Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর, ২০১৯ ১৩:০৯
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০১৯ ১৪:১৫

আবরার হত্যার প্রতিবাদে চতুর্থদিনের মতো উত্তাল বুয়েট

অনলাইন ডেস্ক

আবরার হত্যার প্রতিবাদে চতুর্থদিনের মতো উত্তাল বুয়েট

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যায় ক্ষোভের অনলে উত্তাল হয়ে উঠেছে সারা দেশের শিক্ষাঙ্গন। হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধকরণসহ কয়েক ১০ দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ করেছেন বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। খুনের মামলার চার্জশিট না হওয়া পর্যন্ত সব ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা। 

দাবি আদায়ে অনড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আজ বৃহস্পতিবারও আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। বেলা ১১টায় বুয়েট ক্যাম্পাসে শেরে বাংলা হলের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলের মধ্য দিয়ে চতুর্থ দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। বুধবার তৃতীয় দিনও বুয়েট ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন তারা। বুধবার থেকে উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের অপসারণের দাবি জানিয়ে আসছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনসহ বুয়েট সংশ্লিষ্ট অনেকেই। 

চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল শেরে বাংলা হলের প্রাধ্যক্ষ ড. জাফর ইকবাল খান পদত্যাগ করেছেন। বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শিক্ষক সমিতির সভায় প্রাধ্যক্ষ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

এদিকে, দিনভর বুয়েট শিক্ষার্থীরা ১০ দফা দাবি আদায়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। দুপুর ১২টার দিকে বকশিবাজার থেকে পলাশী মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ব্যারিকেড দিয়ে সড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে দুর্ভোগে পড়তে হয় সাধারণ যাত্রীদের। আবরার ফাহাদের বিভাগ তড়িত্ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক ও সহপাঠীরা সকালে মৌন মিছিল করেছেন। মিছিল শেষে বিভাগের অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘যে ছাত্ররাজনীতি মানুষ হত্যা করে, সেই রাজনীতি আমরা চাই না।’

আন্দোলনকারীরা আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটিতে রাজনৈতিক কার্যক্রমসহ সব ছাত্র সংগঠন স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধকরণের দাবি জানান। তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রমের জন্য অস্বস্তিতে থাকেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাই এ কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হোক। দাবি মানা না হলে বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। 

বিডি প্রতিদিন/এনায়েত করিম


আপনার মন্তব্য