শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ মার্চ, ২০২০ ০১:২৭

অর্থনীতিতে বড় বিপর্যয় দেখছে আইসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থনীতিতে বড় বিপর্যয় দেখছে আইসিসি

করোনাভাইরাসের ফলে দেশের অর্থনীতিতে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার। সংগঠনটি বলেছে- উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অর্থনৈতিক কার্যক্রম বিঘিœত হতে পারে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও রেমিট্যান্স কমে যেতে পারে।

গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান। তিনি ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন- এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতিও। বিবৃতিতে বলা হয়- ‘করোনার কারণে প্রান্তিক এবং উদীয়মান অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। যেহেতু বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের ৭০ শতাংশেরও বেশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ক্যানাডা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে যায়। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশের রফতানি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ২৬ দশমিক ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে, যা বিগত অর্থবছরে একই সময় ছিল ২৭ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রফতানির এই নিম্নমুখী ধারা আগামী মাসগুলোতে আরও বেড়ে যেতে পারে। অন্যদিকে চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার এবং সরবরাহ চেইনের বড় দাতা। যারা রফতানি, আমদানি এবং উৎপাদনের জোগান দেয়।’ বিবৃতিতে বলা হয়, ভাইরাসের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণের সময় এখনও হয়নি। কেননা প্রতিদিনই নতুন পরিস্থিতির উদ্ভব হচ্ছে। সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রাক্কলন ও কেবলমাত্র ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপকতা বোঝানো যেতে পারে।

 প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ভর করবে সংক্রমণের বিস্তার ও এর স্থায়ীত্বের ওপর এবং নীতি নির্ধারকরা স্বাস্থ্যগত এবং অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি উপশমে কত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে তার ওপর।

ব্যবসায়ী মহলকে ওভারেচিং নীতি কাঠামোতে একমত হতে হবে। আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বিশ্বাস করি যে, এ ধরনের দুর্যোগ- যার কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই, এটি মোকাবিলায় কেবলমাত্র সমন্বিত পদক্ষেপই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

আইসিসি বলেছে- আমরা এ সংকট থেকে উত্তরণের জন্য নীতি-নির্ধারকদের তাগিদ দিচ্ছি তাদের নেতৃত্বে সরকারি এবং বেসরকারি খাতের নেতাদের একত্র করার জন্য। অতীতে বাংলাদেশ অনেক প্রাকৃতিক দুর্যোগ সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছে এবং আমরা আশা করি এ দুর্যোগও সাহস এবং সহিষ্ণুতার সঙ্গে উৎরাতে সক্ষম হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর