শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৫ এপ্রিল, ২০১৮ ২৩:২৫

ঘরের মাঠে আবাহনীর হোঁচট

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ঘরের মাঠে আবাহনীর হোঁচট
Google News

ইশ! গোলটা যদি হতো! এএফসি কাপের গ্রুপপর্বে ভারতীয় ক্লাব আইজলের বিপক্ষে ফিরতি লেগের ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ঢাকা আবাহনী। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দারুণ একটা গোল করেছিলেন সানডে। গ্যালারির গুটি কয়েক দর্শক আর আবাহনীর ফুটবলাররা সম্ভাব্য জয়ের আনন্দে লাফিয়ে উঠার আগেই ফিলিস্তিনি সহকারী রেফারি পতাকা উঁচিয়ে অফ সাইডের সংকেত দিয়ে সব ভণ্ডুল করে দিলেন। এরও আগে ম্যাচের প্রথমার্ধে (৩১) পেনাল্টি থেকে মাটি গড়ানো ধীর গতির ধুরন্ধর শটে গোল করে এমেকা আবাহনীকে এগিয়ে দিয়েছিলেন। ভারতীয় ক্লাব আইজলকে ৬৫ মিনিটে সমতায় ফেরান আন্দ্রে লুনেস্কু। আবাহনী ডিফেন্সের ভুল বুঝাবুঝির মধ্যে ভিড়ের ফাঁক ফোঁকর গলেই গোলটা করেন তিনি। ১-১ গোলের সমতা আর দূর করতে পারেনি সাইফুল বারী টিটুর দল। ইয়ুথ অলিম্পিক হকির বাছাইপর্বে যুবারা জিতেছে ১০-৪ গোলে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে। ভলিবলেও কিরগিজস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। গতকাল আবাহনী জিতলেই ষোলকলা পূর্ণ হতো। তা আর হলো না।

ঘরের মাঠে আবাহনীর কাছে ৩-০ গোলে হেরে যাওয়া আইজল গতকাল ম্যাচের শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিল। উদ্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে যে কোনো বাধা অপসারণের জন্য প্রস্তুত ছিল তারা। এতে প্রতিপক্ষকে অন্যায়ভাবে আঘাত করতে হলেও পিছপা হয়নি। এই কারণেই আবাহনীর বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে মাঠেই চিকিৎসা নিতে হয়েছে। শেষটায় পরিস্থিতি এমন দাঁড়াল যে আবাহনীর মিডফিল্ডার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং আইজলের ডিফেন্ডার ভ্যালপুইয়ার মধ্যে হাতাহাতিই বেঁধে যায়। জড়িয়ে পড়ে দুই দলের ফুটবলাররা। দুই প্রান্ত থেকে গোলরক্ষকদ্বয় এসেও জড়িয়ে পড়েন এই লড়াইয়ে। ফিলিস্তিনি রেফারি বারাআ কামাল আবু আসেহ বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় ঘনঘন বাঁশিতে ফু দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আতিকুর এবং ভ্যালপুইয়া দুজনকেই হলুদ কার্ড দিয়ে সতর্ক করেন।