শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৪ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:১৫

অনিয়মে জড়িত ভোট কর্মকর্তাকে পিটিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হবে

-কাদের মির্জা

নোয়াখালী প্রতিনিধি

অনিয়মে জড়িত ভোট কর্মকর্তাকে পিটিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হবে

বসুরহাট পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ১৬ জানুয়ারি নির্বাচনে কোনো ভোট কর্মকর্তা- প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার অনিয়মে জড়িত হলে তাকে পিটুনি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হবে। তিনি গতকাল সকালে বসুরহাট রূপালী চত্বরে এক পথসভায় বক্তৃতাকালে ভোটে অনিয়ম আর গোলযোগের আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কোনো কর্মকর্তা কোনো অনিয়মে জড়িত থাকলে তাদের ভোট শেষে ফিরে যেতে দেওয়া হবে না। হাত-পা ভেঙে রূপালী চত্বরে ঝুলিয়ে রাখা হবে।

 তিনি অভিযোগ করেন, প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারের বেশির ভাগ বিএনপি-জামায়াতের সমর্থক। কাদের মির্জার প্রশ্ন : তাদের কেন দায়িত্ব দেওয়া হলো

পথসভায় ফরিদপুরের এমপি নিক্সন চৌধুরীর সমালোচনা করে আবদুল কাদের মির্জা বলেন, তিনি আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা জাফর উল্লাহর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে গুন্ডাপান্ডা দিয়ে ভোট চুরি করে নির্বাচিত হয়েছেন। এমপিদের অনেকে মদ ও নারী নিয়ে থাকেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এরশাদবিরোধী আন্দোলনে জাসদ ও বামপন্থিরা ডা. মিলনকে হত্যা করে আন্দোলন চাঙ্গা করেছে মন্তব্য করে বসুরহাটেও ভোট বানচালের জন্য এ ধরনের হত্যাকা- ঘটতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন আবদুল কাদের মির্জা। তিনি বলেন, আমি যখন অন্যায় অনিয়মের প্রতিবাদ করি তখন আমি পাগল। এ সময় তিনি তাকে নিয়ে কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, ৪৭ বছর আওয়ামী লীগ করি। এক দিনও কি অন্য দল করেছি দায়িত্বশীলতার ঘাটতির কথা বলেন। মাহবুব-উল আলম হানিফ সাহেব আপনার কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল যখন ভাঙা হলো তখন আপনি কী দায়িত্ব পালন করেছেন

নিজের নির্বাচন নিয়ে বলেন, আমার পোস্টার বিভিন্ন স্থানে ছিঁড়েছে। জামায়াত বা বিএনপির কেউ ছেঁড়েনি। ছিঁড়েছে নোয়াখালী-ফেনী থেকে যেসব আন্ডুগান্ডুকে অস্ত্র দিয়ে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে ওরাই। কী জন্য ছিঁড়ছে আমাদের কর্মীদের গরম করার জন্য। একটা অঘটন ঘটানোর জন্য।

আবদুল কাদের মির্জা বলেন, কাউকে ভয় পাই না। স্পস্ট ভাষায় বলছি, যদি কোম্পনীগঞ্জের নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র চলে, যদি কোম্পনীগঞ্জের কোনো মায়ের বুক খালি হয়, আমার কোনো নেতা-কর্মীর গায়ে হাত তোলা হয়, যদি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, কারও ঘরে আগুন দেওয়া হয় তার সব দায়িত্ব ডিসি-এসপিকে নিতে হবে। জনতার কাতারে ডিসি-এসপির বিচার হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর