শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:০৮

গাবতলী ও মহাখালী টার্মিনাল ১২ কোটি টাকায় ইজারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

গাবতলী ও মহাখালী  টার্মিনাল ১২ কোটি টাকায় ইজারা

রাজধানীর গাবতলী ও মহাখালী আন্তজেলা বাসটার্মিনাল আগামী এক বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। গতকাল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম গুলশানের নগর ভবনের কার্যালয়ে ইজারাদারদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

গাবতলী বাসটার্মিনাল ৭ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার টাকায় ইজারা হয়েছে। রাফি ট্রেডার্স লিমিটেড নামের একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ইজারাটি পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. লিয়াকত হোসেন মেয়রের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেন। মহাখালী বাসটার্মিনালের ইজারা পেয়েছে গাজী রাইয়ান এন্টারপ্রাইজ। ৪ কোটি ৬২ লাখ টাকায় এই টার্মিনালটি ইজারা দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের মালিক মেজবাউল হোসেন সাচ্চু মেয়রের কাছ থেকে দায়িত্ব               বুঝে নেন। ডিএনসিসির পরিবহন শাখার কর্মকর্তারা জানান, ২০০৯ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের আমলে এই দুই টার্মিনালে আদায় সহকারী নিয়োগ করা হয়েছিল। আদায় সহকারীদের দৈনিক গাবতলী টার্মিনাল থেকে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা আর মহাখালী টার্মিনাল থেকে ৫০ হাজার ৫০০ টাকা সিটি করপোরেশনকে জমা দেওয়ার শর্ত ছিল। কিন্তু ওই দুই টার্মিনালের আদায় সহকারীরা নানা অজুহাতে বছরের পর বছর দৈনিক নির্ধারিত টাকা জমা দেননি। বকেয়া এই টাকার পরিমাণ ৫ কোটি ৬৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। এ কারণে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর লক্ষ্যে টার্মিনাল দুটিতে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ইজারাদার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ।

টার্মিনাল দুটির ইজারা হয়েছে ১২ কোটি ১ লাখ ২০ হাজার টাকায়। আর আদায় সহকারীদের জন্য দৈনিক যে টাকা করপোরেশনকে জমা দেওয়ার কথা, সে হিসাবে বার্ষিক সিটি করপোরেশন পেত ৬ কোটি ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা।

দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, মহাখালী ও গাবতলী বাসটার্মিনাল থেকে অতীতে সেভাবে  কোনো রাজস্ব আদায় করা যায়নি। দায়িত্ব নিয়ে দেখেছি, এখানে গলদ ছিল। নানা অজুহাতে তারা সিটি করপোরেশনকে রাজস্ব দেয়নি। এবার উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা দিয়েছি। ইজারার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আমাদের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমি তাদের বলেছি, কারও কথা শোনার দরকার নেই। টার্মিনালে আগের মতো বিশৃঙ্খল পরিবেশ আর থাকবে না বলেও তিনি জানান। দায়িত্ব হস্তান্তরকালে অন্যদের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) মিজানুর রহমান, প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা সগীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর