শিরোনাম
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ১৮:০৩
প্রিন্ট করুন printer

টার্মিনাল ও কর্ণফুলী চ্যানেল পরিদর্শনে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

টার্মিনাল ও কর্ণফুলী চ্যানেল পরিদর্শনে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটি

নির্মাণাধীন পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল, এনসিটি, সিসিটি ও কর্ণফুলী চ্যানেল পরিদর্শন করেছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। আজ শুক্রবার বিকেলে একটি পাইলট ভ্যাসেল করে কমিটির সদস্যরা বোট ক্লাব থেকে পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেন।

কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম ছাড়াও পরিদর্শন টিমে রয়েছেন সদস্য রণজিৎ কুমার রায়, মাহফুজুর রহমান, এম আবদুল লতিফ, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, এসএম শাহজাদা, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব আব্দুছ ছাত্তার, উপসচিব বেগম মালেকা পারভীন, ড. দয়াল চাঁদ মণ্ডল, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপ পরিচালক আবদুল জব্বার, সিনিয়র সহকারী সচিব এসএম আমিনুল ইসলাম।

পরিদর্শন শেষে মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে রক্ষা করতে হলে কর্ণফুলী নদীকে দখল-দূষণ থেকে বাঁচাতে হবে, এর কোনও বিকল্প নেই। কর্ণফুলী নদী ড্রেজিংয়ের পাশাপাশি দূষণ রোধ ও অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের প্রবৃদ্ধি মোকাবিলায় বে-টার্মিনাল প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে ফার্স্ট ট্রেকে আনতে দ্রুত প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নেবেন বলেও জানান তিনি।

এদিকে, বোট ক্লাব থেকে পরিদর্শন শুরু করে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত যান কমিটির সদস্যরা। এ সময় বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল) ক্যাপ্টেন মহিদুল হাসান চৌধুরী, হারবার মেরিন কমডোর শফিউল বারী, চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার এম আরিফুর রহমান, বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক, ডেপুটি ম্যানেজার (এস্টেট) জিল্লুর রহমান, উপসচিব আজিজুল মওলাও উপস্থিত ছিলেন।

 

বিডি-প্রতিদিন/ সিফাত আব্দুল্লাহ-ফারুক তাহের


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২০
প্রিন্ট করুন printer

চট্টগ্রামে ১৪ লাখ টাকার মাদকসহ গ্রেফতার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে ১৪ লাখ টাকার মাদকসহ গ্রেফতার ২

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার মোজাফফর নগর বাইলেন এলাকা থেকে আনুমানিক ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৪০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে র‌্যাব-৭ তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন-বাশঁখালী উপজেলার ছনুয়া এলাকার মখলেছুর রহমানের বাড়ির শফিউল আলম (৩৪) ও কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার রায়কোট ইউনিয়নের চুপুয়ার এলাকার মো. ইয়াছিন রানা (৫০)।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নূরুল আবছার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কিছু মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মোজাফফর নগরে অবস্থান করছে। পরে সেখানে অভিযান চালানো হয়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাব সদস্যরা ২ জনকে আটক করে।

তাদের তল্লাশি করে প্যান্টের পকেট থেকে নতুন ধরনের মাদক আইস (ক্রিস্টাল) ১৪০ গ্রাম উদ্ধারসহ আসামিদের আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১৪ লাখ টাকা। তারা দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য আইস (ক্রিস্টাল মেথ) ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে। আটক আসামি ও উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে খুলশী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:২৭
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২১:৪২
প্রিন্ট করুন printer

‘‌মামলা নয়, বুঝিয়ে সমাধানই উত্তম’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

‘‌মামলা নয়, বুঝিয়ে সমাধানই উত্তম’

