শিরোনাম
প্রকাশ : ২৯ জানুয়ারি, ২০২০ ১৪:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

'সিটি নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে'

অনলাইন ডেস্ক

'সিটি নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে'

বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য দক্ষিণ সিটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, এখনো নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। ঢাকা সিটি নির্বাচনে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। নেতা-কর্মীদের বাসা-বাড়িতে ঢুকে হুমকি, ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হলেও ন্যুনতম কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। 

রাজধানীর গোপীবাগে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনের বাসায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা মনে করি, একচোখা নির্বাচন কমিশন প্রশাসনের ন্যাক্কারজনক আচরণ ও ভূমিকায় নির্বাচন যদি গতানুগতিক ও প্রহসনে পরিণত হয় তাহলে জনগণ তা বরদাশত করবে না এবং উদ্ভুত পরিস্থিতির দায়-দায়িত্ব সরকার ও নির্বাচন কমিশনকেই গ্রহণ করতে হবে।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৫:০২
আপডেট : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৭:৫৩
প্রিন্ট করুন printer

ভোটের ফলাফল পাল্টে দেয়ার অভিযোগ ইশরাকের

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভোটের ফলাফল পাল্টে দেয়ার অভিযোগ ইশরাকের

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেয়ার অভিযোগ করেছেন বিএনপির মেয়রপ্রার্থী প্রকৌশলী  ইশরাক হোসেন। আজ বুধবার বেলা ১২টায় গুলশান ইমানুয়েলস হলে আয়োজিত নির্বাচন পরবর্তী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় ঢাকা উত্তরে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালও উপস্থিত ছিলেন। 

ঢাকা সিটি নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন শাসক শ্রেণির অন্যায় নির্দেশের কাছে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রিসাইডিং অফিসরা অসহায় ছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন ঢাকা দক্ষিণে বিএনপি মনোনীত ইশরাক হোসেন।

তিনি বলেন, ‘আমি নগরবাসীকে কথা দিয়েছিলাম, তাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেব। বাসযোগ্য একটা শহর উপহার দেব। কিন্তু শাসক শ্রেণির ভোট চুরি, ভোট কারচুপি, ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ভোটারদেরকে ভোটকেন্দ্র থেকে দূরে রাখাসহ নানা কারণে আমি আমার কথা রাখতে ব্যর্থ হয়েছি। তবে আগামীতে আবার নগরবাসীর ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য মাঠে আসব।’

ইশরাক বলেন, ‘আমি দেখেছি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের অনেকেই চেয়েছেন সুষ্ঠু নির্বাচন হোক। কিন্তু তারা শাসক শ্রেণির অন্যায় নির্দেশের কাছে সম্পূর্ণ অসহায় ছিলেন। তারা নিরুপায় হয়ে সরকারের অন্যায় নির্দেশ মেনে চলতে বাধ্য হয়েছেন।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানীর পরিচালনায় সংবাদ সম্মেলন মঞ্চে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, এলডিপির (একাংশ) মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১২:৪৯
আপডেট : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৩:০৪
প্রিন্ট করুন printer

পুলিশকে পেটালে গ্রেফতার, সাংবাদিককে পেটালে কেন নয়: তাবিথ

অনলাইন ডেস্ক

পুলিশকে পেটালে গ্রেফতার, সাংবাদিককে পেটালে কেন নয়: তাবিথ
সংগৃহীত ছবি

পুলিশের গায়ে হাত তোলার অপরাধে একজন নির্বাচিত কমিশনারকে গ্রেফতার করা হলেও সাংবাদিক পেটানোর অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি উল্লেখ করে ঢাকা উত্তরের বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল বলেছেন, ‘পুলিশকে পেটালে গ্রেফতার আর সাংবাদিক পেটালে কেউ গ্রেফতার হবে না, কোনো সভ্য দেশে এমনটি হতে পারে না।’

সদ্য সমাপ্ত ঢাকা সিটি নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে বুধবার রাজধানীর গুলশানে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সিটি করপোরেশন নির্বাচন পরবর্তী এ যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

তাবিথ আরও বলেন, ‘নির্বাচনের দিন কেবল বিএনপির নেতাকর্মী বা সমর্থকরা হামলার শিকার হননি। ওই দিন নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে মার খেয়েছেন।’

সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনের দিন নানা অনিয়ম, কারচুপি, পুলিশি হয়রানির অভিযোগের পক্ষে সংগৃহিত তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন তাবিথ আউয়াল। পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে সাংবাদিকদের সামনে এসব তুলে ধরেন তিনি।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানীর পরিচালনায় সংবাদ সম্মেলন মঞ্চে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১২:৩৩
আপডেট : ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৪:০৭
প্রিন্ট করুন printer

ভোটাররা কেন্দ্রে ঢুকতে পারেননি, ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তাও ছিল: তাবিথ

অনলাইন ডেস্ক

ভোটাররা কেন্দ্রে ঢুকতে পারেননি, ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তাও ছিল: তাবিথ
তাবিথ আউয়াল (ফাইল ছবি)

সদ্য সমাপ্ত ঢাকা সিটি নির্বাচনে বেশিরভাগ ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে পারেননি বলে অভিযোগ করেছেন উত্তর সিটিতে মেয়র পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। তিনি বলেন, এটা আওয়ামী লীগের পূর্ব পরিকল্পনা ছিল। তারা ভোটারদের চূড়ান্ত রায়কে ভয় পায় বলেই ভোটাররা যেন ভোট দিতে না পারেন সেটাই তাদের পরিকল্পনা ছিল।

সদ্য সমাপ্ত ঢাকা সিটি নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে বুধবার রাজধানীর গুলশানে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এ সময় ভোট কেন্দ্রের বাইরে ভোটারদের লাইনের ছবি প্রদর্শন করে সেটিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। এছাড়াও কেন্দ্রে ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৬:০১
প্রিন্ট করুন printer

ঢাকার ভোটে অস্বাভা‌বিক কম ভোট পড়া গণতন্ত্রের জন্য অশ‌নিসং‌কেত: ইসি মাহবুব

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার ভোটে অস্বাভা‌বিক কম ভোট পড়া গণতন্ত্রের জন্য অশ‌নিসং‌কেত: ইসি মাহবুব

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অস্বাভাবিক কম ভােট পড়া গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত হতে পারে বলে মনে করেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

ইসি মাহবুব তালুকদার বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে নির্বাচনােত্তর অবস্থা। সম্পর্কে আমার অভিমত জানতে চেয়েছেন কয়েকজন সাংবাদিক। এ বিষয়ে আমার অভিমত নিচে তুলে ধরা হলাে।

''বাংলাদেশে নির্বাচন ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যত কি? এই প্রশ্নের সামনে আমাদের দাঁড় করিয়েছে ঢাকার
দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। নির্বাচনবিমুখতা গণতন্ত্রহীনতার নামান্তর। এই নির্বাচনে ভােটের প্রতি জনগণের অনীহা দেখে মনে প্রশ্ন জাগে, জাতি কি ক্রমান্বয়ে গণতন্ত্রহীনতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? ভােটকেন্দ্রে বিরােধীপক্ষের দৃশ্যমান অনুপস্থিতি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তাই নির্বাচন প্রক্রিয়ার সংস্কার ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।''

তিনি আরও বলেন, তফসিল ঘােষণার পর থেকে নির্বাচন শেষ হওয়া পর্যন্ত যেভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে তাতে আচরণবিধি রাখা না-রাখা সমান। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযােগগুলাে যাচাইয়ের কোনাে লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়নি। আচরণবিধি না মানা এবং এ বিষয়ে ব্যবস্থা গৃহীত না হওয়া ফ্রি-স্টাইল নির্বাচনের উপাদান।

ইসি মাহবুব বলেন, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অস্বাভাবিক কম ভােট পড়া আমার কাছে স্বাভাবিক বলেই মনে হয়। এটা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত হতে পারে, কিন্তু এটাই বাস্তবচিত্র। জনগণ নির্বাচন বা ভােটের প্রতি নিরাসক্ত হলে নানা প্রকার ব্যাখ্যা বা অপব্যাখ্যা দিয়ে এই বাস্তব অবস্থার চিত্রটি খণ্ডন করা যাবে না।

''গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য কর্তৃত্ববাদী শাসনের প্রয়ােজন- কোনাে কোনাে বিজ্ঞজন এমন বক্তব্য
রেখেছেন। কিন্তু গণতন্ত্র আপন মহিমায় বিকশিত ও উদ্ভাসিত হতে পারে, যদি অবাঞ্ছিত উপায়ে তাকে বন্দী করা না হয়।''

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা ব্যর্থ হলে ক্ষমতা হস্তান্তরের স্বাভাবিক পথ রুদ্ধ হয়ে যায়, সেই অবস্থা কোনােভাবেই কাম্য নয়। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সকল রাজনৈতিক দল আলােচনার টেবিলেই নির্বাচন ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে পারে। তা না হলে অনিশ্চিত গন্তব্যের পথে পা বাড়াবে বাংলাদেশ।

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০৯:৫৭
আপডেট : ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১০:১০
প্রিন্ট করুন printer

জিতেও হার ৩ কাউন্সিলর প্রার্থীর, এমনটাই অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক

জিতেও হার ৩ কাউন্সিলর প্রার্থীর, এমনটাই অভিযোগ
আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আলমগীর

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে ফল জালিয়াতি করে ভোটে হারিয়ে দেয়ার অভিযোগ বাড়ছে। ভোটের সংখ্যা পাল্টে প্রতিপক্ষকে জিতিয়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দক্ষিণের ৩১ ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ড এবং উত্তর সিটির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে পাওয়া হিসাবে আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী জানতেন জিতেছেন ২৭ ভোটে। কিন্তু রাতে প্রকাশিত বেসরকারি ফলাফলে তিনি দেখেন টিফিন ক্যারিয়ার মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী জুবায়েদ আদেল এর কাছে হেরেছেন ২১০ ভোটে।

রবিবার রির্টার্নিং অফিসে গিয়ে কাগজপত্রসহ বিষয়টি জানান রির্টানিং কর্মকর্তাকে। পরে সন্ধ্যায় গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের ফলাফল স্থগিত করেন দক্ষিনের রিটার্নিং কর্মকর্তা।

একই সিটির ঠিক পাশের ৩২ নং ওয়ার্ডেও একই ধরণের ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে ওই ওয়ার্ডের ঠেলাগাড়ি প্রতীকের কাউন্সিলর প্রার্থী বিল্লাল শাহ জানান, ইভিএম এ ভোট হওয়ার পরও কেন্দ্রের ফলাফল ও ঘোষিত ফলাফলে ব্যাপক গড়মিল।

এ নিয়ে এ নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোন ফল না পাওয়ায় তিনি উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কারণ স্পষ্ট না করলেও ফল স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন।

ঝুড়ি মার্কায় প্রতিদ্বন্দিতা করা আলমগীর বলছেন, ইভিএমএর প্রিন্টেড কপির হিসেবে দক্ষিণ সিটির ৩১ নাম্বর ওয়ার্ডের আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়-২ পুরুষ কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ৪৩৯ ভোট। কিন্তু ফলাফলে দেখানো হয়েছে তিনি পেয়েছেন ২০২টি ভোট। অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইরোজ আহমেদের ঘুড়ি মার্কায় পড়েছে ৪৩৯ ভোট। আর ঘোষণাকৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী জুবায়েদ আদেলের টিফিন ক্যারিয়ার মার্কায় পড়ে ২২৬ ভোট। সূত্র: চ্যানেল ২৪।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর