শিরোনাম
প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৩:৫৩

রাবিতে 'অনশন' কর্মসূচির ৪৮ ঘণ্টা অতিবাহিত, অসুস্থ ৪২

রাবি প্রতিনিধি :

রাবিতে 'অনশন' কর্মসূচির ৪৮ ঘণ্টা অতিবাহিত, অসুস্থ ৪২

বিভাগের নাম পরিবর্তনের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পপুলেশন সায়েন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স  ডেভেলপমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থীদের আমরণ 'অনশন' কর্মসূচির ৪৮ ঘণ্টা অতিবাহিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪২ জন অসুস্থ হয়েছেন। 

এদের মধ্যে এনামুল হক নামে এক শিক্ষার্থীর অবস্থা গুরুতর বলে দাবি করছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। এই শিক্ষার্থী ছাড়াও এই মুহূর্তে রামেকে ভর্তি রয়েছেন আরও ৮ শিক্ষার্থী। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আবার 'অনশন ' কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন।

সূত্র জানায়, আজ তৃতীয়  দিনের মতো আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। 
এর আগে, গত বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ফলিত পরিসংখ্যান করার দাবিতে স্যার জগদীশচন্দ্র বসু ভবনের সামনে আমরণ অনশনে বসেন পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে উপাচার্য বৃহস্পতিবার ঢাকায় মিটিং স্থগিত করে ক্যাম্পাসে আসেন। এবং গতকাল একটার দিকে উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান অনশনস্থলে যান। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সোমবার জরুরি সভা ডেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আশ্বাস দিয়ে অনশন স্থগিতে অনুরোধ জানান।

শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপাচার্য ও সভাপতির লিখিত দেওয়া ছাড়া তারা তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। শুধুমাত্র মৌখিক প্রতিশ্রুতিতে তারা তাদের কর্মসূচি স্থগিত করবেন না।

এ সম্পর্কে ছাত্র উপদেষ্টা ড. লায়লা আরজুমান বানু বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান হচ্ছেন উপাচার্য স্যার।তাদের উচিত ছিল উপাচার্য স্যারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করা। শিক্ষার্থী উপাচার্য স্যারের কাছে লিখিত চেয়েছেন। আমি মনে করি স্যারের কাছে লিখিত চাওয়াটা অশালীনতা। যেখানে উপাচার্য স্যার ঢাকা থেকে জরুরি মিটিং বাদ দিয়ে তাদের সাথে দেখা করতে এসেছেন। তাদের অবশ্যই উচিত ছিল স্যারের উপর আস্থা রাখা। 

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর লুৎফর রহমান বলেন, সিনেট ভবনে আগামী ২ মার্চ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে প্রশাসন এই সম্পর্কে আলোচনা সভা করবে। আপাতত শিক্ষার্থীদের উচিত ভিসি স্যারের উপর আস্থা রাখা। আমার মনে হয়, শিক্ষার্থীরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। তাদের উচিত আন্দোলন স্থগিত করা। এটা কোন স্বল্প সময়ের বিষয় না। এটা  সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তাদের ধৈর্য ধরা উচিত। 

বিডি-প্রতিদিন/মাহবুব

 

 


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর