শিরোনাম
প্রকাশ : ৪ জুলাই, ২০২১ ১০:২৬
প্রিন্ট করুন printer

পথে পথে চাঁদাবাজি ও অজ্ঞান পার্টি ঠেকাতে জিরো টলারেন্স

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

পথে পথে চাঁদাবাজি ও অজ্ঞান পার্টি ঠেকাতে জিরো টলারেন্স
Google News

পবিত্র কোরবানি ঈদের কোরবানির পশুর হাটকে টার্গেট করে নানান পরিকল্পনা নিয়েছে চট্টগ্রামের প্রশাসন। এতে কোরবানির পশুর হাট এবং ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। পশু বহনকারী গাড়ি থেকে পথে পথে চাঁদাবাজি, খুঁটি বাণিজ্য, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা রোধে থাকছে বিশেষ পরিকল্পনা। একই সঙ্গে পশুর হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে চালানো হবে প্রচারণা। বিতরণ হবে বিনামূল্যে করোনা সুরক্ষা সামগ্রী।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘পশুবাহী গাড়ির পথে পথে চাঁদাবাজি রোধ করতে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রত্যেক জেলা পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পশুর হাটের অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা রোধেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার পাশাপাশি পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়েও প্রচারণা চালাবে পুলিশ। ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে বিনামূল্যে করোনা সুরক্ষা সামগ্রীও বিতরণ করা হবে।’

সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, ‘পশুর হাটে চাঁদাবাজি, খুঁটি বাণিজ্য, জাল টাকা পাচারসহ অপরাধ কর্মকাণ্ড ঠেকাতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক পশুর হাটে বসানো হবে সিসিটিভি ক্যামেরা। যার মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি মনিটরিং করবে পুলিশ।’

জানা যায়, মহাসড়কের চট্টগ্রাম অংশে কোরবানিকে ঘিরে পশু পরিবহন গাড়িতে কমপক্ষে পাঁচ স্পটে চাঁদাবাজির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবার পশুবাহী গাড়িতে পথে পথে চাঁদাবাজি ঠেকাতে আগে থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যবস্থা। চিহ্নিত স্পটে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি মহাসড়কে জোরদার করা হয়েছে টহল। পশুর হাটের খুঁটি বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টির তৎপরতা রোধে বৃদ্ধি করা হবে নজরদারি। জাল টাকা পাচার রোধে প্রতিটি হাটে বসানো হবে মেশিন।

 প্রতিটি হাট থাকবে সিসিটিভির আওতায়। যার মাধ্যমে প্রতিটা মুহূর্ত মনিটরিং করবে পুলিশ সদস্যরা। প্রতিটি পশুর হাটে পোশাকদারি পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও থাকবেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। করোনা প্রাদুর্ভাবের দ্বিতীয় ঢেউয়ে হাটে আসা ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে সচেতনা বৃদ্ধির জন্য মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করবে পুলিশ। তাদের মাঝে বিতরণ করা হবে বিনামূল্যে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক বলেন, ‘নির্ধারিত স্থানের বাইরে কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। প্রত্যেক থানা পুলিশকে এ বিষয়ে কঠোর হতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

এই বিভাগের আরও খবর