শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫৩, মঙ্গলবার, ০৬ মে, ২০২৫

সবার আগে দেশের ফুটবলের স্বার্থ

ইকরামউজ্জমান
অনলাইন ভার্সন
সবার আগে দেশের ফুটবলের স্বার্থ

বাফুফের আগের নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর গত বছর অক্টোবর মাসে নতুন-পুরনো সংগঠক সমন্বয়ে কমিটি নির্বাচিত হয়েছে এবং তারা দায়িত্ব নিয়েছে। এটি কিন্তু সব কিছু নয়। ফুটবলে একটি মূল স্বপ্ন আছে। আর এই স্বপ্ন এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি ডালপালা মেলেছে।

ফুটবলকে ঘিরে চিন্তা-ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তনের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত লক্ষণীয় হচ্ছে। অতএব সম্মিলিতভাবে ঐকমত্যের ভিত্তিতে স্বপ্নের পথ ধরে হাঁটাই আসল বিষয়। ব্যক্তি ও সমষ্টির স্বার্থে অযথা হিংসা, বিরুদ্ধাচরণ, সমালোচনা এবং মতলবি অসত্য প্রচারণার ফলাফলের অভিজ্ঞতা তো ফুটবলসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কম হয়নি। অতএব খাল কেটে কুমির না আনা কিংবা ন্যাড়া মাথায় বেল তলায় না যাওয়ার বিষয়টি মাথায় রাখা দরকার।

সবাই তো সব সময় ফুটবলের স্বার্থের কথা বলেন। মনে রাখতে হবে, মতলব হাসিলের জন্য ফুটবল চত্বরকে অশান্ত করা, বিতর্কিত করার খেসারত তো মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ নয়, পুরো জাতিকে বহন করতে হবে।
ফুটবলে প্রয়োজন রূপান্তর। এখন পর্যন্ত নির্বাচিত কমিটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশ কিছু ভালো কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

এই চেষ্টাকে অব্যাহত রাখতে হবে নতুবা আবার আমাদের অতীত সংস্কৃতিতে ফিরে যেতে হবে। সময় এবং পরিবেশ এখন অনুকূলে। সময়ের ডাক হলো সামনে তাকাও—আর নিজকে জানো ও বুঝো। অতীতে বছরের পর বছর ধরে বাফুফের নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিযোগ আর আক্ষেপ আমরা সবাই শুনেছি—কাজ করার সুযোগ থাকলেও কাজ করতে দেওয়া হয় না, কাজ করার পরিবেশ নেই। এবার এখন পর্যন্ত এ ধরনের অভিযোগ ও আক্ষেপ কানে আসেনি।
সবাইকে সম্পৃক্ত করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।
সমস্যা আছে, আছে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা আছে—তাই বলে হাল ছেড়ে দিলে তো চলবে না। ফুটবলের সার্বিক অবস্থা যথাযথ মূল্যায়নের পরিপ্রেক্ষিতে কিভাবে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা যায় সেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে শুধু সংবেদনশীলতা যথেষ্ট নয়। দরকার সংগঠকদের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা এবং সঠিক রণকৌশল। প্রয়োজন পেশাদারির। সবাই ফুটবলের ভালো চাচ্ছেন, ফুটবল পরিবেশকে সুষ্ঠু ও সুন্দর রাখার কথা ভাবছেন—এমনটি ভাবার খুব বেশি সুযোগ নেই। আর সেই ইঙ্গিত তো লক্ষণীয় হচ্ছে। নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গের উদাহরণ তো দেখছি। দেখছি ব্যক্তি, ক্লাব এবং সমষ্টির স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য উসকানির মাধ্যমে মতলবি খেলা। উদ্দেশ্য একটাই ফুটবল পরিবেশ অস্থিতিশীল করা। দেশের বাইরে বাংলাদেশের ফুটবলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা। এটি এক ধরনের বিকৃত মানসিকতা।

ঐক্যবদ্ধ তারুণ্য দেশটাকে নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে। সর্বক্ষেত্রে চিন্তা-ভাবনা এবং দৃষ্টিভঙ্গিতে নতুনত্বের হাওয়া বইছে। মানুষ বুঝতে পারছে ঐক্যবদ্ধ মানুষের পক্ষে সবই সম্ভব—শুধু প্রয়োজন দৃঢ় প্রত্যয় এবং ইচ্ছাশক্তি। এর জন্য প্রয়োজন জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংস্কৃতির চর্চাকে বেগবান করা। ফুটবলের প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা।

ফুটবল ঘিরে নতুন আশা-আকাঙ্ক্ষার জন্ম হয়েছে। সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করছে ফুটবলের আকাশে মেঘের পেছনে লুকিয়ে ঝকঝকে রোদ। এখন প্রয়োজন ফুটবলের ক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভালো ফুটবল পৃষ্ঠপোষকতার জন্য আন্দোলন। সংগঠকদের শুধু জাতীয়তাবাদী হলে চলবে না, হতে হবে দেশপ্রেমিক। হতে হবে গণতান্ত্রিক এবং ‘প্রো-অ্যাকটিভ’। ফুটবল এখন দুনিয়াজুড়ে দেশে দেশে একটি ‘ইন্ডাস্ট্রি’ হিসেবে পরিচিত। এ ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা, নীতি, আদর্শ, সুশাসন, জবাবদিহি এবং শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের পার্থক্য নেই। এ বিষয়ে আমরা ভীষণভাবে পিছিয়ে আছি। আমরা পেশাদার ফুটবলকে অনেক আগেই স্বাগত জানিয়েছি। কিন্তু আমরা জানি না এই ফুটবল কিভাবে চলার কথা, কিভাবে চলছে। পেশাদার ফুটবলে প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী! এএফসির লাইসেন্স দেশে কয়টি ক্লাবের আছে? দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর দিকে যদি তাকাই ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা প্রত্যেক দেশে বাংলাদেশ থেকে বেশি আছে। আর ভারতের কথা তো বাদ দিলাম।

মোহামেডান স্পোর্টিং এবারই প্রথম পেশাদার ফুটবলে শিরোপা জয়ের সুবাস পাচ্ছে। তারা নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে অনেক বেশি পয়েন্টে এগিয়ে আছে। ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটি যদি শেষ পর্যন্ত শিরোপা ঘরে তুলতে পারে এটি হবে তার সমর্থক ও ভক্তদের জন্য অনেক বড় স্বস্তি। পাশাপাশি কিন্তু সচেতন মহলের মনে এক ধরনের ব্যথা অনুভূত হবে—আর সেটি হলো চ্যাম্পিয়ন হয়েও ঐতিহ্যবাহী এবং জননন্দিত এই দলটি এএফসি কাপে খেলার সুযোগ পাবে না। কেননা মোহামেডান ক্লাবের এএফসি লাইসেন্স নেই। এতে লীগের রানার্স আপ দল এএফসি ভালো খেলার সুযোগ পাবে। ক্লাব পরিচালনার ক্ষেত্রে লক্ষ্য নির্ধারণ করে কাজ করা ছাড়া এই পেশাদার যুগে কোনো কিছুই সম্ভব নয়। এখন সব খেলায় ব্যবস্থাপনা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। অযথা হৈচৈ করে লাভ নেই—যৌক্তিক কাজগুলো করতে হবে প্রজ্ঞা ও দূরদৃষ্টির সঙ্গে।

দুনিয়াজুড়ে সব দেশে পেশাদার ফুটবল লীগ পরিচালিত হয় হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতিতে। হোম ভেন্যু সব সময় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। হোম ভেন্যু সব সময় সমর্থক এবং দর্শকদের উচ্ছ্বাস ও আবেগের তীর্থক্ষেত্র। বাংলাদেশে প্রিমিয়ার লীগ চলছে বছরের পর বছর ধরে বসুন্ধরা কিংস ছাড়া তো কারো নিজস্ব ফিফা ও এএফসি স্বীকৃত আধুনিক ‘অ্যারেনা’ নেই। অন্য দলগুলো তো বিভিন্ন ভেন্যুকে নিজের হোম ভেন্যু পরিচয় দিয়ে খেলে থাকে। এই মাঠের সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা তো বড়জোর খেলার দিন বা পরের দিন। অন্যদিকে বসুন্ধরা কিংস তার নিজ অ্যারেনায়, পরিচিত দর্শকের সামনে সব সময় খেলে। এতে হোম অ্যাডভান্টেজ পাবে এটাই স্বাভাবিক—এতে কারো হিংসা বা বিদ্বেষ ছড়ানোর কথা নয়। এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত প্র্যাকটিস।

ভালো এবং যত্নবান মাঠে খেলার সুযোগ প্রিমিয়ার লীগের দলগুলো পায় না। এই মাঠগুলোতে ফুটবলের জন্য আধুনিক প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গের কিছুই নেই। কিছুদিন আগে আলোর অভাবে খেলা বন্ধ রাখতে হয়েছে। কেননা ফ্লাডলাইট নেই। পরে অন্য একদিন লীগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ধরনের সমস্যা সমাধানের বিষয়টি বাফুফে গভীরভাবে ভাবছে। কেননা এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বিশ্বাস করি অবস্থার পরিবর্তন হবে। সময় লাগবে, তবে ফুটবল উপযোগী সুন্দর পরিবেশ আমরা পাব।

বারবার লিখেছি দেশের স্বার্থে, ফুটবলের স্বার্থে সবাইকে কতগুলো বিষয়ে ঐকমত্য পোষণের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। এই যে বসুন্ধরা গ্রুপ কয়েক বছর ধরে প্রিমিয়ার লীগ ছাড়া সব টুর্নামেন্টে পৃষ্ঠপোষকতা করছে, করছে ঢাকার বাইরে কোথাও কোথাও জেলা ফুটবল লীগ এবং টুর্নামেন্ট আয়োজনে, এটি তো কোনো দোষণীয় কিছু নয়। বরং এটি ফুটবলের জন্য ইতিবাচক। বিষয়টিকে বাঁকা চোখে দেখা হবে কেন? ফুটবলে তো স্পন্সরশিপের প্রয়োজন আছে। স্পন্সরশিপ তো এখন ক্রীড়াচর্চা বা পরিচালনার ক্ষেত্রে অন্যতম জ্বালানি। বসুন্ধরা গ্রুপ একটি আধুনিক অ্যারেনা নির্মাণ করেছে—এ ধরনের প্রাইভেট অ্যারেনা নির্মাণের নজির দক্ষিণ এশিয়ার আর কোনো দেশে নেই। এটি তো বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়। এই অ্যারেনা তৈরি করা হয়েছিল বলেই এখানে বিশ্বকাপের বাছাই, এএফসি কাপের খেলা এবং বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি সময় গেছে এই অ্যারেনা না থাকলে আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত করা সম্ভব হতো না ঢাকায়।

ফুটবল মাঠে উত্তেজনা বিরাজ করে না, হৈচৈ হয় না, বোতল ও বরফ ছুড়ে মারা হয় না। এ রকম ফুটবল অ্যারেনা শুধু এশিয়ায় নয়, ইউরোপ বা কোনো দেশে আছে কি না আমার জানা নেই। জানা নেই অতিরিক্ত উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে হাতাহাতি হয় না। এটি শুধু দেশে নয়, ইউরোপের গ্যালারিতে দেখার অভিজ্ঞতা আমাদের অনেকের আছে। আর তাই দেশে কিংস অ্যারেনাকে অনিরাপদ আখ্যায়িত করে প্রচারণার আগে ভাবার দরকার আছে—এটির ক্ষতিকর প্রভাব কী হতে পারে। এ ধরনের প্রচারণা দেশের ফুটবলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে। কিংস অ্যারেনাটি তো এএফসি এবং ফিফার স্বীকৃত ভেন্যু। আন্তর্জাতিক ম্যাচে উত্তেজনা লক্ষণীয় হয়েছে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায়। এ ধরনের উত্তেজনা কি বিদেশে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে গিয়ে বাংলাদেশ দল মোকাবেলা করেনি। প্রিমিয়ার লীগের খেলায় তো শুধু কিংসের অ্যারেনায় ‘স্মোক ফ্লেয়ার’ ধোঁয়া দেখা যায়নি। ঢাকার বাইরেও তো এই স্মোক ফ্লেয়ারের ধোঁয়া দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন দর্শকদের আচরণের জন্য বাফুফেকে জরিমানা করেছে ফিফা আমরা জানি। এই ঘটনার নিন্দা সবাই করেছেন। এখন যদি কোনো ক্লাব একটি ক্লাবের নিজস্ব ভেন্যুতে খেলতে না চায়—এটির সমাধান তো ফুটবল ফেডারেশনের কাছে আছে। আমরা শুধু চাইছি, এমন কোনো প্রচারণা অ্যারেনাকে ঘিরে করা উচিত নয়, যা দেশের ফুটবলের বৃহত্তর স্বার্থকে ক্ষুণ্ন করে। মাঠের নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার উদ্যোগ বাফুফে অবশ্যই নেবে। এটি শুধু কিংস অ্যারেনা নয়, অন্য ভেন্যুতেও।

লেখক : কলামিস্ট ও বিশ্লেষক। সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি, এআইপিএস এশিয়া। আজীবন সদস্য, বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন। প্যানেল রাইটার, ফুটবল এশিয়া

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৩৪ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৫ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২০ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন