Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৮ আগস্ট, ২০১৯ ০১:৪১

গাজীপুরের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়রের বিএনপিতে যোগদান

নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুরের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়রের বিএনপিতে যোগদান

গাজীপুর পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. আবদুল করিমসহ আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতা-কর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। শনিবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, সরকারের পদত্যাগ, নিরপেক্ষ সরকার ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশনের অধীনে ফের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র ফেরাতে হবে। দেশের মানুষ বিশ্বাস করে- একমাত্র বেগম খালেদা জিয়াই পারেন দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে।  এ অনুষ্ঠানে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে গাজীপুর মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম শুক্কুর, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল হক মোল্লা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এ সময় গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতা-কর্মীসহ সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

যোগদান শেষে আবদুল করিম বলেন, বিগত দিনে দেশের যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল, গণতন্ত্র ছিল, সেই গণতন্ত্রকে আবারও প্রতিষ্ঠিত করতে আমি বিএনপিতে যোগদান করেছি। গাজীপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালনকালে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথাও জানান তিনি। এ সময় বিএনপি মহাসচিব আবদুল করিমকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী যখন কারাগারে, হাজার হাজার নেতা-কর্মীর নামে মামলা, সেই সময়ে আবদুল করিমের যোগদান নিঃসন্দেহে আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। তাকে আমরা দলে বরণ করে নিচ্ছি। তিনি বলেন, এদেশের মানুষ বিশ্বাস করে খালেদা জিয়াই একমাত্র গণতান্ত্রিক নেত্রী, যিনি গণতন্ত্রকে উদ্ধার করতে পারেন।  আমরা সবার আগে তার মুক্তি চাই। তিনি এদেশের মানুষের আকাক্সক্ষার প্রতীক, স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্বের প্রতীক। দ্বিতীয় দাবি হলো- এই দখলদারি সরকার, যারা নির্বাচন না করে ক্ষমতা দখল করে নিয়েছে, তাদের পদত্যাগ করে অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। একই সঙ্গে যে নির্বাচন কমিশন আছে তাদের বাতিল করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। এটা ছাড়া দেশে কোনো দিন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি আসবে না।

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, সরকার অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের রাজনীতিকে বিরাজনৈতিকীকরণ করছে। রাজনৈতিক দলগুলো যেন রাজনীতি করতে না পারে সে জন্য একে একে সংবিধানে পরিবর্তন করেছে। রাজনীতির মাঠকে সম্পূর্ণভাবে শূন্য করে দেওয়ার একটা চক্রান্ত তারা শুরু করেছে। যার মূল উদ্দেশ্য হলো- এই দেশে একটাই দল থাকবে। আর কোনো দল থাকবে না।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি করে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, এতিমখানা চলত। কিন্তু আজকে সেটাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তাদের দলীয় দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ও সরকারের নীতিমালা না থাকার কারণে চামড়াশিল্প ধ্বংস হয়ে গেছে।


আপনার মন্তব্য