শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ জানুয়ারি, ২০২০ ২৩:৩৬

টেনশনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থী

সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম

টেনশনে দুই হেভিওয়েট প্রার্থী

আগামী ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনের উপনির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হবে। এ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে  টেনশনে আছেন অধিকাংশ ভোটার। তবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর টেনশনের কারণ অন্য। তাদের মূলত টেনশন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পাঁচটি ওয়ার্ডের তিন লাখ ভোটার। গত ৭ নভেম্বর জাসদ নেতা মঈনউদ্দিন খান বাদলের মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। চট্টগ্রাম নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বোয়ালখালীর একটি পৌরসভা, আটটি ইউনিয়ন এবং সিটি করপোরেশন এলাকার পাঁচটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৯৯৬ জন। বোয়ালখালীর তুলনায় চট্টগ্রাম শহরাঞ্চলে ভোটারের সংখ্যা বেশি। ভোটকেন্দ্রও বেশি চসিকের পাঁচ ওয়ার্ডে। বোয়ালখালীর ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৬৪ হাজার ১৩১ জন। অন্যদিকে পাঁচ ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ১১ হাজার ৮৬৫ জন। মোট ১৭০টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে চসিকের পাঁচ ওয়ার্ডেই আছে ১০১টি কেন্দ্র। ভোটার ও ভোট কেন্দ্রের এমন হিসাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রার্থীর জয়-পরাজয়ে পাঁচ ওয়ার্ডের ভোটাররাই ফ্যাক্টর হতে পারেন। সংসদ সদস্য নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের হিসাবটা মুলত এখানেই। এ জন্য নির্বাচনী প্রচারণায় আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ অন্য প্রার্থীরা আলোচিত কালুরঘাট সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ব্যাপক প্রতিশ্রæতি দিলেও মূলত ভোটের হিসাব করছেন নগরীর এই পাঁচ ওয়ার্ডে। এই তিন লাখ ভোট নিয়েই দুই হেভিওয়েট প্রার্থী আওয়ামী লীগের মোছলেম উদ্দিন ও বিএনপির আবু সুফিয়ান টেনশনে রয়েছেন বলে দলীয় নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে। ধারণা করা হয়,  ভোটের হিসাবে বোয়ালখালীর কিছু অংশসহ নগরীর বেশির ভাগ অংশের সমর্থন বিএনপির প্রার্থীর দিকে এবং বোয়ালখালীর প্রায় পুরো অংশসহ নগরীর এক তৃতীয়াংশ আওয়ামী লীগ প্রার্থীর দিকে। তবে এ নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের হিসাব-নিকাশে কালুরঘাট সেতুর বিষয়টিও বিবেচনা করবেন সাধারণ ভোটাররা। বিএনপির প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, নির্বাচন করতে নেমেছি যখন, কিছুটা তো টেনশন করতেই হবে। কারণ সরকার বা আওয়ামী লীগের প্রার্থীর লোকজন আমার এবং দলের নেতা-কর্মীর ওপর হামলা, নির্যাতন, হুমকি দিয়ে আসছেন প্রতিনিয়ত। তবে যত কিছু করুক, নির্বাচনের মাঠ ছেড়ে যাব না। তবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোছলেম উদ্দিন আহমেদকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর