শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩০ জানুয়ারি, ২০২১ ২৩:৩০

খুলনায় করোনায় স্কুল বন্ধ কোচিং সেন্টার খোলা

সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এই নির্দেশনা মেনে খুলনার স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও বেশিরভাগ কোচিং সেন্টার খোলা রয়েছে। বিশেষ করে পরীক্ষা ও মাসিক মূল্যায়নের নামে কোচিং সেন্টারে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

জানা যায়, নগরীর আহসান আহমেদ রোড, পিটিআই মোড়, মডার্ন ফার্নিচার মোড় ও হাজী মহসিন রোডে এক ডজনের বেশি কোচিং সেন্টার রয়েছে। চলতি মাসের শুরু থেকেই এসব কোচিং সেন্টার খোলা হয়েছে। সকাল ও বিকালের আলাদা ব্যাচে কোচিং করছেন শিক্ষার্থীরা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী মাসুদুর রহমান জানান, করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় কোচিং বাণিজ্য আরও জমজমাট হয়েছে। আগে স্কুল চলাকালীন কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা ছিল। এখন স্কুল বন্ধ থাকায় সারা দিনই কোচিং চলছে। এ ছাড়া কয়েকটি কিন্ডারগার্টেন মূল্যায়নের নামে শিশুদের স্কুলে আসতে বাধ্য করছে। সরেজমিন দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে কোচিং সেন্টারের ছোট কক্ষে একত্রে অনেক শিশুকে নিয়ে ক্লাস পরিচালিত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, করোনা সংকটের কথা বলে কোচিংগুলোতে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন ক্লাস নিলেও অভিভাবকদের কাছ থেকে মাসের পুরো বেতন আদায় করা হচ্ছে।

কোচিং সেন্টারের পরিচালকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব স্যাডো এডুকেশনের সভাপতি শ্যামল কুমার রায় বলেন, প্রায় এক বছর বন্ধ রাখার পর চলতি মাস থেকে ফ্রি-ল্যান্সার হিসেবে কর্মরতরা কোচিং সেন্টার খুলেছেন।

 তবে এর আগে থেকেই মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকরা অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের নামে তাদের বাড়িতে কোচিং শুরু করেছেন।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মো. সাদিকুর রহমান খান বলেন, নীতিগতভাবে কোচিং সেন্টার চালু রাখার সুযোগ নেই। করোনা প্রতিরোধে যে উদ্দেশ্যে সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে, সেখানে কোচিং খোলা থাকলে ঝুঁকি আরও বাড়বে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর