প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি, ২০২০ ২১:৩৮

জিআইএস ম্যাপ প্রণয়নে চসিক-আইডব্লিউএম চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

জিআইএস ম্যাপ প্রণয়নে চসিক-আইডব্লিউএম চুক্তি

চট্টগ্রাম নগরীকে জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেমের (জিআইএস) আওতায় আনতে ৪১ ওয়ার্ডের ডিজিটাল ম্যাপ প্রণয়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এবং ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউম) এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

বুধবার দুপুরে চসিক কনফারেন্স হলে এ সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষর হয়। 

চসিকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম এবং আইডব্লিউ এম’র পক্ষে ড. মোল্লা মোহাম্মদ আওলাদ হোসাইন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মো. আবুল হাসেম, আইডব্লিউএম’র নির্বাহী পরিচালক আবু সালেহ খান, হেড অব বিজনেজ মো. সামিউন নবী প্র্রমুখ। অনুষ্ঠানে ড. মোল্লা মোহাম্মদ আওলাদ হোসাইন  জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেম সম্পর্কে তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে চসিক নিজস্ব অর্থায়নে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।  

সিটি মেয়র বলেন, ‘চট্টগ্রাম শহরকে স্মার্ট সিটি বাস্তবায়নে জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম শহরের সকল তথ্য উপাত্ত আদান-প্রদান নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে জিআইএস পদ্ধতি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে। তাছাড়া, জবাবদিহীতা এবং দক্ষতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে কর্পোরেশনের আয় বৃদ্ধিতে জিআইএস পদ্ধতি কার্যকরি ভূমিকা পালন করবে।’

তিনি বলেন, ‘নগরে কোন জিআইএস ডিজিটাল ম্যাপ নাই। নগরে কি কি সম্পদ আছে তা জানা সকলের উচিত। এমনকি সিটি কর্পোরেশন স্বার্থ সংরক্ষণে এ ম্যাপ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ জিআইএস ডিজিটাল ম্যাপের মাধ্যমে নগরে কোথায় কি আছে তা এ নজরে দেখতে পারবে নগরবাসী। এ ডিজিটাল ম্যাপের মাধ্যমে ঘরের নিরাপত্তার বিষয়গুলোও দেখা সম্ভব। এ জন্য দরকার হবে একটি এলইডি টিভি আর স্মার্ট ফোন। বর্তমানে সকলের হাতে স্মার্ট ফোন। চসিকের দিক থেকে এই জিআইএস ডিজিটাল প্রযুক্তি নিয়ে আসাই এখন আমাদের প্রধান কাজ।’

বিডি প্রতিদিন/মজুমদার


আপনার মন্তব্য