১০ জানুয়ারি, ২০২২ ২০:৪০

ঢামেকে ছাত্রলীগ ও কর্মচারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

ঢামেকে ছাত্রলীগ ও কর্মচারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও কলেজ ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় জনি নামের এক কর্মচারী আহত হয়েছে।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সোয়া ১২টা পর্যন্ত এই চলে এই ঘটনা।  

ঢামেকের একটি সূত্র জানা যায়, আগাম কর্মসূচি অনুযায়ী সোমবার কলেজে আউট সোর্সিংয়ে জনবল নিয়োগের টেন্ডার ড্রপ করার কথা ছিল। এর প্রতিবাদে সকাল ১০টায় ঢামেক হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে কলেজ অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করার কথা ছিল। বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে সেখানে পুলিশও মোতায়ন করা ছিলো। এ সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের কর্মসূচি পালন করছিলেন। এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের এক কর্মীর সাথে কর্মচারীদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। 

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অধ্যক্ষের কক্ষে কর্মচারীদের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল অধ্যক্ষের সাথে কথা বলে আউট সোর্সিং নিয়োগের বিষয়টি সুরাহা করে। এর কিছুক্ষণ পর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে কর্মচারীদের ধাওয়া দিয়ে হাসপাতাল প্রবেশ করে এবং ১০৮ ও ১০৯ নম্বর মহিলা ওয়ার্ডে ঢুকে এক কর্মচারীকে মারধর করে। এ সময় কর্মচারীরা ওয়ার্ডের কলাসিবল গেট বন্ধ করে ছাত্রলীগ নেতাদের অবরুদ্ধ করে। এ সময় ভিতর ও বাহিরে দুই পক্ষই স্লোগান দিতে থাকে। এতে হাসপাতালে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।  

পরে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. টিটো মিঞা ও হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ নাজমুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। 
এ বিষয়ে চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিন দাবি করেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে কলেজের সামনে প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়ার সময় সেখানে অবস্থানরত চতুর্থ শ্রেণির কিছু কর্মচারি তাদের উপর চড়াও হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তাদের আশ্বাস দিয়েছেন। 
কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. টিটো মিঞা বলেন, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিরা প্রিন্সিপালের কক্ষে আসতে চাচ্ছিলো। এরই মধ্যে আমাদের এক ছাত্রকে কর্মচারীরা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়, মারধরও করে। পরে বিষয়টি সবাই বসে সুরাহা করা হয়। এরপরে এক কর্মচারিকে মারধর করা হয়, সেখানে আমাদের ছাত্ররাও ছিলো। এরপরে কর্মচারীদের অনেকে এসে ছাত্রদের ধাওয়া দিয়ে একটি ওয়ার্ডে অবরুদ্ধ করে দেয়। পরে পরিচালকসহ সবাই মিলে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি আলোচনার মাধ্যমেই সমাধা করা হয়েছে। তবুও কারও অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর