Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২৩:১৫

বসুন্ধরা কিংসের শীর্ষে ফেরার ম্যাচ আজ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বসুন্ধরা কিংসের শীর্ষে ফেরার ম্যাচ আজ

দুর্বার বসুন্ধরা কিংসের সামনে দুর্বল টিম বিজেএমসি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে আজ দুদল মুখোমুখি হচ্ছে। নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বিকাল ৩টায়। এখন পর্যন্ত বসুন্ধরা কিংস কোনো ম্যাচেই হোঁচট খায়নি। পাঁচ ম্যাচের সবকটিতে জয় পেয়েছে তারা। অন্যদিকে বিজেএমসি জয়ের খাতায় নাম তুলতে পারেনি। কিংস যেখানে শিরোপার পথে হাঁটছে, বিজেএমসি সেখানে রেলিগেশনের শঙ্কায়- এমন পার্থক্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে দল হিসেবে নবাগত বসুন্ধরা কিংস কতটা শক্তিশালী।

ঢাকা আবাহনী সাত ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে সবার উপরে থাকলেও আজ জিতলে এক ম্যাচ কম খেলে শীর্ষে উঠে যাবে বসুন্ধরা কিংস। তবে এখানে গোল ব্যবধানেরও গুরুত্ব রয়েছে। নোয়াখালী শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম টিম বিজেএমসির নিজস্ব ভেন্যু। তবু শক্তির বিচারে কিংসের কাছে তাদের পাত্তা পাওয়ার কথা নয়। বিজেএমসিকে গোলের বন্যায় ভাসিয়ে দিলেও তা হবে স্বাভাবিক ঘটনা। বসুন্ধরা কিংসের আক্রমণ সামাল দেওয়ার মতো ডিফেন্ডার তাদের নেই। জয় নিয়ে মাঠ ছাড়বে বিজেএমসির সেই সামর্থ্য কি আছে? এক সময় দলটি ছিল অপ্রতিরোধ্য। পূর্ব পাকিস্তান আমলে যখন ইপিআইডিসি নাম ছিল তখন দুই বার লিগ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে তাদের। স্বাধীনতার পর ঢাকা প্রথম বিভাগ লিগে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব ইপিআইডিসির নাম বদলে যাওয়া বিজেএমসির। আরও একবার লিগ জয় ১৯৭৯ সালে।

সেই সোনালি দিনের বিজেএমসি এখন অতীত স্মৃতিই বলা যায়। প্রায় হারিয়ে যাওয়া দলটির টিম বিজেএমসি নামে পেশাদার লিগে সরাসরি আগমন ঘটে ২০১১ সালে। ফেডারেশন কাপে একবার রানার্সআপ ছাড়া বড় কোনো সাফল্য নেই। মাঝে মধ্যমানের দল গড়লেও এখন তারও দেখা মিলছে না। যেখানে বিশ্বকাপ খেলা ড্যানিয়েল কলিনড্রেস, ভিনিয়াস মার্কোস, বখতিয়ারের মতো উঁচুমানের বিদেশি খেলোয়াড় কিংবা মতিন মিঞা, নাসির, সুফিল, জনিদের মতো স্থানীয় তারকা খেলোয়াড় রয়েছেন সেই অপ্রতিরোধ্য দলটির সামনে বিজেএমসি কতটা সুবিধা করতে পারবে সেটাই বড় প্রশ্ন।

আজকের ম্যাচে পরিষ্কার ফেবারিট বসুন্ধরা কিংস। সব কিছুই অনুকূলে তাদের। তবুও ফুটবলে নিশ্চিত বলে কোনো কথা নেই। পচা শামুকেও অনেক সময় পা কেটে যায়। এক্ষেত্রে নীলফামারীর এক ম্যাচের উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। বসুন্ধরা কিংস এবার নিজ ভেন্যু শেখ কামাল স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন আবাহনীকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে। সেখানে কিনা একই ভেন্যুতে অপেক্ষাকৃত দুর্বল রহমতগঞ্জের বিপক্ষে জয় পেয়েছিল পেনাল্টি গোলে।

ফুটবলে কখন কি ঘটে বলা মুশকিল। কিংসের কোচ অস্কার ব্রুজোনও বলেছেন শিরোপার জন্য লিগের প্রতিটি ম্যাচই ফাইনাল। এখানে সবাইকে গুরুত্ব দিয়ে লড়তে হবে। তাছাড়া আজকের ম্যাচে শুধু জিতলেই চলবে না শীর্ষে থাকতে হলে গোলের ব্যবধানটা বাড়াতে হবে। কেননা ব্রাদার্সকে ৪ গোলে হারিয়ে আবাহনী গোলের ব্যবধানটা বাড়িয়ে নিয়েছে। আবাহনী গোল দিয়েছে ১৬টি খেয়েছে ৬টি অর্থাৎ +১০। অন্যদিকে বসুন্ধরা কিংস প্রতিপক্ষের জালে ১০ গোল দিলেও হজম করেছে মাত্র ১টি অর্থাৎ +০৯। আজকের ম্যাচে কিংসকে অন্তত ২-০ গোলে জিততে হবে।


আপনার মন্তব্য