড়াছড়িতে ফিলিং স্টেশন ও ফলের বাজারে জেলা প্রশাসনের অভিযান
খাগড়াছড়িতে ফিলিং স্টেশন ও ফলের বাজারে জেলা প্রশাসনের অভিযান

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ থেকে মালাক্কা: প্রণালীই কেন আধিপত্যের হাতিয়ার?
হরমুজ থেকে মালাক্কা: প্রণালীই কেন আধিপত্যের হাতিয়ার?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনগণের স্বার্থের বাইরে কিছু করা যাবে না : পানিসম্পদ মন্ত্রী
জনগণের স্বার্থের বাইরে কিছু করা যাবে না : পানিসম্পদ মন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘মেডিটেশনের’ নির্দেশনা
সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘মেডিটেশনের’ নির্দেশনা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার
গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পরই প্রথম যে পদক্ষেপ নিলেন মোজতবা খামেনি
নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পরই প্রথম যে পদক্ষেপ নিলেন মোজতবা খামেনি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ চলবে আর কত দিন? মুখ খুললেন ট্রাম্প
যুদ্ধ চলবে আর কত দিন? মুখ খুললেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়
প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ আপডেট
ইরান যুদ্ধ লাইভ: এক নজরে সর্বশেষ আপডেট

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল
হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)
যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের এক সপ্তাহ পরে ইরানের বাসিন্দারা যেভাবে আছেন, যা বলছেন
যুদ্ধের এক সপ্তাহ পরে ইরানের বাসিন্দারা যেভাবে আছেন, যা বলছেন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম, যা বললেন ট্রাম্প
লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম, যা বললেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের
সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল
হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নেতা মোজতবা খামেনির অধীনে ইসরায়েলের দিকে ইরানের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
নতুন নেতা মোজতবা খামেনির অধীনে ইসরায়েলের দিকে ইরানের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিজ ভূখণ্ডে যুদ্ধবিমান উড়ার বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিল সৌদি আরব
নিজ ভূখণ্ডে যুদ্ধবিমান উড়ার বিষয়ে যে ব্যাখ্যা দিল সৌদি আরব

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াত নেতা ডা. তাহের ও রফিকুল ইসলামের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ
জামায়াত নেতা ডা. তাহের ও রফিকুল ইসলামের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ট্রাম্প প্রশাসন
ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলো ট্রাম্প প্রশাসন

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা
বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের
সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি
নীতি দুর্বলতায় চাপে অর্থনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ
ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ

পেছনের পৃষ্ঠা

রিহানার বাড়িতে গুলি
রিহানার বাড়িতে গুলি

শোবিজ

কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

পেছনের পৃষ্ঠা