৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ ১৯:১৩

নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করলে সরকারের পতন হবে : তৈমূর

নারায়ণগঞ্জ ও সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি

নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করলে সরকারের পতন হবে : তৈমূর

শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ৬নং ওয়ার্ডের আদমজী এলাকায় তৈমূরের গণসংযোগ

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, ‘নাসিক নির্বাচন নিয়ে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং করলে সরকারের পতন হবে।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি দলের কিছু বড় নেতা বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা ছড়াচ্ছেন। তবে জনগণের গণজোায়ারের কাছে কোনো বিভ্রান্তি টিকে না। নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন করপোরেট ঠিকাদারির সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে গেছে। এই ঠিকাদারি সিন্ডিকেট বন্ধ না করা পর্যন্ত অর্ধসমাপ্ত যত কাজ আছে সমাপ্ত হবে না। এটা পড়েই থাকেব। শহরের মন্ডলপাড়ায় ছোট একটি ব্রিজের কাজ করতে ৩ বছর হয়ে গেছে। এ উন্নয়ন জনগণ চায় না। জনগণ এখন পরিবর্তন চায়।’

আজ শুক্রবার নারায়ণগঞ্জ শহরের ডিআআটি মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এর আগে তিনি সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আদমজী, শুমিলপাড়া, বিহারি কলোনী, নতুন বাজার, আইলপাড়া, এসওরোড, মন্ডলপাড়া, বাঘপাড়া, বার্মাশীল এলাকায় গণসংযোগ করেন। 

তখন তিনি বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রস্তাব আমিই দিয়েছি। পরবর্তীতে নির্বাচন হলো, আমাকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। পরবর্তী নির্বাচনে আমাকে মানোনয়ন দেওয়ার পরেও আমি করিনি। পলিটিক্যাল সাইন্সে একটা কথা আছে যে, জনগণের চাহিদা, প্রয়োজন এবং আশা আকাঙ্ক্ষার। এগুলোর জন্য আমি মনে করেছি এখন আমার নির্বাচন করা উচিত। কারণ, আমি গাছতলা থেকে জনগণের সাথে। আমি রিকশা ইউনিয়ন ঠেলাগাড়ি ইউনিয়ন করেছি। খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের পাশে আমি আমার জীবন কাটিয়েছি। এবার বিএনপির হস্তক্ষেপ নেই, এবার জনগণের ম্যান্ডেট। আমি যদি বসে যাই জনগণ এর বিচার কবরে গিয়ে হলেও করবে। জনগণের সাথে বেইমানি করার কোনো সুযোগ নাই।’

তৈমূর আরও বলেন, ‘আপনাদের বুঝতে হবে, আমি কোথায় আছি, কী পর্যায়ে কাজ করছি। এখানে বিএনপির সকলে আছে। আমাদের দলের নেতাকর্মীরা নির্যাতিত। তারা জনগণকে সাথে নিয়ে ঘর থেকে বের হবে এবং নারায়ণগঞ্জে গণবিপ্লব হবে। বেকার সমস্যা দূর হবে, সকল সমস্যা দূর করা হবে। ইপিজেডকে বাধ্য করা হবে, তাদের ট্রেড লাইসেন্স বন্ধ করে দেওয়া হবে আমাদের ছেলেদের চাকরির জন্য। স্থানীয় লোকদের চাকরি দিতে হবে। বিভিন্ন ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে ছেলেদের গড়ে তোলা হবে। বেকারত্ব দূর করব, প্রয়োজনে বেকার ভাতা দেওয়া হবে।’

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ
 

 

 

 


 
 

সর্বশেষ খবর