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেছেন, অনেক সময় দেখা যায়, এমন সাধারণ কিছু বিষয় নিয়ে মামলা হয়, যেটাতে মামলা হওয়ার মত কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। যে কোনো জায়গায় কোনো একজন সম্মানিত ব্যক্তি যদি দুই পক্ষকে ডেকে একটু বুঝিয়ে বলে যদি দেন- তাহলে বিষয়টি নিস্পত্তি হয়ে যায়। তাই বিরোধ সৃষ্টি হলে মামলা দায়েরের প্ররোচনা না দিয়ে দুই পক্ষকে ডেকে বুঝিয়ে সমস্যার সমাধান করাটাই উত্তম।  

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত ‘গ্রাম আদালত আইন ও নারীবান্ধব গ্রাম আদালত’ সম্পর্কে গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের অবহিতকরণ সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগ চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. বদিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমনী আক্তার। সহকারী কমিশনার (স্থানীয় সরকার) নূর জাহান আক্তার সাথীর সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক সাঈদ হাসান, আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. আজিজুল হক নিউটন।  

মোহাম্মদ মমিনুর রহমান বলেন, চট্টগ্রামে কিছু খারাপ নজির দেখেছি আমি। আমার কাছে এমন কিছু বিষয় আসছে যেগুলোর মামলার কোনো মেরিট নেই। তাদের বুঝিয়ে বলে দিয়েছি। সমাধান হয়ে গেছে। হয়তো আমার ৫ মিনিটের জায়গায় ১০ মিনিট সময় লেগেছে। ১০ মিনিটের জায়গায় ২০ মিনিট সময় দিতে হয়েছে। হয়তো পুরো বিষয়টি দুই দিন শুনতে হয়েছে। কিন্তু আমি দেখেছি দুই পক্ষকে বুঝিয়ে বলার পর সমাধান হয়ে গেছে। সমাজে যাদের একটু অবস্থান আছে, যাদেরকে মানুষ একটু মান্য করে তারা যদি এই উদ্যোগ নেন, তাহলে কিন্তু মামলার সংখ্যা কমে আসবে।  

সভায় জানানো হয়, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ইউএনডিপি এবং সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগের সহায়তায় চট্টগ্রামের ৫টি উপজেলার ৪৬টি ইউনিয়নে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, লোহাগাড়া, সন্দ্বীপ, সাতকানিয়া এবং সীতাকুন্ডে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ৭ হাজার ৩৫৫টি মামলার মধ্যে ৭ হাজার ৯৯টি মামলা নিস্পত্তি করা হয়েছে। তাছাড়া গ্রাম আদালতের মাধ্যমে দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলায় ৩ কোটি ৮৮ লাখ ১৮ হাজার ৮৩১ টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন বিচারপ্রার্থীরা।

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:২৩
প্রিন্ট করুন printer

কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার ওআর নিজাম রোডে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে একটি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় প্রধান আসামি আজমাইন আজিম আয়ানকে (২২) গ্রেফতার করা হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচলাইশ থানায় মামলাটি দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর পিতা। বর্তমানে ওই ছাত্রী চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন।

আয়ান ছাড়া তার আরও দুজন সহযোগীকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন- তারেক আজিজ (২২) এবং মোকারম হোসেন (২২)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওআর নিজাম রোডের একটি বাসায় ধর্ষণের শিকার ছাত্রী তার সহপাঠীসহ গত ১৫ দিন ধরে প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছিলেন। গত বুধবার বিকেল ৫টার দিকে তাকে জোর করে ৩ নম্বর রোড়ের মাথা থেকে ১ নম্বর রোড়ের ১৪ নম্বর বাড়িতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত আজমাইন আজিম আয়ান। 

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া বলেন, কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আজমাইন আজিম আয়ানকে খুলশী এলাকার জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটি থেকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগেও আজমাইন প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে ওই ছাত্রীর সঙ্গে ঝামেলা করতেন। ছাত্রীর পরিবার কিছুদিন আগে আজমাইনের বাবার কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেছিল। মামলার অন্য দুই আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। 

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:২৪
প্রিন্ট করুন printer

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বেলাল উদ্দিনকে (৪৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ জাহিদ নামে একজনকে আটক করেছে। বেলাল খাগরিয়ার মোহাম্মদ খালীর হাকিম আলী বাপের বাড়ির মৃত আব্দুল করিমের ছেলে। তিনি খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় ব্যবসা করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই খাগরিয়া ইউনিয়নের তৈয়ারপুর এবং নূর মার্কেট এলাকার দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ। এমনকি একে অপরের এলাকায় আসা-যাওয়াও বন্ধ ছিল। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হামলা পাল্টা-হামলার ঘটনাও ঘটে। 

এর মধ্যে গতকাল বুধবার রাতে বেলাল উদ্দিন তৈয়ারপুর এলাকায় নিজের শ্বশুরবাড়ি গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে একা পেয়ে হামলা করে পিটিয়ে-কুপিয়ে জখম করে। পরে উদ্ধার করে প্রথমে দোহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও রাত ২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, বেলালের শরীরের একাধিক স্থানে কোপানোর চিহ্ন ও জখম রয়েছে।    

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, খাগরিয়া ইউনিয়নে হামলার ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে এখনও কেউ মামলা করেনি। এ ব্যাপারে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।  

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২০:২৩
প্রিন্ট করুন printer

হালদার পাড়ে হবে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

হালদার পাড়ে হবে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল

উপমহাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র এবং বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হালদা নদীর পাড়ে বসানো হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃষ্টিনন্দন ম্যুরাল। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার মদুনাঘাট থেকে সর্ত্তার ঘাট পর্যন্ত সরকারি জায়গায় হালদা নদীর পাড়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালটি স্থাপন করা হবে। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করার কথা। গত বছরের ২১ ডিসেম্বর গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এ নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করে সরকার।

জানা যায়, হালদা নদীর মদুনাঘাট থেকে সর্ত্তার ঘাট পর্যন্ত এতটি অংশে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করা হবে। তবে ম্যুরালটি কেমন হবে কত আকারের হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ম্যুরালটি তৈরির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক, হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করার পর নদীর পাড়ে বঙ্গবন্ধুর একটি ম্যুরাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়। এটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি বলেন, নদীটিকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করায় নদীটা বিশেষ মর্যাদা পাবে। একই সঙ্গে হালদা নদী আরও বেশি সুরক্ষিত থাকবে এবং একটি কর্তৃপক্ষ তৈরি হবে।    

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালটি রাউজানের মদুনাঘাট থেকে সর্ত্তার ঘাট পর্যন্ত অংশে হবে। তবে এটি স্থাপনে ব্যয়, নকশা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে মুজিব বর্ষের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

জানা যায়, উপমহাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীটি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলার ১ নং পাতাছড়া ইউনিয়নের হালদা ছড়া থেকে উৎপত্তি। কার্যত সেখান থেকেই এই হালদা নদীর উৎপত্তি হয়ে কালুরঘাটের কাছে হয়ে কর্ণফুলীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। চলতি পথে হালদায় ৩৬টি ছড়া ও খাল এসে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে খালের সংখ্যা ১৯টি। ১০৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এ নদীতে প্রাকৃতিকভাবে চার প্রজাতির মা মাছ ডিম ছাড়ে। এই নদী থেকে দৈনিক ১৮ কোটি লিটার পানিও সরবরাহ করে চট্টগ্রাম ওয়াসা। প্রতিবছর মা মাছ এখানে অবাধে রেণু (ডিম) ফোটাতে নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নেয়। প্রাকৃতিকভাবে মা-মাছ ডিম ছাড়ে বলে দুই পাড়ের মানুষ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করছে নদীকে। জাতীয় অর্থনীতিতে এর অবদান ৮০০ কোটি টাকা। তবে হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল থেকে কর্ণফুলী নদীর মোহনা পর্যন্ত এলাকায় নদীর পাড়ে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠে শিল্প-কারখানা। ফলে প্রতিনিয়তই কারখানার দূষিত বর্জ্যে হালদায় মাছ মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটে। তাছাড়া নিয়মিত ডলফিন ও মা মাছ শিকার এবং অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের ঘটনাও ঘটে। 

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর