শিরোনাম
প্রকাশ : ৯ জুলাই, ২০২০ ১৮:৩৬

সাংবাদিক রাশীদ উন নবীর দাফন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

সাংবাদিক রাশীদ উন নবীর দাফন সম্পন্ন
রাশীদ উন নবী

জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সিনিয়র সদস্য সাংবাদিক রাশীদ উন নবী বাবুর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর মরহুমের জন্মস্থান বগুড়া শহরের মালতিনগর এলাকার এমএসক্লাব মাঠে লাশের নামাজে যানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শহরের ঠনঠনিয়া এলাকায় অবস্থিত ভাই পাগলার মাযার কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এর আগে গতকাল বুধবার (৮ জুলাই) রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে পান্থপথের বিআরবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

সাংবাদিক রাশীদ উনি নবী বাবু বগুড়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ৪৫ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি দৈনিক বাংলা, বাংলার বাণী, দেশ বাংলা, আজকের কাগজ, ইত্তেফাক, সমকাল, আমার  দেশ, যুগান্তর, এনটিভি, চ্যানেল ওয়ান, ইনকিলাব, সাপ্তাহিক পূর্ণিমাসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।
তিনি দৈনিক সকালের খবরের সম্পাদক ছিলেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক আমার দিন পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন।

মরহুমের ছোট ভাই রায়হান আহম্মেদ বলেন, গত বছরের এপ্রিলে তার অগ্নাশয়ে ক্যান্সার ধরা পড়লে প্রথমে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসা চলে। এরপর মে মাসে তাকে ভারতের তামিলনাড়ুর ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মিশনারি হাসপাতালে (সিএমসি) নেওয়া হয়। সেখানে এক মাস চিকিৎসার পর তাকে মুম্বাইয়ের টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে দুই মাস কেমোথেরাপি দেওয়ার পর তার অস্ত্রোপচার হয়।

চিকিৎসা শেষে একপর্যায়ে বাংলাদেশ ফিরলেও শারীরিক অবস্থার ততোটা উন্নতি হয়নি বরং ক্যান্সার শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। হঠাৎ শারীরে মারাত্মক জটিলতা তৈরি হলে গত দুই মাসে চারবার তাকে বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে মরহুমের স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তন সহ বহু আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বাবুর মরদেহ ঢাকা থেকে বিশেষ এম্বুলেন্সে করে বগুড়ার বাসায় আনা হয়। সেখানে বগুড়ার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং সাংবাদিকরা তাকে শেষ দেখার জন্য যান। বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন, বগুড়া প্রেসক্লাব থেকে তার লাশের পাশে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়। তার মৃত্যুতে বগুড়া প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন শোক প্রকাশ করেছে। 


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ তাফসীর


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর