শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:৫১, শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০১৫

মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশের মানবাধিকার বিষয়ক প্রস্তাব

নিউইয়র্ক থেকে এনআরবি নিউজ :
অনলাইন ভার্সন
মার্কিন কংগ্রেসে বাংলাদেশের মানবাধিকার বিষয়ক প্রস্তাব

মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে বাংলাদেশে মানবাধিকার বিষয়ক একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে ২৯ জুলাই। এতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে দেশের সকল নাগরিক, বিশেষত: সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার রক্ষা করার জন্যে যথাযধ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং  ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাস প্রতিরোধের আহবান জানানো হয়েছে এতে।

জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসী তৎপরতা ঠেকাতে কঠোর হবার প্রসঙ্গও রয়েছে এ প্রস্তাবে।

উল্লেখ্য, প্রস্তাবটি কয়েক সপ্তাহ আগে উত্থাপনের জন্যে তৈরী করা হয় বিধায় প্রস্তাবের ভাষায় অনেক কিছুই গড়মিল মনে হতে পারে। কারণ, এখন আর বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা কিংবা হরতাল-অবরোধের মত পরিস্থিতি বিরাজিত নেই। সরকারের কৌশলী পদক্ষেপে মোটামুটি সবকিছু শান্ত রয়েছে।

আরিজোনার রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান এবং প্রতিনিধি পরিষদে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সম্পর্কিত সাব কমিটির চেয়ারম্যান ম্যাট স্যালমন এবং ইলিনয়ের রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান বব ডোল্ড এর সর্বাত্মক সমর্থনে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভ’ত আমেরিকান এবং হাওয়াই অঙ্গরাজ্যের কংগ্রেসওম্যান (ডেমক্র্যাট) তুলসী গ্যাবার্ড। অর্থাৎ প্রস্তাবটি রিপাবলিকান ও ডেমক্র্যাট- উভয় দলের উদ্যোগে উত্থাপিত হয়েছে।  

এটি উত্থাপনের সময়ে দেয়া বক্তব্যে তুলসী গ্যাবার্ড বলেছেন, হিন্দু সম্প্রদায়কে দেশ ছাড়া করার যে হিংস্র প্রবণতা চলছে বাংলাদেশে, তা বন্ধের জন্যে অবশ্যই সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। তুলসী গ্যাবার্ড বলেন, ‘বাংলাদেশ গোলযোগের মধ্যে রয়েছে। গত বছর ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের পর থেকেই এ দেশের স্থিতিশীলতা নিয়ে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উদ্বেগ।’

এ প্রস্তাবের বলিষ্ঠ সমর্থক কংগ্রেসম্যান বব ডোল্ড বলেন, ‘কোন দেশ তার নাগরিকদের, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ হলে তা বরদাশত করা হবে না। বিশ্বের মানবিক মূল্যবোধের বৃহৎ শক্তি হিসেবে সে সব দেশের কাছে যুক্তরাষ্ট্র একসুরে এই বার্তা পাঠাতে বাধ্য।’

উল্লেখ্য যে, এই প্রস্তাবটি উত্থাপনে যে সব সংগঠন দীর্ঘদিন যাবত কাজ করছিলো তার অন্যতম হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, সেন্টার ফর ইনক্যুয়ারি, আমেরিকান হিউম্যানিস্ট এসোসিয়েশন, মুক্তমনা, দৃষ্টিপাত, দেলওয়ারে ভ্যালী বাংলাদেশী এসোসিয়েশন, সেক্যুলার কোয়ালিশন অব আমেরিকা, হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন।

এ প্রস্তাব উত্থাপনের জন্যে প্রতিনিধি পরিষদের সাথে দীর্ঘদিন দেন-দরবারকারিদের অন্যতম বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সংগঠক শিতাংশু গুহ জানান, ‘ধর্মের নামে উগ্রপন্থি দমনের ব্যাপারটিকে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এ প্রস্তাব উত্থাপনী বক্তব্যে। ধর্মীয় চরমপন্থিরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে বিপন্ন করে তোলার অপচেষ্টা চালাচ্ছে জামাত-শিবিরের ব্যানারে। জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের বহু পুরনো দাবির বাস্তবায়ন ঘটলে বাংলাদেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ অনেকটা কমবে।’

কংগ্রেসওম্যান তুলসী গ্যাবার্ড বলেছেন, ‘সংখ্যালঘুদের হামলায় জড়িতরা খুব কম সময়েই বিচারের সম্মুখীন হচ্ছে বা শাস্তি পাচ্ছে।’

এ উপলক্ষে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল সম্পর্কিত সাব কমিটির চেয়ারম্যান ম্যাট স্যালমন বলেন, ‘কংগ্রেসওম্যান গ্যাবার্ডের সাথে এমন একটি মানবিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্যে কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত। বাংলাদেশের সম্ভাবনা প্রচুর। আমরা বাংলাদেশের প্রতি উদাত্ত আহবান জানাচ্ছিন সহিংস রাজনীতি পরিহারের জন্যে। একই সাথে আইনের শাসন সুসংহত এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে জোরদার করার পাশাপাশি ধর্মীয় উগ্রপন্থি দমনে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করছি।’

কংগ্রেসম্যান বব ডোল্ড অপর এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, ‘সারাবিশ্বেই ধর্মীয় কারণে নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৭৭% বসবাস করছেন এমন দেশে যেখানে ধর্মীয় স্বাধীনতার বিরুদ্ধে নানা মতবাদ বিরাজ করছে। বিশ্বের মানবতা সমুন্নত রাখতে সোচ্চার রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র উচ্চারণ করতে চায় যে, নাগরিকদের মৌলিক স্বাধীনতা, বিশেষ করে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষায় যে সব রাষ্ট্র ব্যর্থ হচ্ছে তাদেরকে কোনভাবেই সহ্য করা হবে বা। আমি সহকর্মী কংগ্রেসম্যানদের সাথে একযোগে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি সংখ্যালঘুদের অধিকার সুরক্ষা, চরমপন্থিদের নির্মূল করা এবং আইনের শাসন পুনপ্রতিষ্ঠার জন্যে।
 

এ প্রস্তাবে বলা হয়েছে: (১). ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে স্বাধীনতা লাভ করেছে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের আবাসভূমি হিসাবে;

(২). ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী স্থানীয় মিলিশিয়া (আলবদর, রাজাকার, আল শামস এবং তথাকথিত শান্তি বাহিনী) দের সহায়তায় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে এর ভুরি ভুরি প্রমাণ রয়েছে।

(৩). যদিও সংখ্যা নিয়ে মতানৈক্য আছে, তবু বিভিন্ন রিপোর্ট থেকে জানা যায়, ঐসময় ৩০ লক্ষ মানুষ নিহত হয়েছে, ১ কোটি মানুষ বিতাড়িত হন এবং ২ লক্ষ মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছে; ইউএস সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডী (বর্তমানে প্রয়াত) মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সিনেট ফ্লোরে পাকিস্তানীদের বর্বরতার নিন্দা করেছেন এবং সিনেট জুডিশিয়ারি কমিটির হিয়ারিং-এ এক রিপোর্টে লিখেছেন, ‘মার্কিন সরকারের ফিল্ড-রিপোর্ট; অসংখ্য প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকের রিপোর্ট; বিবিধ আন্তর্জাতিক সংস্থা, যেমন বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য সংস্থার প্রদত্ত রিপোর্ট থেকে জানা যায়, পূর্ব-বাংলায় (পূর্ব-পাকিস্তানে) সন্ত্রাসের রাজত্ব চলছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হিন্দুরা, তাদের জমিজমা কেড়ে নেয়া হয়েছে, তাদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, এবং কোথাও কোথাও তাদের 'এইচ' চিহ্ন দিয়ে মার্কা দেয়া হয়েছে। আর এসবই করা হয়েছে ইসলামাবাদ থেকে সামরিক শাসনের আওতায় সরকারী নির্দেশ বলে।

(৪). যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক জুরিস্ট কমিশনের (আইসিজে) এক রিপোর্টে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, পাকিস্তানী মিলিটারী ও দেশীয় প্যারামিলিটারি মিলিশিয়ারা এক কোটি হিন্দুকে সমূলে নির্মূল বা বিতাড়িত করার উদ্যোগের জন্যে দায়ী।

(৫). বাঙালী জাতীয়তাবাদীরাও যুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সমর্থক বলে বিহারীদের ওপর আক্রমন চালিয়েছে।

(৬) একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের জন্যে গঠিত ‘আন্তর্জাতিক ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল’-এর বিপক্ষে বিএনপি-জামাত (জেইআই), ইসলামী ছাত্র শিবির (আইসিএস) ও তাদের সমর্থকরা সহিংস দাঙ্গা করেছে, ডজন ডজন বোমা ফুটিয়েছে, রেললাইন উপড়ে ফেলেছে, নিরাপত্তা রক্ষীদের ওপর আক্রমণ করেছে, জোর করে ব্যবসা-বানিজ্য বন্ধ রেখেছে এবং এতে সাধারণ মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়েছে।

(৭). বিএনপি-জামাত (জেইআই), ছাত্র শিবির (আইসিএস) ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর হিন্দুদের ওপর আক্রমন করেছে এবং এতে প্রায় ৫০টি মন্দির ও ১৫০০ ঘরবাড়ী ধ্বংস হয়েছে।

(৮). সন্ত্রাসের পর এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশানাল শংকা প্রকাশ করে বলেছে, 'বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় চূড়ান্ত রিস্কের মধ্যে আছে' এটা দু:খজনক যে, তারা শুধুমাত্র তাদের ধর্মের কারণেই আক্রান্ত। কর্তৃপক্ষের উচিত এদের যথাযথ নিরাপত্তা বিধান করা।

(৯). সাম্প্রতিক নির্বাচনের আগে-পরে একইভাবে বিএনপি-জামাত (জেইআই), ছাত্র শিবির (আইসিএস) হিন্দুদের ওপর আক্রমন চালিয়েছে। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ-এর মতে এতে ৪৯৫টি হিন্দুবাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত, ৫৮৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আক্রান্ত বা লুট; ১৬৯টি মন্দির ধ্বংস হয়েছে।

(১০). ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদীরা বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও আহমদিয়াদের ওপরও আক্রমন চালিয়েছে।

(১১). জামাত (জেইআই), ছাত্র শিবির (আইসিএস) ও অন্যান্য চরমপন্থী গ্রুপ যেহেতু দেশের স্থিতিশীলতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ওপর হুমকি স্বরূপ, সেহেতু ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সন্ত্রাসের আশংকা সবসময় থেকেই যায়।

(১২). সাম্প্রতিক ক্রটিপূর্ণ নির্বাচন দেশে সহিংসতার জন্ম দিতে পারে যা বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের জন্যে হুমকিস্বরূপ।

(১৩). উদ্যত চাপাতিধারী ইসলামী মৌলবাদীরা এ বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারী বাংলা একাডেমি বইমেলায় পুলিশের সামনে নিরেশ্বরবাদী মার্কিন নাগরিক অভিজিত রায়কে হত্যা ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমদকে আহত করেছে।

(১৪). ইসলামী মৌলবাদীদের নিরেশ্বরবাদী বা অবিশ্বাসীদের ওপর হামলা করার একটি ইতিহাস আছে এবং এ পর্যন্ত গত ১১ বছরে ৮ জন খুন হয়েছে এবং আরও কয়েক ডজন পালিয়ে জীবন বাঁচাচ্ছে।

(১৫). ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর বারংবার আক্রমন, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা বৃদ্ধি এবং জামাত (জেইআই)-ছাত্র শিবির (আইসিএস) ও চরমপন্থী গ্রুপের দ্বারা ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি বাংলাদেশে মার্কিন অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

(১৬). গত বছর থেকে ইরাক ও সিরিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রো-ইসলামিক স্টেট-এর সাথে সম্পৃক্ত বেশ কিছু চরমপন্থী  গ্রেফতারে প্রতীয়মান হয় যে, বাংলাদেশে ইসলামিক চরমপন্থা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

(১৭). যুক্তরাষ্ট্রের উচিত বাংলাদেশের সাথে আরো ঘনিষ্ঠভাবে উভয়পক্ষের স্বার্থরক্ষায় নিযুক্ত হওয়া, যাতে বাংলাদেশে মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ধর্মনিরপেক্ষ এবং গণতন্ত্র বজায় থাকে এবং যাতে ধর্মীয় মৌলবাদ ও চরমপন্থা প্রতিরোধ করা যায়।

সেই লক্ষ্যে হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ প্রস্তাব নিচ্ছে যে, ১. ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ভিকটিমদের কথা স্বীকার করছে, ২. বাংলাদেশ সরকারকে আহবান জানাচ্ছে, আইনের শাসন, নির্বাচন প্রক্রিয়া ও যুদ্ধাপরাধের বিচারে আন্তর্জাতিক রীতিনীতি মেনে চলতে, ৩. বাংলাদেশ সরকারকে আহবান জানাচ্ছে, চরমপন্থী গ্রুপ যেমন জামাত (জেইআই), ছাত্র শিবির (আইসিএস)-যারা দেশের ধর্মনিরপেক্ষ, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার জন্যে হুমকিস্বরূপ তাদের কর্মকান্ড ঠেকাতে, ৪. বাংলাদেশ সরকারকে আহবান জানাচ্ছে, সকল নাগরিকের বিশেষত: দুর্বল ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষার।

 
বিডি-প্রতিদিন/ ৩১ জুলাই ১৫/ সালাহ উদ্দীন  


 

এই বিভাগের আরও খবর
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা
মালদ্বীপে বাংলাদেশি যুবকের আত্মহত্যা
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে বিএনপি মালয়েশিয়ার সংবাদ সম্মেলন
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর নিয়ে বিএনপি মালয়েশিয়ার সংবাদ সম্মেলন
সম্প্রীতির বন্ধনে সদ্বীপ পৌরসভার বনভোজন
সম্প্রীতির বন্ধনে সদ্বীপ পৌরসভার বনভোজন
গ্রিস-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সহযোগিতা ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বৈঠক
গ্রিস-বাংলাদেশ বাণিজ্যিক সহযোগিতা ও শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাক চাপায় বাংলাদেশির মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাক চাপায় বাংলাদেশির মৃত্যু
সিডনিতে বিএওএর বার্ষিক ডিনার ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
সিডনিতে বিএওএর বার্ষিক ডিনার ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন
উৎসবমুখর পরিবেশে ক্যালগেরি বাংলা স্কুল গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠিত
উৎসবমুখর পরিবেশে ক্যালগেরি বাংলা স্কুল গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে মালদ্বীপে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণশুনানি
বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে মালদ্বীপে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও গণশুনানি
সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
সিডনিতে ক্যাম্বেলটাউন বাংলা স্কুলের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি রতন, সম্পাদক হিরন
বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি রতন, সম্পাদক হিরন
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
বগুড়ায় আদালতে মামলা চলাকালে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’
‘শিক্ষকদের নৈতিক কর্তব্য পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চোখের পরিচর্যায় সচেতন করা’

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী
বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী

৯ মিনিট আগে | জাতীয়

সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
সিদ্ধিরগঞ্জে সাবেক কাউন্সিলর ইকবালসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

অবশেষে দেবী চৌধুরানীর জমিদার বাড়িসহ রংপুরের পাঁচ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণে গেজেট হচ্ছে
অবশেষে দেবী চৌধুরানীর জমিদার বাড়িসহ রংপুরের পাঁচ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সংরক্ষণে গেজেট হচ্ছে

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নেত্রকোনায় বাড়ির পাশে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ
নেত্রকোনায় বাড়ির পাশে ডোবায় মিলল শিশুর লাশ

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সালাহাদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে ধাক্কা
সালাহাদের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে ধাক্কা

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ সংকটে নতুন মোড়, পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে শঙ্কা
হরমুজ সংকটে নতুন মোড়, পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে শঙ্কা

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো

২৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না: এমপি খায়ের ভূঁইয়া
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না: এমপি খায়ের ভূঁইয়া

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের
উরুগুয়ের হারে কপাল খুললো ইংল্যান্ডসহ ছয় দলের

৩৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ফল বিতরণ
গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ফল বিতরণ

৪০ মিনিট আগে | নগর জীবন

সিঁথির কণ্ঠে ‘বসন্তের কোকিল’, প্রথম দিনেই ৮১ হাজার ভিউ!
সিঁথির কণ্ঠে ‘বসন্তের কোকিল’, প্রথম দিনেই ৮১ হাজার ভিউ!

৪১ মিনিট আগে | শোবিজ

সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন
সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে ‘ফিনিক্স সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন

৪৪ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী
ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় জনপরিসর নিয়ে শিল্প ও স্থাপত্য প্রদর্শনী

৪৬ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

লালমনিরহাটে মাদক কারবারিদের হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত
লালমনিরহাটে মাদক কারবারিদের হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৭৩০৪৩
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ৭৩০৪৩

৫৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম
ইতালিতে একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি খুন, নোয়াখালীতে শোকের মাতম

৫৪ মিনিট আগে | পরবাস

নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার
নকআউট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ইংলিশ ডিফেন্ডার

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ
দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমান প্রবেশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট
চুক্তির পরও লেবানন সীমান্তে বোমাবর্ষণ ইসরায়েলের: রিপোর্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হাজতির মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা
নকআউট নিশ্চিতের পর সালাহর চোট ঘিরে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরে সফলতার জন্য সংসদে ধন্যবাদ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর
দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’
‘নতুন কর আবাসন ব্যবসার পথ বন্ধ করে দিবে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান
মিশরের সঙ্গে ড্র করেও নকআউটে আশা বাঁচিয়ে রাখল ইরান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল
ইরাককে ৫-০ গোলে উড়িয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখল সেনেগাল

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের
বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক