শিরোনাম
প্রকাশ : ১৪ মার্চ, ২০১৯ ১৫:১০
আপডেট : ১৪ মার্চ, ২০১৯ ২২:২৭

চাকসু নিবার্চনের প্রত্যাশা তথ্যমন্ত্রীর

চবি প্রতিনিধি

চাকসু নিবার্চনের প্রত্যাশা তথ্যমন্ত্রীর

আমি নিজেও ছাত্র জীবনে নানামুখী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলাম। ছাত্র জীবনই হলো রাজনীতির উৎকৃষ্টতম পাঠশালা। নেতৃত্ব বিকাশের অন্যতম মাধ্যম ছাত্র সংসদ। তাই ছাত্র সংসদের কোন বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি। 

প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, ডাকসু নির্বাচন যারা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলো, তারাও-তো ভিপিসহ অন্যান্য পদে জিতেছে। আমার প্রশ্ন, ডাকসুর নির্বাচন যদি সুষ্ঠু না হয়, তাহলে তারা জিতলো কীভাবে? চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও যেন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয় সে বিষয়ে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, আমি আজকে এ অবস্থায় আসতে পারতাম না যদি, স্কুল- কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা না থাকতো। এসব পর্যায় নেতৃত্ব বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি আয় প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার আর পাকিস্তানের ২৪ বিলিয়ন, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় প্রায় ১ হাজার ৮০০ ডলার আর পাকিনস্তানের ১ হাজার ৬৪০ ডলার। বাংলাদেশের গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৮ বছর সেখানে পাকিস্তানে ৬৮ বছর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সব সূচকে পাকিস্তান থেকে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। 

তিনি আরও বলেন, রসায়ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষকবৃন্দের নিরবিচ্ছিন্ন পাঠদান, জ্ঞান সৃজন ও বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে বিজ্ঞানের নব নব আবিস্কারে অবদান রাখছে। যা এ বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয় তথা দেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।
  
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নির্ধারণ করে গবেষণার উপর। আমেরিকার কর্নেল ইউনিভার্সিটিতে এতো গবেষণা হয়, সেখান থেকে এ পর্যন্ত ৩৪ জন নোবেল পুরস্কার পেয়েছে।’ আশির দশকে মালয়েশিয়ার ছাত্ররা আমাদের শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে পড়তে আসতো। এখন আমাদের ছেলেরা সেখানে পড়তে যায়। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে অনেক আগেই উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছতো বাংলাদেশ। এরপরও আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটাকে উন্নয়নের পথে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। 

উদ্বোধকের বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী বলেন, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সর্বোচ্চ উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ হাটি হাটি পা পা করে দীর্ঘ ৫০ বছর অতিক্রম করেছে। শুরু থেকে এ বিভাগে বহু জ্ঞানী-গুণী পন্ডিত শিক্ষক-গবেষকবৃন্দ তাঁদের মেধা, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে সৎ, দক্ষ, যোগ্য ও বিজ্ঞান মনস্ক আলোকিত মানবসম্পদ উৎপাদন করে চলেছে। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার, পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সাবেক মুখ্য সচিব মো. আবদুল করিম ও  বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সফিউল আলম।

 

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ 


আপনার মন্তব্য