শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫ আপডেট: ০০:২৪, শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫

যে বাড়িতে জন্ম কমলের

আবদুর রহমান টুলু
প্রিন্ট ভার্সন
যে বাড়িতে জন্ম কমলের

গ্রামের মানুষ তাঁকে কমল বলে ডাকতেন, প্রকৃত নাম জিয়াউর রহমান। বগুড়ার যে বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কমল সেই বাড়িটি কালের সাক্ষী হয়ে টিকে আছে। জেলার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীতে ১৩০ বছরের পুরোনো এ বাড়িটি এখন হতে পারে আগামী প্রজন্মের জন্য দেশের অন্যতম ইতিহাসসমৃদ্ধ মিউজিয়াম। বগুড়ার ইতিহাসে বহু বিশিষ্টজন জন্মগ্রহণ করেছেন। তাঁদের একজন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কমল। গ্রামীণ মাঠের সবুজ ধানের গোছার মতোই বেড়ে ওঠেন তিনি। গ্রামের আর দশজনের মতো বেড়ে উঠতে থাকা শিশুটির মনেও ছিল উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে জীবন ধারণ করা। বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রাজ্জাকুল আমিন রোকন তালুকদার জানান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দাদা ছিলেন পণ্ডিত কামাল উদ্দিন মণ্ডল। তিনি বাগবাড়ীতে এসে তৎকালীন জমিদার পরিবারের মেয়ে মিছিরুন নেছাকে বিয়ে করেন। পরে এখানেই সংসার শুরু করেন। তাঁদের ঘরে সাত ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম হয়। সাত ছেলের মধ্যে মনসুর রহমান পঞ্চম সন্তান। মনসুর রহমান এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জাহানারা বেগম রানীকে বিয়ে করেন। এ দম্পতির ঘরে ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান কমল। কমল নামটি জিয়াউর রহমানের পারিবারিক ডাকনাম।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পূর্বপুরুষরা ১৮৯৫ সালে বগুড়ায় দুই তলাবিশিষ্ট একটি পাকা বাড়ি নির্মাণ করেন। বাড়ির প্রবেশমুখে লেখা-জিয়াবাড়ী, বাগবাড়ী, বগুড়া। বাড়ির ভিতরে পশ্চিম পাশে একটি দোতলা পাকা ঘর। ওই পাকা ঘরের সম্মুখভাগেই বাড়ি নির্মাণের তারিখ লেখা ২২ শে আষাঢ় ১৩০২ সন, ১৮৯৫ সাল। বর্তমানে বাড়িটি দেখাশোনা করেন জিয়া পরিবারের আত্মীয় রোকেয়া তালুকদারসহ অন্যরা। প্রতি বছর বাড়িটির সংস্কার করা হয়। বর্তমানে ঘরের ভিতরে শহীদ জিয়ার আমলের একটি খাট, ড্রেসিং টেবিলসহ সামান্য কিছু আসবাবপত্র রয়েছে। এ ছাড়া জিয়াউর রহমান যে খাটে ঘুমাতেন, সে খাটের সঙ্গে বোতাম সেট করা মশারি, জমিদার আমলের কাচের গ্লাস অনেক আগেই চট্টগ্রাম মিউজিয়ামে রাখা হয়েছে। বাড়িটিতে রয়েছে একটি বিশেষ কক্ষ। সে কক্ষে রাখা হতো নিরাপত্তার জন্য দামি জিনিসপত্র। ঘরটির পেছনে ঘাটসহ একটি পুকুর, বাড়ির সামনের অংশে বড় পরিসরের খোলা জায়গা। জিয়াবাড়ীর পুব পাশে সরোবর খালটি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকাকালে এলাকার কৃষিজমিতে সেচের জন্য খনন করেছিলেন। বর্তমানে বাড়িটি দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছেন মোছা. লতা বেগম। তিনি পুরো বাড়িটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নসহ সবকিছু দেখভাল করছেন।

বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ভিপি সাইফুল ইসলাম জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গণমানুষের জন্য কাজ করেছেন। দেশের প্রতিটি পরিবারকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। জিয়াউর রহমানই প্রথম  দেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেন। খাল খনন, কৃষি চাষে ফসল বৃদ্ধি, বৃক্ষরোপণ, বিভিন্ন উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা; উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরনির্ভরশীলতা কমানো; আয়ের সুষম বণ্টন; জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমিয়ে আনা; স্বেচ্ছাশ্রমে দেশের বহুমুখী উন্নয়ন করেছিলেন তিনি। সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকারি সহায়তার সমন্বয় করে ১ হাজার ৪০০ খাল খনন করেছিলেন এই নেতা। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকাকালে বগুড়ার আকাশ থেকে হেলিকপ্টারযোগে লিফলেট বিতরণ করেছিলেন।  সেই লিফলেটে লেখা ছিল ইরি ধান চাষ, সেচব্যবস্থা চালু ও প্রচুর গাছ লাগানোর কথা। ওই লিফলেট অনুসরণ করেই বগুড়া অঞ্চলে প্রথম শ্যালো মেশিন দিয়ে জমিতে সেচব্যবস্থা চালু হয়। জিয়াউর রহমান সাধারণ মানুষের উন্নয়নের কথা বলতেন। সে কারণে অন্য সাধারণ মানুষের মতোই স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রয়েছে এ বিড়িটি।

এই বিভাগের আরও খবর
প্লাস্টিক বোতলজাত পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি
প্লাস্টিক বোতলজাত পানিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি
মানসম্পন্ন চিকিৎসা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি
মানসম্পন্ন চিকিৎসা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি
স্বাভাবিক সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করছে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
স্বাভাবিক সন্তান প্রসবে উৎসাহিত করছে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
আলো ছড়াচ্ছে রোগীর সেবায়
আলো ছড়াচ্ছে রোগীর সেবায়
এক নীরব ব্যথার গল্প হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিস
এক নীরব ব্যথার গল্প হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিস
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
সেবা দিয়ে মানুষের পাশে আছি
সেবা দিয়ে মানুষের পাশে আছি
আধুনিক চিকিৎসাসেবাই মূল লক্ষ্য
আধুনিক চিকিৎসাসেবাই মূল লক্ষ্য
মানুষের আস্থা অর্জনই আমাদের লক্ষ্য
মানুষের আস্থা অর্জনই আমাদের লক্ষ্য
বেসরকারি হাসপাতালকে প্রণোদনা দিতে হবে
বেসরকারি হাসপাতালকে প্রণোদনা দিতে হবে
হৃদ্‌রোগ চিকিৎসায় অত্যাধুনিক সেবা
হৃদ্‌রোগ চিকিৎসায় অত্যাধুনিক সেবা
মশার বিরুদ্ধে কার্যকর একটি আধুনিক সমাধান
মশার বিরুদ্ধে কার্যকর একটি আধুনিক সমাধান
সর্বশেষ খবর
দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক
দেশে প্রথম সবুজ জ্বালানির ব্যবহারে ডেটা সেন্টার চালু করল বাংলালিংক

এই মাত্র | কর্পোরেট কর্নার

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৫৬৮

২৩ সেকেন্ড আগে | ডেঙ্গু আপডেট

সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা
সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন
কম্বাইন্ড ডিগ্রির দাবিতে পবিপ্রবি’র বরিশাল ক্যাম্পাস শাটডাউন

৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু
চার ঘণ্টা পর ঢাকা-ময়মনসিংহে ট্রেন চলাচল শুরু

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন
চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

১১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?
গ্রিসে আবিষ্কৃত রহস্যময় খুলি মানবজাতির নয়, বিলুপ্ত প্রজাতির?

১৪ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০
সাদুল্লাপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন
সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১২৯০ জন

১৭ মিনিট আগে | জাতীয়

পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে
পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে শুভসংঘের সচেতনতা সভা স্বরূপকাঠিতে

১৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১
চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস
প্রথম ম্যাচ হারলেও সিরিজ জিততে চায় নেদারল্যান্ডস

২৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড
মাদক মামলায় অটোচালকের যাবজ্জীবন, অস্ত্র মামলায় যুবকের ১০ বছর কারাদণ্ড

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’
‘জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে’

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশে ভোটার ১২ কোটি ৬৩ লাখ
দেশে ভোটার ১২ কোটি ৬৩ লাখ

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

মোংলা-খুলনা জাতীয় মহাসড়ক এখন মৃত্যু ফাঁদ!
মোংলা-খুলনা জাতীয় মহাসড়ক এখন মৃত্যু ফাঁদ!

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
মোংলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা
পূর্বাচলে হচ্ছে চার নতুন থানা

৪৩ মিনিট আগে | জাতীয়

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৪৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

একটি গোষ্ঠী সু-কৌশলে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে : দুদু
একটি গোষ্ঠী সু-কৌশলে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে : দুদু

৪৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

অটোরিকশা চালককে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২
অটোরিকশা চালককে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার
কুমিল্লায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় অপু গ্রেফতার

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

বাংলাদেশ হচ্ছে একটা এক্সিডেন্টের ডিপো: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
বাংলাদেশ হচ্ছে একটা এক্সিডেন্টের ডিপো: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

বিক্ষোভের মুখে চীন সফর বাতিল করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট
বিক্ষোভের মুখে চীন সফর বাতিল করলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবন, জেলে ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রাণচাঞ্চল্য
তিন মাস পর খুলছে সুন্দরবন, জেলে ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের প্রাণচাঞ্চল্য

১ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

নাটোরে চোর সন্দেহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের
নাটোরে চোর সন্দেহে সংঘবদ্ধ পিটুনিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
চবি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নির্ভর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নির্ভর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য সকল শ্রেণির অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ: ইসি সানাউল্লাহ
অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের জন্য সকল শ্রেণির অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ: ইসি সানাউল্লাহ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল
এবার নির্বাচন করছি আমি: তামিম ইকবাল

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা
হাসনাত আবদুল্লাহর জন্য উপহার পাঠালেন রুমিন ফারহানা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা
বিমানবন্দর সড়কের ৭ অংশে রবিবার চালু হচ্ছে সিগন্যাল ব্যবস্থা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো
স্বর্ণের দাম আরও বাড়লো

১৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন
রাকসু নির্বাচন ঘিরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী
ছেলের জন্মদিনের উপহার নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যা করল স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ
মধ্যরাতে চবি এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষ

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫
মাকে অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-বউসহ আটক ৫

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা
ভ্রমণবিলাসী সাইফুজ্জামান পাচার করেছেন ৬২০০ কোটি টাকা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ
২ হাজার ট্রেইনি কনস্টেবল নিয়োগ দিতে যাচ্ছে পুলিশ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
ভারত সফরের পরিকল্পনা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত
গাজা যুদ্ধে ৯০০ ইসরায়েলি সেনা নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
চীনে পৌঁছেছেন পুতিন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর
ফেব্রুয়ারির আগেই হাসিনার বিচার দেখতে পাবে দেশবাসী : চিফ প্রসিকিউটর

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির বৈঠকের সময় পরিবর্তন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি
ছেলের সঙ্গে মারামারি গড়াল ডিএনএ পরীক্ষায়, জানলেন সন্তানদের বাবা নন তিনি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা
নেদারল্যান্ডসকে হেসেখেলে হারাল টাইগাররা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি
রামদা দিয়ে কুপিয়ে ছাদ থেকে দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দিল 'স্থানীয়রা', উত্তপ্ত চবি

৩৯ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে
ওষুধে কমিশন বাণিজ্যের দুঃসহ বোঝা রোগীর ঘাড়ে

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ
এনআইডি সংশোধন আবেদন বাতিল হওয়াদের ফের সুযোগ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ
১৫ সেকেন্ডে হৃদ্‌রোগ শনাক্ত করবে এআই স্টেথোস্কোপ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ৩ দলের বৈঠক আজ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব
আলমারিবন্দি সম্পদের হিসাব

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত
সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার সিদ্ধান্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের
আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি প্রাথমিক শিক্ষকদের

পেছনের পৃষ্ঠা

কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ
কিংবদন্তি ফেদেরারকে ছাড়িয়ে জকোভিচ

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন
বিনিয়োগ চাঙা করতে দরকার ভালো নির্বাচন

প্রথম পৃষ্ঠা

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন