শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৩ মে, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ মে, ২০২০ ২৩:০৬

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় পদক্ষেপের কারণে ক্ষতি কম হয়েছে

-ক্যাপ্টেন তাজ

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম এমপি বলেছেন, করোনা দুর্যোগে মানুষের জীবন রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ পর্যন্ত একজন মানুষও না খেয়ে মারা যায়নি। ৬ কোটির বেশি মানুষ সরকারের ত্রাণ ও সামাজিক সুরক্ষা বলয়ের আওতায়, পাশাপাশি আরও এক কোটির বেশি মানুষকে ত্রাণ দিয়েছে আওয়ামী লীগ। সব দলের মানুষকে ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। ৫০ লাখ পরিবারকে এককালীন ২ হাজার ৫০০ টাকা  মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সরকারের আগাম পদক্ষেপের কারণে ক্ষতির পরিমাণ কম হয়েছে।

 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দক্ষতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ক্যাপ্টেন তাজ বলেন, করোনা সংকটের শুরু থেকেই শেখ হাসিনা কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন। এ কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এখন এই রোগের সংক্রমণ থেকে কিছুটা ভালো অবস্থানে রয়েছে। গতকাল দুপুর ১২টায় বাঞ্ছারামপুর এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চেয়ারে বসিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রীর উপহার তুলে দেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরোয়ার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল খায়ের দুলাল, বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার মেয়র খলিলুর রহমান টিপু, উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পবিত্র চন্দ্র ম-ল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী জাদিদ আল রহমান জনি, তফাজ্জল হোসেন, সোনারামপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন মিয়া, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলার ৬ হাজার ৯০০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ১০ কেজি চাল, নগদ টাকা ও ২৬ হাজার শাড়ি-লুঙ্গী এবং জাকাতের নগদ ১৩ লাখ টাকা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে বেলা ২টায় পাহারিয়াকান্দি এইচকে আসমাতুন্নেচ্ছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউপি চেয়ারম্যান গাজিউর রহমানের ব্যক্তিগত অর্থায়নে ৩ হাজার ৫০০ হতদরিদ্রের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন এ বি তাজুল ইসলাম। ক্যাপ্টেন এ বি তাজুল ইসলাম এমপির ব্যক্তিগত তহবিল থেকে  ইতিমধ্যে  উপজেলায় ১৯ হাজার ৫০০ হতদরিদ্র পরিবার, ৪৭২ জন মধ্যবিত্ত পরিবার ও ১ হাজার ২১০ জন দলীয় নেতা-কর্মীকে ও হটলাইনের মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে ২৬৬ জনকে। এ ছাড়াও নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। ১০ হাজার মাস্ক ও ১ হাজার পিপিই ডাক্তার ও প্রশাসনের মধ্যে বিতরণ করেন।


আপনার মন্তব্য