শিরোনাম
প্রকাশ : ২৬ মে, ২০২০ ০২:০১

বন্ধুকে খুন করে পালাতে গিয়ে পুলিশের গাড়ির সামনে জ্ঞান হারালো যুবক

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

বন্ধুকে খুন করে পালাতে গিয়ে পুলিশের গাড়ির সামনে জ্ঞান হারালো যুবক
প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে খুনের সময় নিজেও ছুরিকাঘাতে মারাত্মক আহত হয় রাকিব নামে আরেক বন্ধু। পরে দৌড়ে পালানোর সময় পুলিশের গাড়ির সামনে এসে জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটে পড়ে সে। 

এসময় রক্তাক্ত অবস্থায় রাকিবকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয় তাকে। এরপর পুলিশ জানতে পারেন রাকিব তার আরেক বন্ধুকে খুন করে পালানোর চেষ্টা করে ছিলেন।

রবিবার (২৪ মে) দিবাগত রাত দেড়টায় ফতুল্লার মুসলিমনগর এলাকায় লোকমান হোসেনের বাড়িতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আটক রাকিব একই বাড়িতে ফেরদৌস (৩০) নামে তার এক বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে খুন করে।

নিহত ফেরদৌস পটুয়াখালী জেলার শুভডুগী গ্রামের আব্দুল মিয়ার ছেলে। সে একমাস আগে বিয়ে করেছে। আর ঘাতক রাকিব শরীয়তপুর জেলার পোপনচর গ্রামের সোবহান মিয়ার ছেলে। দু'জনই মুসলিমনগর এলাকার লোকমান হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া।  

ফতুল্লা মডেল থানার এসআই মামুন জানান, রাকিব নামে এক যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পঞ্চবটি মোড়ে এসে পুলিশের গাড়ির সামনে জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটে পড়ে। এসময় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। তার হাত কেটে অনেক রক্তক্ষরন হয়েছে। পরে জানতে পারি সে তার এক বন্ধুকে খুন করেছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য শহরের জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। হত্যার অভিযোগে রাকিব নামে আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। সে অসুস্থ হওয়ায় তাকে এখনো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তদন্ত চলছে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

লোকমানের বাড়ির ভাড়াটিয়া সুমন জানান, তিনি একজন রেডিমেট কাপড় ব্যবসায়ী। রাত ১ টার দিকে তিনি বাসায় ফেরেন।  এসময় তিনি বাড়ির গোসল খানার মধ্যে চিৎকার শুনতে পেয়ে গিয়ে দেখেন রাকিব রক্তমাখা ছুরি হাতে দাড়িয়ে আছে আর ফেরদৌস নিচে পড়ে আছে। তখন সে চিৎকার করলে বাড়ির ভাড়াটিয়ারা ছুটে এলে রাকিব দৌড়ে পালিয়ে যায়।

নিহতের স্ত্র‍ী সাদিয়া জানান, একমাস আগে ফেরদৌসের সাথে তার বিয়ে হয়। তার স্বামীর সাথে রাকিবের বন্ধুত্ব ছিল। ফেরদৌস ও রাকিবের সাথে পূর্বে কোন শত্রুতা ছিল কিনা তিনি জানেন না।  

 

বিডি-প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর