Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৯ মে, ২০১৯ ২৩:৩৩

ময়মনসিংহ ছাত্রলীগে হতাশা

পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি নেই

সৈয়দ নোমান, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহ ছাত্রলীগে হতাশা

তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করার কথা থাকলেও তিন বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের। অপরদিকে প্রায় আড়াই বছর হতে চললেও আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি এখনো সম্মেলন করতে পারেনি।  ফলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম এই দুই ইউনিটের কার্যক্রম  চলছে ঢিমেতালে, নেতা-কর্মীরা অনেকটাই হতাশ। জানা গেছে, কমিটি নিয়ে কোনো নির্দেশনা না থাকায় গভীর হতাশায় ভুগছেন দুই ইউনিটের ছাত্রলীগ পদপ্রত্যাশীরা।

কমিটিতে থাকা সিংহভাগ নেতারই বয়স গঠনতন্ত্রে নির্দেশিত সীমা ২৭ বছর অতিক্রম করেছে। এছাড়াও জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি বিবাহিত ও এক সন্তানের বাবা জানিয়ে নিজেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ছয় মাস আগে।

পদ প্রত্যাশী ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জেলা এবং আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগ কমিটি পূর্ণাঙ্গ অথবা নতুন করে না দেওয়ায় ছাত্রলীগে চলছে স্থবিরতা। এ বিষয়ে পদ বহনকারী নেতাদেরও কোনো  তোড়জোড় নেই। সাধারণ কর্মীদের মতে, ‘আধিপত্য’ খর্ব হতে পারে এমন আশঙ্কায় পদধারীরা এসব কমিটি নিয়ে উদ্যোগই নিতে চায় না। 

জেলা ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে, রকিবুল ইসলাম রকিবকে সভাপতি ও সরকার মো. সব্যসাচীকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০১৬ সালের ৮ ফেব্রুয়ারিতে এক বছরের জন্য কমিটি দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ওই কমিটিকে আগামী ৩ মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্র থেকে। কিন্তু দীর্ঘ তিন বছর পেরিয়ে গেলেও শীর্ষ পদে থাকা জেলার ওই দুই নেতা এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে পারেননি।

অপরদিকে আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রলীগ সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ১ ডিসেম্বরের আহ্বায়ক কমিটি নিয়ে চলছে আনন্দমোহন বিশ^বিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগ। ওই সময়ে জেলার সভাপতির ‘অনুকম্পায়’ মাহমুদুল হাসান সবুজকে আহ্বায়ক করা হয়। এছাড়াও ১৭ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ৭ জনকে সদস্য করে আহ্বায়ক কমিটি করে দেয় বর্তমান জেলা ছাত্রলীগ। কমিটির স্থান পাওয়া অনেকের ছাত্রত্বও নেই এখন। এরই মধ্যে সভাপতি-সম্পাদক পদে প্রার্থীও আছেন ৮ থেকে ১০ জন।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান সবুজ বলেন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির একক কর্তৃত্বের কারণে কলেজে কিছুই করা যায়নি। এমনকি আহ্বায়কের পদমর্যাদাও পাইনি। আমার ইচ্ছা থাকলেও ছাত্রলীগের জন্য কিছুই করতে পারিনি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর