শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:০৯, বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০ আপডেট:

খবর আনন্দবাজারের

মঙ্গলের আকাশ ভরে যাবে পৃথিবী থেকে পাঠানো ড্রোন-কপ্টারে, জানাল নাসা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
মঙ্গলের আকাশ ভরে যাবে পৃথিবী থেকে পাঠানো ড্রোন-কপ্টারে, জানাল নাসা

আর কয়েক বছরের মধ্যেই মঙ্গলের আকাশ ভরে যাবে পৃথিবী থেকে পাঠানো অসংখ্য ড্রোনে। অন্তত ৫ থেকে ২০ কিলোগ্রাম ওজনের। না, অস্ত্র ফেলার জন্য নয়। কোথায় কী আছে? কোনও এলাকার আদতে উচ্চতা কত, কোথাও কোনও গহ্বর আছে কি না, লাল গ্রহের বিশাল এলাকাজুড়ে তার নজরদারি চালানোর জন্য। সেই ড্রোন থেকে মঙ্গলের বুকে নামা মহাকাশচারীদের জন্য ছুড়ে দেওয়া হবে গবেষণার নানা উপকরণ। অত্যাধুনিক যন্ত্রাদিও।

এবার নাসার পাঠানো সর্বাধুনিক রোভার ‘পারসিভের‌্যান্স’-এর সঙ্গে লাল গ্রহের উদ্দেশে পাড়ি জমিয়েছে ‘ইনজেনুইটি’ নামে যে হেলিকপ্টার, তার মূল কর্ণধার চিফ ইঞ্জিনিয়ার জে বব বলরাম এ কথা জানিয়েছেন। পাসাডেনায় নাসার জেট প্রোপালসন ল্যাবরেটরি (জেপিএল) থেকে আনন্দবাজারকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে।

তিনি বলেন, ‘না এটা আর কোনও স্বপ্নের পর্যায়ে নেই। বাস্তবের দোড়গোড়ায় পৌঁছে গেছে। সেই লক্ষ্যে এবার প্রথম কোনও হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে মঙ্গলে। যা ওড়ানো হবে লাল গ্রহের আকাশে। পৃথিবীর বাইরে এই প্রথম হেলিকপ্টার ওড়ানো হবে অন্য কোনও গ্রহে। সফল হলে শনি, বৃহস্পতির চাঁদেও ওড়ানো হবে হেলিকপ্টার, ড্রোন  প্রাণের চিহ্ন খুঁজতে। আর সেগুলোর আকার হবে অনেক বড়। হবে অনেক ভারিও। এবার যে হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে, ওজনে হবে তার ৩ গুণ থেকে প্রায় সাড়ে ৫ গুণ। ১১ থেকে ২২ পাউন্ড ওজনের।’

সেভেন সেকেন্ডস অব টেরর!

নাসার পাঠানো ২০২০ রোভার পারসিভের‌্যান্স লাল গ্রহের ‘জেজেরো ক্রেটারে’ পা ছোঁয়ানোর আড়াই মাস পর তার শরীর থেকে বেরিয়ে আসবে বলরামের হাতে গড়া হেলিকপ্টার ইনজেনুইটি। তার পরের এক মাসে মোট পাঁচবার মঙ্গলের আকাশে উড়বে সেই হেলিকপ্টার। প্রতিবার দেড় মিনিটের জন্য। লাল গ্রহের পিঠ থেকে তা উড়বে সর্বাধিক ১০০ মিটার উচ্চতায়।

বলরাম বলেন, ‘‘পৃথিবী থেকে কোনও গ্রহ বা উপগ্রহে পৌঁছানোর পর মূলত তিনটি জিনিস হয়ে ওঠে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এন্ট্রি। সেই গ্রহ বা উপগ্রহের কক্ষপথে ঢুকে পড়া। দ্বিতীয়টি হলো, ডিসেন্ট। ধীরে ধীরে গতিবেগ কমিয়ে সেই গ্রহে বা উপগ্রহে নেমে আসা। আর শেষমেশ যেটি দরকার তা হলো, নিখুঁত ল্যান্ডিং। একেবারে ‘ফেদার টাচ’-এর মতো। যাতে অক্ষত ও সক্রিয় থাকতে পারে রোভার। এটাকেই আমরা বলি ‘সেভেন মিনিট্‌স অব টেরর’। এই সময়েই সব স্বপ্ন চুরচুর করে ভেঙে যেতে পারে। আমাদের হেলিকপ্টারের রোভার থেকে বেরিয়ে ওড়া পর্যন্ত লাগবে ঠিক ৭ সেকেন্ড। এটাকে আমরা বলছি ‘সেকেন্ড সেকেন্ডস অব টেরর’। এবার আমাদের মঙ্গল অভিযানে এই তিনটি বিষয়েরই অগ্নিপরীক্ষা হবে। যা আগামী দিনে লাল গ্রহে মানুষের সফল পদার্পণের রূপরেখা তৈরি করে দেবে।’’

এ বারের অভিযানে পাঠানো হেলিকপ্টার সফল হলে ২০৩২-এই শনির চাঁদ টাইটানে পাঠানো হবে আরও বড় আকারের হেলিকপ্টার। ‘ড্রাগনফ্লাই’। তার মডেল, নামকরণ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে ইতিমধ্যেই।

বায়ুই নেই প্রায়, উড়বে কীভাবে?

বলরামের কথায়, ‘বিজ্ঞান বলে, পৃথিবীতে ১ লাখ ফুট বা সাড়ে ৩০ হাজার মিটার উঁচুতে ওড়া আর মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলে ওড়াটা কার্যত একই রকমের। কিন্তু পৃথিবীতে তো হেলিকপ্টার ওড়ে তার সাত ভাগের এক ভাগ উচ্চতা পর্যন্ত। তার বেশি উচ্চতায় তো পৃথিবীতে হেলিকপ্টার ওড়ানোর প্রযুক্তি করায়ত্ত হয়নি আমাদের। তার উপর আবার মঙ্গলের হেলিকপ্টারের কয়েক কিলোগ্রাম ওজনও থাকতে হবে। তার মধ্যে ভারী ব্যাটারি থাকবে যে। থাকবে যে যোগাযোগের জন্য রেডিও। তাদের ওজনটাকে তো আর উড়িয়ে দেওয়া যাবে না!’

সেই ভাবনা থেকেই ইনজেনুইটি হেলিকপ্টার বানাল নাসা। যার মূল স্থপতি হলেন বলরাম। সেই হেলিকপ্টারের ওজন দাঁড়াল ১.৮ কিলোগ্রাম (৪ পাউন্ড)। যার মাথার উপরে রয়েছে দু’টি ব্লেড বা রোটর। প্রত্যেকটির ব্যাস ৪ ফুট বা ১.২ মিটার।

সমস্যা আরও ছিল। পৃথিবীতে সেই হেলিকপ্টার পরীক্ষামূলক ভাবে ওড়ানো হবে কোথায়? পৃথিবীর কোথাওই তো বায়ুমণ্ডল মঙ্গলের মতো অত পাতলা ফিনফিনে নয়।

‘‘শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলো ভ্যাকুয়াম চেম্বার আর জেপিএল-এ ২৫ ফুট লম্বা স্পেস সিম্যুলেশন চেম্বারে’’, বললেন বলরাম।

লোকে শুনলে হাসত, বলতো পাগল!

অন্য গ্রহে হেলিকপ্টার পাঠানোর স্বপ্ন দেখা শুরু হয়েছিল ৩১ বছর আগে। মাদ্রাজের ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি)’ থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে গ্র্যাজুয়েশনের পর বেঙ্গালুরু শহরের সন্তান বলরাম আমেরিকার ‘রেনস্‌লার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ থেকে মাস্টার্স এবং পিএইচডি করে তখন সবে কাজে যোগ দিয়েছেন নাসার জেট প্রোপালসন ল্যাবরেটরিতে। সেটা ১৯৮৫ সাল।

তখন থেকেই তার মাথায় ঘুরছে কী ভাবে ওড়া যায় মঙ্গলের আকাশে। আর ‘‘সেটা দু’এক জনকে বলতেই তাঁরা হো হো করে হেসে উঠছিলেন! বলছেন, এ আবার কি উদ্ভট ভাবনা! এটা কখনও সম্ভব হতে পারে? যত সব পাগলের কথাবার্তা!’’, বললেন বলরাম।

নাড়া দিল ইলান ক্রু-র বক্তৃতা

নাসার দু’টি এবং প্রযুক্তি সংক্রান্ত আরও পাঁচটি খেতাবজয়ী বলরাম বললেন, ‘‘তখন আমার একটা বছরও কাটেনি নাসায়। ওই সময় একটা বিজ্ঞান সম্মেলনে গিয়ে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইলান ক্রু-র একটি বক্তৃতা শুনি। তাতে তিনি পৃথিবীতে ওড়ানোর জন্য খুব ছোট হেলিকপ্টার বানানোর কথা বলছিলেন। নাম দিয়েছিলেন ‘মেসিকপ্টার’। সেটা শুনেই আমি ভাবতে শুরু করি, খুব ছোট হেলিকপ্টার তো মঙ্গলেও ও়ড়ানো যায়। শুধুই ভাবনা নয়। 

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সঙ্গে এ ব্যাপারে একটা গবেষণাপত্রও লিখে ফেলি। সেটা ১৯৯৯। হাতে কলমে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ক্যালিফোর্নিয়ার সিমি ভ্যালিতে ‘অ্যারোভায়রনমেন্ট’ নামে ছোট খাটো একটি সংস্থার সঙ্গে কথাবার্তাও হয়ে যায়। তাতে ঠিক হয় ৯ ইঞ্চির ‘রোটর’ থাকবে সেই হেলিকপ্টারে। কিন্তু নাসার অর্থবরাদ্দের অভাবে সেই কাজ বেশি দূর এগোতে পারেনি। কাজটা থমকে যায় টানা ১৫ বছর।’’

ভেবেছিলেন এক বাঙালিও

বলরাম জানান, প্রায় একই সময়ে এমন ভাবনা এসেছিল আমার মতোই কলকাতার এক বঙ্গসন্তানের মাথাতেও। অনুভব দত্ত। তিনি এখন মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যারোডায়নামিক্স ও অ্যারোইলেকট্রিসিটি বিভাগের অধ্যাপক।

স্বপ্নপূরণের তিন জাদুকর। চার্লস এলাচি (বাঁ দিক থেকে), জে বব বলরাম ও অনুভব দত্ত।

বলরাম অবশ্য স্বীকার করলেন, পরে খবরা-খবর নিয়ে জানতে পারেন আমেরিকায় এমন চিন্তা-ভাবনা জনাকয়েক বিজ্ঞানীর মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল সেই ছয়ের দশক থেকেই। যখন চাঁদে একের পর এক ‘অ্যাপোলো মিশন’ পাঠানোর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলেছে নাসা। বেঙ্গালুরুতে বলরামের তখন আক্ষরিক অর্থেই শৈশব।

মামাবাড়ি, ঢাউস খাম, শিশু বলরাম

বলরামের শোনানো গল্পের বাকি অংশটুকুর নির্যাসটা এবার তুলে ধরছি। অ্যাপোলো অভিযানের সূত্রে নাসার নামটা তখন গোটা বিশ্বে রটে গেছে। পৌঁছেছে বেঙ্গালুরুতেও। সেখানেই তো আমাদের ইসরোর সদর দফতর। বলরামের মামা খুব কৌতূহলী হয়ে উঠলেন নাসা আর তার বিভিন্ন মহাকাশ অভিযান সম্পর্কে জানার জন্য। সরাসরি চিঠি লিখলেন বেঙ্গালুরুতে মার্কিন কনস্যুলেটে। তার জবাবে দিনকয়েকের মধ্যেই বলরামের মামাবাড়িতে এসে পৌঁছল ঢাউস একটা খাম। যার মধ্যে ছিল নাসার বিভিন্ন অভিযান সম্পর্কে অত্যন্ত ঝকঝকে অনেক বুকলেট। পুস্তিকা।

সেই সব বই দেখেই মাথা ঘুরে গিয়েছিল শিশু বলরামের। তার পর ফের নাসা আর তার মহাকাশ অভিযান সম্পর্কে বলরামের আগ্রহ জাগে চাঁদে যখন মানুষ প্রথম পদক্ষেপ করল। চাঁদের মাটিতে হাঁটলেন তিন মার্কিন মহাকাশচারী। সেই রোমাঞ্চকর ঘটনার কথা রেডিওতে শুনেছিলেন বলরাম।

সেই বলরামের স্বপ্ন নাসার অর্থবরাদ্দের অভাবে প্রায় ভেস্তেই যেতে বসেছিল। টানা ১৫ বছর কেউ সে দিকে নজর দেওয়ার কথা ভাবেননি। 

১৫ বছর পর ধুলোটুলো ঝেড়ে...

বলরাম বললেন, ‘সেটা ২০১৪। আমাদের জেপিএল-এর অধিকর্তা তখন চার্লস এলাচি। তিনি পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সেমিনারে গিয়েছিলেন ওই সময়। সেখানে ছোট ছোট ড্রোন ও হেলিকপ্টারের নিত্যনতুন ব্যবহারের ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। সেই সব এলাচির বেশ ভাল লেগেছিল। জেপিএল-এ ফিরেই তিনি আলোচনা করতে শুরু করেন মঙ্গলে এমন কিছু কি পাঠানো সম্ভব? তখন আমারই এক সতীর্থ এলাচিকে বলেন, অনেক বছর আগে এমন ভাবনাই ভেবেছিলেন বলরাম। তা শুনে এলাচি আমাকে ডেকে পাঠান। মার্স ২০২০ রোভারে কী কী পাঠানো যেতে পারে তা নিয়ে নতুন একটি গবেষণাপত্র আমাকে লিখে ফেলতে বলেন এলাচি। সময় দেন ১০ সপ্তাহ। আড়াই মাস। সেই শুরু। সতীর্থদের নিয়ে মাত্র ৮ সপ্তাহের মধ্যেই লিখে ফেলি সেই গবেষণাপত্র। তার পর কাজ এগিয়ে যায় অত্যন্ত দ্রুত গতিতে।’

বলরাম জানালেন, এই প্রথম ইনজেনুইটি নামে যে হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে লাল গ্রহে, স্বপ্ন দেখার শুরুতে সেই হেলিকপ্টারের আকার ও ওজন অনেকটাই কম ভাবা হয়েছিল। কারণ একটাই। মঙ্গলে বায়ুমণ্ডল প্রায় নেই বললেই চলে। সেখানকার বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব আমাদের বায়ুমণ্ডলের মাত্র ১ শতাংশ। বেশি ভারি ও আকার বড় হলে লাল গ্রহের অত্যন্ত পাতলা বায়ুমণ্ডলে সাঁতার কেটে কী ভাবেই বা উড়বে সেই হেলিকপ্টার? তেমন প্রযুক্তিও ছিল না তখন সভ্যতার হাতে। তাই ভাবা হয়েছিল সেই হেলিকপ্টারের আকার হবে বড়জোর আমাদের এক টাকার কয়েনের মতো। ওজনও তথৈবচ।

স্ত্রী স্যান্ডি চিফ মর‌্যাল অফিসার

এত কথা বললেন, কিন্তু কিছুতেই ভাঙতে চাইলেন না তার ‘জে বব বলরাম’ নামের গোড়ার অক্ষরটির রহস্য। শুধু বললেন, ‘‘জে আমার বাবার নামের আদ্যক্ষর। তবে আমেরিকায় এসে বব নামটি হয়েছে ভাববেন না যেন। বব আমার পারিবারিক মধ্য-নাম।’’

বলরামকে যেমন নাসার প্রায় সকলেই এখন ‘বব’ নামে ডাকেন, তেমনই সমান জনপ্রিয় তার স্ত্রী স্যান্ডি।

মঙ্গল, শনির আগামী দিনের উড়ান। এমন মডেলের কথাও ভেবে রেখেছে নাসা।

বলরাম বললেন, ‘‘উনি সব সময়েই আমাকে প্রেরণা জুগিয়েছেন। জুগিয়ে চলেছেন। তাই নাসায় ওঁকে সকলে ডাকে ‘সিএমও’ নামে। চিফ মর‌্যাল অফিসার আমার, আমাদের গোটা প্রকল্পেরও। আমার সহকর্মীদের জন্য রোজই নানা রকমের সুস্বাদু খাবারদাবার বানিয়ে দেন আমার স্ত্রী।’’

যা ভাল, তা স্বীকৃতি পায় দেরিতে, সেটাই ভালো...

তার নিজের ‘মর‌্যাল’টাও গোপন রাখেননি বলরাম।

সাক্ষাৎকারের একেবারে শেষ পর্বে পৌঁছে বললেন, ‘‘জানেন, ভালো কাজ, ভালো ভাবনা কখনও মরে যায় না। ছাইচাপা পড়ে না। তার স্বীকৃতি পেতে শুধু একটু বেশি সময় লাগে। সেটা খুব একটা চটজলদি হলে ভালো কাজ, ভাল ভাবনার গুরুত্বই থাকে না যে!’’

বলরাম যে নিজেও হারতে হারতেই জিতেছেন! শেষমেশ জয় হল বলরামেরই। পৃথিবীতে রাইট ভাইদের প্রথম উড়ানের একশো বছর পর ভারতের বলরামের জন্যই তো এই প্রথম সৌরমণ্ডলের আরও একটি গ্রহে উড়তে চলেছে সভ্যতার পাঠানো ৪ পাউন্ড ওজনের হেলিকপ্টার।

ভিন গ্রহে উড়ানের ‘জনক’ হিসাবেই ইতিহাসে জায়গা করে নিলেন বেঙ্গালুরুর বব বলরাম।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত

এই বিভাগের আরও খবর
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
নতুন ডেটা সেন্টার ও এআই প্রশিক্ষণে বড় পদক্ষেপ গুগলের
নতুন ডেটা সেন্টার ও এআই প্রশিক্ষণে বড় পদক্ষেপ গুগলের
ইন্টারনেট স্লো? যেসব স্থানে রাখা উচিত নয় রাউটার
ইন্টারনেট স্লো? যেসব স্থানে রাখা উচিত নয় রাউটার
শ্রেণিকক্ষে স্মার্টফোন আসক্তি কমাতে কঠোর ব্যবস্থা নিল দক্ষিণ কোরিয়া
শ্রেণিকক্ষে স্মার্টফোন আসক্তি কমাতে কঠোর ব্যবস্থা নিল দক্ষিণ কোরিয়া
নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে নির্গত নিউট্রিনো নিয়ে গবেষণা শুরু করেছে চীন
নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে নির্গত নিউট্রিনো নিয়ে গবেষণা শুরু করেছে চীন
একসঙ্গে একাধিক রিল যুক্ত করার ফিচার ইনস্টাগ্রামে
একসঙ্গে একাধিক রিল যুক্ত করার ফিচার ইনস্টাগ্রামে
আইফোন ১৭ উন্মাদনা আমিরাতে, অগ্রিম বুকিংয়ের হিড়িক
আইফোন ১৭ উন্মাদনা আমিরাতে, অগ্রিম বুকিংয়ের হিড়িক
অ্যান্ড্রয়েডের জন্য গুগল আনল ছয় ফিচার
অ্যান্ড্রয়েডের জন্য গুগল আনল ছয় ফিচার
কিশোরকে আত্মহত্যার পথ বাতলে দেয়ায়  চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে মামলা
কিশোরকে আত্মহত্যার পথ বাতলে দেয়ায় চ্যাটজিপিটির বিরুদ্ধে মামলা
আইফোন ১৭ নিয়ে যা জানা গেল
আইফোন ১৭ নিয়ে যা জানা গেল
ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা
ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা
সর্বশেষ খবর
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক
ভারতে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব
সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের মৃত্যুর গুজব

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৫৫ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন
নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন
আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন
চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ
সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার
ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার

৪ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন
ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি
নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে
মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ মূর্তি উদ্ধার
গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ মূর্তি উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেকদের অনুপ্রেরণায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে উদ্যোগ
সাবেকদের অনুপ্রেরণায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে উদ্যোগ

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে জুলাই যোদ্ধা স্মৃতিচারণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
বরিশালে জুলাই যোদ্ধা স্মৃতিচারণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাকসু নির্বাচনে নতুন তিনটি প্যানেলের আত্মপ্রকাশ
জাকসু নির্বাচনে নতুন তিনটি প্যানেলের আত্মপ্রকাশ

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রামে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
কুড়িগ্রামে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম, নিহত ১
সিলেটে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম, নিহত ১

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিললো ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকা

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক
জোয়াও ফেলিক্সের অভিষেকেই হ্যাটট্রিক

মাঠে ময়দানে

আভিজাত্যের সেই নাচঘর
আভিজাত্যের সেই নাচঘর

পেছনের পৃষ্ঠা

ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল
ছয় টেস্ট ক্রিকেটার নিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারল ‘এ’ দল

মাঠে ময়দানে

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে
বাংলাদেশ পাত্তাই দিল না নেদারল্যান্ডসকে

মাঠে ময়দানে

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না

নগর জীবন

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

দেশপ্রেমিক দলগুলোকে নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত
দেশপ্রেমিক দলগুলোকে নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

নগর জীবন

পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মোস্তফা কামাল সম্পাদক হাসান হাফিজ
পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মোস্তফা কামাল সম্পাদক হাসান হাফিজ

নগর জীবন

যুবাদের ইংল্যান্ড মিশনের দল ঘোষণা
যুবাদের ইংল্যান্ড মিশনের দল ঘোষণা

মাঠে ময়দানে