শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৪৮, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৯:৪৮, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বিএনপির রাজনীতিতে তৃতীয় প্রজন্মের অভিষেক

সাঈদ খান
অনলাইন ভার্সন
বিএনপির রাজনীতিতে তৃতীয় প্রজন্মের অভিষেক

৯ ডিসেম্বর ২০১৯ দৈনিক যুগান্তরে প্রয়াত প্রবীণ কলামিস্ট আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ‘বিলাতের রাজনীতিতে টিউলিপ ও জায়মা সমাচার’ কলামে লিখেছেন, ‘বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার নাতনি এবং তারেক রহমানের একমাত্র কন্যা জায়মা রহমান বিলাতের লিঙ্কনস-ইন থেকে সসম্মানে ব্যারিস্টারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। এখন তিনি ব্যারিস্টার জায়মা রহমান। এ কৃতিত্ব অর্জনের জন্য তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। তিনি বংশের গৌরব বৃদ্ধি করেছেন।’

কলামের শেষের দিকে তিনি লিখেছেন, ‘তারেক রহমান নাকি আশা করেন- ব্রিটিশ আইনজীবী মহলে ব্যারিস্টার জায়মার মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে তাদের সাহায্যে খালেদা জিয়ার কারামুক্তি ঘটাবেন এবং নিজেকেও সব মামলা-মোকদ্দমা ও কারাদণ্ডাদেশ থেকে মুক্ত করে দেশে ফিরতে পারবেন। তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি আবার ক্ষমতায় যাবে এবং শেখ পরিবারের ওপর কঠোর প্রতিশোধ নেবে। জায়মাকে ব্রিটিশ এমপি করার ব্যাপারে তাঁর আশা, এবারের নির্বাচনেও টিউলিপ সিদ্দিকের জয় ঠেকাতে না পারলেও ভবিষ্যতে ব্যারিস্টার জায়মা রহমানকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাঠাতে পারলে ব্রিটিশ রাজনীতিতে টিউলিপ তথা শেখ পরিবারের প্রভাব ঠেকানো যাবে।’

জনাব চৌধুরীর লেখায় পরিষ্কারভাবে প্রতীয়মান হয় যে তারেক রহমান তাঁর মেয়ে জায়মা রহমানকে ভবিষ্যতের কাণ্ডারি হিসেবে গড়ে তুলছেন।

তিনি দেখতে পাচ্ছেন যে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এবং বিশেষ করে ব্রিটিশ রাজনীতিতে জায়মা রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবেন। আইনজীবী হিসেবে জায়মা রহমানের সাফল্য খালেদা জিয়ার কারামুক্তি এবং তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার সম্ভাবনা বাড়াবে। এ ছাড়া জায়মাকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাঠিয়ে শেখ পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব ঠেকানোর চেষ্টা করবেন, যা বিএনপির ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের পথ খুলে দিতে পারে।

জনাব চৌধুরীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠে যে তারেক রহমান তাঁর কন্যা জায়মা রহমানকে আন্তর্জাতিক মানের আইন ও রাজনীতির নেতৃত্বে পরিণত করতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। যা তিনি অব্যাহত রেখেছেন।

জায়মা রহমান ২৬ অক্টোবর ১৯৯৫ সালে ঢাকার হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশব কাটে ঢাকা সেনানিবাসের শহীদ মইনুল সড়কের বাসায়—যেখানে তাঁর দাদি, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকতেন। এই বাসায় তাঁর মা-বাবাও থাকতেন। জায়মা ঢাকা শহরের বারিধারার আইএসডি (ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অব ঢাকা) স্কুলে ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা শুরু করেন।

২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ১/১১ ঘটনাবলি পরবর্তী সময়ে, ১১ সেপ্টেম্বর তিনি তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে চলে যান। সেখানে তিনি লন্ডনের ম্যারি মাউন্ট গার্লস স্কুল থেকে ‘ও’ লেভেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি লন্ডনের কুইন ম্যারি ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ‘ইনার টেম্পল’ থেকে বার অ্যাট ল’ সম্পন্ন করেছেন জায়মা রহমান।

৪ ডিসেম্বর ২০২১ লন্ডন থেকে ব্যারিস্টার আবু সায়েম লিখেছেন, মেয়েটির নাম জায়মা রহমান, শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার দৌহিত্রী। তাঁর পিতা নিপীড়িত মানুষের আশ্রয়স্থল মজলুম জননেতা তারেক রহমান, মা ডাক্তার জুবাইদা রহমান। মেয়েটির নানা মাহবুব আলী খান ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান, নানি বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ইকবাল মান্দ বানু। জিয়া পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম জায়মা রহমান মেধা ও মননে অতুলনীয় একজন মানুষ।

আমার খুব নিকট থেকে দেখা, মার্জিত-রুচিশীল-সুশিক্ষিত, নরম মনের একজন মেয়ে, একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। জায়মা রহমান রাজনীতিতে আসবেন কি না, এলে কখন আসবেন, তা সময়ই বলে দেবে। কারো নসিহতের দরকার নেই। দেশটা আমাদের। আজ হোক কাল হোক, আমরা আমাদের দেশ বুঝে নেবই। আমরা জানি, দেশ, জাতি ও মানুষের দুর্দিনে জিয়া পরিবার বসে থাকে না।’

শৈশবে জায়মা রহমান সুখের দিন কাটালেও রাজনৈতিক কারণে তাঁর পরবর্তী জীবন ছিল দুঃখ-কষ্টে পরিপূর্ণ। তবে এই দুঃখের মধ্যেও তিনি তাঁর বাবা-মা, তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের অমূল্য স্নেহ, মমতা এবং পথপ্রদর্শনে নিজেকে এক দৃঢ়, আত্মবিশ্বাসী এবং যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। লন্ডনে কাটানো সময়টা তাঁর জন্য চ্যালেঞ্জের হলেও সেই চ্যালেঞ্জগুলোই তাঁকে মনের দৃঢ়তা এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রেরণা দিয়েছে। পিতা-মাতার দিকনির্দেশনায় জীবনের কঠিন সময়গুলোকে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করে তিনি আজ নিজেকে একজন প্রতিশ্রুতিশীল এবং বিশ্বমানের ব্যক্তিত্ব হিসেবে তৈরি করেছেন।

ফলে তারেক রহমানের প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর কন্যা ব্যারিস্টার জায়মা রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে রাজধানীর ওয়াশিংটন ডিসিতে গত ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি এই ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট অনুষ্ঠিত হয়।

গত ১১ জানুয়ারি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে মার্কিন কংগ্রেসের আয়োজিত ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ কমিটি চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানায়। জায়মা রহমান লন্ডন থেকে যুক্তরাষ্ট্র যান। ১৯৫৩ সাল থেকে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশ্বনেতারা অংশ নেন।

ব্যারিস্টার জায়মা রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে উইমেনস ফেলোশিপ ফাউন্ডেশনের নেত্রী রেবেকা ওয়াগনার ও অন্য সদস্যদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বিশ্বশান্তি বিষয়ক নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেসি, হিউম্যান রাইটস এবং লেবার বিষয়ক সাবেক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট এ ডেস্ট্রোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিনিধি ব্যারিস্টার জায়মা রহমান।

রবার্ট এ ডেস্ট্রো বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসনের ট্রানজিশন টিমের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি একজন আমেরিকান আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, সরকারি কর্মকর্তা এবং মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার আইন নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার কমিশনের একজন কমিশনার হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচন, কর্মসংস্থান এবং সংবিধান আইন বিষয়ে তাঁর বিশেষজ্ঞতার জন্য তিনি বিশেষভাবে সম্মানিত।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জায়মা রহমান আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে প্রবেশ করছেন, যা ভবিষ্যতে বিএনপির নেতৃত্বের ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করবে। ভারতীয় রাজনীতিতে গান্ধী পরিবারের মতো জিয়া পরিবার থেকেও ধারাবাহিক নেতৃত্ব আসবে বলে অনেকেই মনে করছেন।

বিএনপির একাধিক নেতা মনে করেন, এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে জায়মা রহমান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দলকে প্রতিনিধিত্ব করবেন, যা তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে আরো উজ্জ্বল করবে। ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এই সংলাপে তিনি বিশ্বনেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পেয়েছেন, যা তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হবে।

মা বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যজনিত কারণে তারেক রহমান অনুষ্ঠানে যেতে না পারলেও তাঁর কন্যা ব্যারিস্টার জায়মা রহমান ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন, যা তাঁর রাজনীতিতে প্রথম পদক্ষেপ। লন্ডনে শিক্ষাজীবন কাটানো জায়মা রহমান এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফরমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনৈতিক যোগাযোগ গড়ে তুলবেন, যা তাঁকে ভবিষ্যতে রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্যতা অর্জনে সাহায্য করবে। বিএনপির নেতারা মনে করছেন, রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হিসেবে তাঁর রাজনীতিতে আসা স্বাভাবিক এবং ভবিষ্যতে তিনি বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবেন। সিনিয়র নেতারা জায়মা রহমানের মধ্যে খালেদা জিয়ার প্রতিচ্ছবি দেখছেন। তাঁরা বলেছেন, ‘তিনি রাজনীতিতে আসলে বাংলাদেশের রাজনীতি আরো শক্তিশালী হবে।’

নেটিজেনরা ফেসবুকে জায়মা রহমানের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘জিয়া পরিবারের সুনাম ধরে রাখবে, বিএনপির ভবিষ্যৎ কর্ণধার, শহীদ জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি’ ইত্যাদি মন্তব্য। জায়মা রহমানের ‘ন্যাশনাল প্রেয়ার ব্রেকফাস্ট’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বিএনপি ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অভিনন্দন জানানো অব্যাহত রেখেছেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নানা চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র এবং রাজনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিদেশে থেকে দলের হাল ধরে রেখেছেন এবং বিএনপিকে শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তারেক রহমান শুধু নিজেকে নয়, তাঁর একমাত্র কন্যা জায়মা রহমানকেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম এক যোগ্য প্রতিশ্রুতিশীল ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তুলছেন। তাঁর লক্ষ্য বাংলাদেশকে একটি উন্নত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলা, যাতে তাঁর পরবর্তী প্রজন্মের নেতা হিসেবে জায়মা রহমান এটি অব্যাহত রাখেন।

জায়মা রহমান আইন ও রাজনীতি বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সমৃদ্ধ শিক্ষা লাভ করেছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, জায়মা রহমান একদিন বাংলাদেশের নেতৃত্বে আসবেন এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন—যেখানে জনগণের কল্যাণ হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পাশাপাশি তিনি নিরাপদ পৃথিবী এবং মানবতা রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।

অভিনন্দন, অভিবাদন ও শুভ কামনা প্রিয় জায়মা রহমান। আপনার প্রতিটি পদক্ষেপে সাফল্য ও অর্জন ছড়িয়ে পড়ুক জনগণের কল্যাণে। আমরা আশাবাদী যে আপনি বাংলাদেশের জন্য আরো বড় অর্জন বয়ে আনবেন, যা দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে।

লেখক : সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাংগঠনিক সম্পাদক, ডিইউজে

এই বিভাগের আরও খবর
প্রতিদিনের সড়কযুদ্ধ: আর কত প্রাণ গেলে বদলাবে বাস্তবতা?
প্রতিদিনের সড়কযুদ্ধ: আর কত প্রাণ গেলে বদলাবে বাস্তবতা?
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
মানুষের অস্তিত্বই যেন হুমকির মুখে
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
জীবপ্রযুক্তি বিপ্লব : আমরা কী নেতৃত্ব দেব, নাকি পিছিয়ে পড়ব?
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণ পুনর্গঠন সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
ভারত-ইইউ চুক্তি : বাংলাদেশের করণীয়
সর্বশেষ খবর
গোপন তথ্য ফাঁস: গ্রিনল্যান্ডে ‘চিরস্থায়ী’ সামরিক ঘাঁটি চান ট্রাম্প
গোপন তথ্য ফাঁস: গ্রিনল্যান্ডে ‘চিরস্থায়ী’ সামরিক ঘাঁটি চান ট্রাম্প

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘রকস্টার’ টিজারে শাকিব-মিথিলার রোমান্স, রহস্যের আভাস
‘রকস্টার’ টিজারে শাকিব-মিথিলার রোমান্স, রহস্যের আভাস

৩১ মিনিট আগে | শোবিজ

প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখল কেকেআর
প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখল কেকেআর

৪৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কমনওয়েলথ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ
কমনওয়েলথ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত বাংলাদেশ

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

নরওয়ের সংবাদপত্রে ‘সাপুড়ে মোদী’
নরওয়ের সংবাদপত্রে ‘সাপুড়ে মোদী’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঋণ খরায় ব্যবসা-শিল্প
ঋণ খরায় ব্যবসা-শিল্প

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের আলোচনায় উঠে এলো গণমাধ্যম সংস্কার, বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ করণীয়
বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশনের আলোচনায় উঠে এলো গণমাধ্যম সংস্কার, বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ করণীয়

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আটক কর্মীদের নিয়ে উপহাসের ভিডিও ভাইরাল, চটলেন নেতানিয়াহু
আটক কর্মীদের নিয়ে উপহাসের ভিডিও ভাইরাল, চটলেন নেতানিয়াহু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নৌপথে ঈদ যাত্রার প্রস্তুতি দেখতে সদরঘাটে পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
নৌপথে ঈদ যাত্রার প্রস্তুতি দেখতে সদরঘাটে পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

কুষ্টিয়ায় সেতুতে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
কুষ্টিয়ায় সেতুতে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২১ মে)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচন বর্জনের ডাক
চট্টগ্রামে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচন বর্জনের ডাক

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রিটিশ নাগরিকত্বে আইপিএলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেন আমির
ব্রিটিশ নাগরিকত্বে আইপিএলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেন আমির

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিদিনের সড়কযুদ্ধ: আর কত প্রাণ গেলে বদলাবে বাস্তবতা?
প্রতিদিনের সড়কযুদ্ধ: আর কত প্রাণ গেলে বদলাবে বাস্তবতা?

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বিশ্বকাপ শেষ ফারমিন লোপেজের
বিশ্বকাপ শেষ ফারমিন লোপেজের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আরাফা দিবসের ফজিলত
আরাফা দিবসের ফজিলত

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

শেরপুরে অটোরিকশা-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫
শেরপুরে অটোরিকশা-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দৌলতপুরে পরীক্ষায় জালিয়াতি, তিন শিক্ষক আটক
দৌলতপুরে পরীক্ষায় জালিয়াতি, তিন শিক্ষক আটক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন আইরিশ পেসার
বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন আইরিশ পেসার

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২০৩০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নস লিগের আদল হবে ইউরোপের বাছাই
২০৩০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নস লিগের আদল হবে ইউরোপের বাছাই

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খাগড়াছড়িতে পিলাক ও তৈইমাতাই খাল খননের উদ্বোধন
খাগড়াছড়িতে পিলাক ও তৈইমাতাই খাল খননের উদ্বোধন

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাঞ্ছারামপুরে বাড়ছে সড়কে মৃত্যু, এবার প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর
বাঞ্ছারামপুরে বাড়ছে সড়কে মৃত্যু, এবার প্রাণ গেল ৬ বছরের শিশুর

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ
বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিরাজগঞ্জের কারাগারে থাকা সেই পিআইওকে বরখাস্ত
সিরাজগঞ্জের কারাগারে থাকা সেই পিআইওকে বরখাস্ত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে বিপুল ভেজাল পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ১
শেরপুরে বিপুল ভেজাল পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ১

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জুলাই সনদ নিয়ে মাঠ গরম করার সুযোগ নেই: খায়রুল কবির খোকন
জুলাই সনদ নিয়ে মাঠ গরম করার সুযোগ নেই: খায়রুল কবির খোকন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ হারালেন ৪ শ্রমিক
সরাইলে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ হারালেন ৪ শ্রমিক

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: আইআরজিসি
যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: আইআরজিসি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘পরিমাপে আস্থা তৈরিতে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি’
‘পরিমাপে আস্থা তৈরিতে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি’

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ঝিনাইদহে ট্রাকে মিলল চালকের মরদেহ
ঝিনাইদহে ট্রাকে মিলল চালকের মরদেহ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা
বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ
রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)
রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা
আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়: পুলিশ
শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়: পুলিশ

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অব্যবস্থাপনায় ম্লান ৪ ঘণ্টার সুফল, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ফিরেছে ৮-১০ ঘণ্টার ভোগান্তি
অব্যবস্থাপনায় ম্লান ৪ ঘণ্টার সুফল, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ফিরেছে ৮-১০ ঘণ্টার ভোগান্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২
যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম
বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিশু রামিসা হত্যায় গ্রেফতার সোহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
শিশু রামিসা হত্যায় গ্রেফতার সোহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা
যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড
প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘এ তরকারি কি আপনারা বাসায় খেতেন’, হাসপাতালের রান্না মুখে দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
‘এ তরকারি কি আপনারা বাসায় খেতেন’, হাসপাতালের রান্না মুখে দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি
রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’
‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?
স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে শান্তই সফল অধিনায়ক
বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে শান্তই সফল অধিনায়ক

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুঁজিবাজার, এনবিআর ও ব্যাংক বিকেন্দ্রীভূত করা হবে : অর্থমন্ত্রী
পুঁজিবাজার, এনবিআর ও ব্যাংক বিকেন্দ্রীভূত করা হবে : অর্থমন্ত্রী

১৪ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

গরু বেচাকেনা বিতর্কে বিপাকে বিজেপি
গরু বেচাকেনা বিতর্কে বিপাকে বিজেপি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন, বৈঠকের মূল এজেন্ডা কী?
ট্রাম্পের পরপরই বেইজিংয়ে পুতিন, বৈঠকের মূল এজেন্ডা কী?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের মঞ্চে বর-কনের কুস্তি, হারলে সারাজীবন ঘরের কাজ করতে হবে
বিয়ের মঞ্চে বর-কনের কুস্তি, হারলে সারাজীবন ঘরের কাজ করতে হবে

৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সকালের পদোন্নতি রাতে বাতিল; পরদিন সাময়িক বরখাস্ত বিমানের পরিচালক মিজানুর রশীদ
সকালের পদোন্নতি রাতে বাতিল; পরদিন সাময়িক বরখাস্ত বিমানের পরিচালক মিজানুর রশীদ

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বের সবচেয়ে তপ্ত ১০০ শহরের সবগুলোই ভারতে!
বিশ্বের সবচেয়ে তপ্ত ১০০ শহরের সবগুলোই ভারতে!

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে মাটির নিচে মিলল আব্বাসীয় আমলের শতাধিক স্বর্ণখণ্ড
সৌদি আরবে মাটির নিচে মিলল আব্বাসীয় আমলের শতাধিক স্বর্ণখণ্ড

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
রোমহর্ষক জবানবন্দি
রোমহর্ষক জবানবন্দি

প্রথম পৃষ্ঠা

আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপে সিমিনের রেহাই
আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপে সিমিনের রেহাই

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন বাড়ছে খুনাখুনি
কেন বাড়ছে খুনাখুনি

প্রথম পৃষ্ঠা

গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চিন্তা ভারতের
গঙ্গার পানিবণ্টনে নতুন চিন্তা ভারতের

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভিতর থেকে ভেঙে যাচ্ছে সমাজ
ভিতর থেকে ভেঙে যাচ্ছে সমাজ

সম্পাদকীয়

রহস্যঘেরা তেঁতুল গাছ
রহস্যঘেরা তেঁতুল গাছ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভারের নিচে দখলের উৎসব
ফ্লাইওভারের নিচে দখলের উৎসব

রকমারি নগর পরিক্রমা

অচল দুদক, সচল হয়রানি
অচল দুদক, সচল হয়রানি

প্রথম পৃষ্ঠা

জুলাই শহীদ ও আহত উপকারভোগী বাড়ছে
জুলাই শহীদ ও আহত উপকারভোগী বাড়ছে

পেছনের পৃষ্ঠা

ফারাক্কা বাঁধ, দরকার কূটনৈতিক উদ্যোগ
ফারাক্কা বাঁধ, দরকার কূটনৈতিক উদ্যোগ

সম্পাদকীয়

তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার
তিস্তা ব্যারাজের কাজেও হাত দেবে বিএনপি সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

শুকনা মরিচে বাজিমাত
শুকনা মরিচে বাজিমাত

নগর জীবন

ঢাকনা খোলা ম্যানহোলে দুর্ঘটনার শঙ্কা
ঢাকনা খোলা ম্যানহোলে দুর্ঘটনার শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

বেগুনের দামেও সেঞ্চুরি
বেগুনের দামেও সেঞ্চুরি

নগর জীবন

সারচার্জের বদলে আসছে সম্পদকর
সারচার্জের বদলে আসছে সম্পদকর

পেছনের পৃষ্ঠা

শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে অপরাধীর
শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে অপরাধীর

প্রথম পৃষ্ঠা

গ্রামীণ ডানোন ফুডসকে জরিমানা
গ্রামীণ ডানোন ফুডসকে জরিমানা

দেশগ্রাম

অর্থনৈতিক চাপ ও সামাজিক অবক্ষয়
অর্থনৈতিক চাপ ও সামাজিক অবক্ষয়

প্রথম পৃষ্ঠা

এক মৌসুমে তিন শিরোপা
এক মৌসুমে তিন শিরোপা

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচারহীনতার সংস্কৃতি দায়ী
বিচারহীনতার সংস্কৃতি দায়ী

প্রথম পৃষ্ঠা

আরাফা দিবসের ফজিলত
আরাফা দিবসের ফজিলত

সম্পাদকীয়

এ তরকারি বাসায় রান্না হলে খেতেন?
এ তরকারি বাসায় রান্না হলে খেতেন?

নগর জীবন

আবার কমল সোনার দাম
আবার কমল সোনার দাম

নগর জীবন

চামড়ার বাজার পুনরুদ্ধার করতে হবে
চামড়ার বাজার পুনরুদ্ধার করতে হবে

নগর জীবন

চোরের দৌরাত্ম্যে উদ্বিগ্ন নগরবাসী
চোরের দৌরাত্ম্যে উদ্বিগ্ন নগরবাসী

রকমারি নগর পরিক্রমা

ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার
ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

দেশগ্রাম

জুলাই সনদ নিয়ে জামায়াত মিথ্যাচার করছে
জুলাই সনদ নিয়ে জামায়াত মিথ্যাচার করছে

প্রথম পৃষ্ঠা

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হবে সৈয়দপুর
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হবে সৈয়দপুর

নগর জীবন

ওয়াশ খাতে তিন বছরে বরাদ্দ কমেছে ৪০ শতাংশ
ওয়াশ খাতে তিন বছরে বরাদ্দ কমেছে ৪০ শতাংশ

নগর জীবন