শিরোনাম
১৯ জুলাই, ২০২২ ২০:৫৯

আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতায় ঘাটতি নেই : শিক্ষামন্ত্রী

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতায় ঘাটতি নেই : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমাদের সব বিদ্যুৎ তৈরির সক্ষমতা তৈরি হয়ে গেছে। কিন্তু বিশ্বে জ্বালানি তেলের অতি উচ্চ মূল্যের কারণে আমরা সাশ্রয়ী হচ্ছি। আমাদের সক্ষমতায় ঘাটতি নেই, তেল কিনতে পারা সক্ষমতাও আছে। কিন্তু এই মুহূর্তে সেটি করতে গেলে দেশের অর্থনীতিকে ভবিষ্যতে যাতে কোনো ঝুঁকির মুখে পড়তে না হয়, সেজন্য আমাদের সাশ্রয়ী হতে হবে। 

মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘কারাবন্দী দিবস’ উপলক্ষ্যে ছাত্রলীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। 

সংগঠনের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। 

সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই যেদিন বঙ্গবন্ধুকন্যাকে গ্রেফতার করা হয়, ১১ মাস নির্জন কারাবাসে রাখা হয়। সেই সময় তিনি নিজেই বলেছিলেন, পঁচাত্তরের অসমাপ্ত কাজকে সমাপ্ত করতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। হত্যার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, শুধু শারিরীকভাবেই নয়, রাজনৈতিকভাবেও। তাকে যখন গ্রেফতার করা হয়, তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদী মিছিল হয়েছে। সেই মিছিলের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই।  

ডা. দীপু মনি বলেন, আমরা এখন শিক্ষার সকল স্তরে পরিবর্তন বা সংস্কারের কথা বলছি না। আমরা এখন রূপান্তরের কথা বলছি। ধর্মের ধুয়া তুলে যারা সাম্প্রদায়িকতাকে উস্কে দেয়, তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে যে ধর্মশিক্ষা বাদ দেওয়া হয়েছে। এটা চূড়ান্ত রকমের মিথ্যা কথা। মিথ্যাবাদীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা হচ্ছে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সামাজিক মাধ্যমে এর মোকাবেলা করার আহ্বান জানান তিনি। 

বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ফখরুদ্দীন, মঈনুদ্দিনসহ দেশি-বিদেশি অপশক্তি সেদিন শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করেছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশে দীর্ঘস্থায়ী অগণতান্ত্রিক শাসন, শোষণ নিপীড়নের মধ্যদিয়ে একটি গোষ্ঠির স্বার্থ হাসিল করা। এর মূলে ছিল বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা। এদের সাথে হাত মিলিয়েছিল আওয়ামী লীগের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা একটি স্বার্থান্বেষী মহল। কিন্তু তারা জানতো না তাদের পায়ের তলায় মাটি নেই।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর