দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বেসরকারি হাসপাতালগুলো সরকারের পাশাপাশি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও বিপুল পরিমাণ মানুষ চিকিৎসা নিতে বিদেশে যায়। এর কারণ হিসেবে দেখা যায় পর্যাপ্ত হাসপাতালের অভাব, বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অভাব, আধুনিক চিকিৎসার অভাব এবং পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যসেবার অভাব। এ অভাব পূরণে বেসরকারি হাসপাতাল কাজ করছে। ১৮ কোটি মানুষের স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা শুধু সরকার পূরণ করতে পারবে এটা সম্ভব নয়। সবাই মিলে চেষ্টা করলে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। আলোক হাসপাতাল ধনীদের পাশাপাশি দুস্থদের কম মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করছে। ধনী-গরিব সবার জন্য বিশ্বমানের টেস্ট রিপোর্টসহ হাসপাতাল সেবা প্রদান করছে এবং দিনদিন মানুষের আস্থা অর্জন করছে।
আমাদের হাসপাতালে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, হাসপাতাল সেবা, অপারেশন, বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা, আইসিইউ, এনআইসিইউ সেবা, নরমাল ডেলিভারি সেবা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ব্লাড ব্যাংক, ডায়ালাইসিস, ডেন্টাল কেয়ার, ফিজিওথেরাপি ও ফার্মেসি সেবা প্রদান করা হচ্ছে। আমাদের দেশে বর্তমানে অনেকে ইনফার্টিলিটির সমস্যায় ভুগছেন। এজন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আরও নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হচ্ছে আমাদের হাসপাতালে। আগে আমরা শুধু ডায়াগনস্টিক ও কনসালট্যান্ট সেবা প্রদান করতাম। পরে দেখলাম বেসরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত হাসপাতাল সেবা নেই। সেই উপলব্ধি থেকে ২০১৭ সালে হাসপাতাল চালু করেছি। হাসপাতালে সেবা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি। এখন আলোক হাসপাতাল ও আলোক মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার এবং আলোক ফাউন্ডেশন হাসপাতাল (ঘাটাইল, টাঙ্গাইল) পরিচালনা করছি। সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা ইমারজেন্সি সেবা, অপারেশন, হাসপাতাল সেবাসহ আইসিইউ, এনআইসিইউ, ব্লাড ব্যাংক, ডায়ালাইসিস, স্পেশালিস্ট ডাক্তার, ইইসিপি, ডেন্টাল কেয়ার, ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন সেবা প্রদান করা হয়। বর্তমানে ২ শতাধিক ডাক্তার, ১ হাজার ৫০০ স্টাফ এখানে সেবা দিচ্ছেন। ১০০ থেকে ১২০ জন রোগী ভর্তি থাকেন হাসপাতালে। আধুনিক পরীক্ষানিরীক্ষাসহ অপারেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। ভালো ব্যবহার আলোক হেলথকেয়ার অ্যান্ড হাসপাতালের প্রধান লক্ষণীয় বিষয়। আলোক ধনী-দরিদ্র সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করছে।