শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:২০

ক্ষমতায় থাকতে সরকার একুশের চেতনা ভূলুণ্ঠিত করছে : ড. মোশাররফ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ক্ষমতায় থাকতে সরকার একুশের চেতনা ভূলুণ্ঠিত করছে : ড. মোশাররফ

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকতে সরকার একুশের চেতনা ভূলুণ্ঠিত করছে। দেশের বিচারব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। দলীয়করণ করে দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়ে বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের দিকে পরিচালিত করছে। শুধু ক্ষমতায় থাকার জন্য লোভে পড়ে সব অর্জনকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে সরকার। গতকাল বিকালে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন। ‘মহান শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস’ উপলক্ষে বিএনপির ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

চলমান পরিস্থিতি উত্তরণে আন্দোলনের জন্য জনগণকে ‘ইস্পাতকঠিন ঐক্য’ গড়ে তোলার আহ্বান জানান ড. মোশাররফ। তিনি বলেন, ‘আমাদের সামনে যে চ্যালেঞ্জ সে সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে। যদি ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সঠিক হয়ে থাকে তাহলে এ দেশে গণতন্ত্র আমাদের পুনরুদ্ধার করতে হবে। মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

মির্জা আব্বাস বলেন, স্বাধীনতা এখনো অর্জিত হয়নি, সার্বভৌমত্ব এখন হুমকির মুখে। সবাইকে কাজে-কর্মে সক্রিয় হয়ে সামনে আসতে হবে। এই ফ্যাসিবাদী মাফিয়া সরকারকে আর বেশি দিন ক্ষমতায় রাখা যাবে না।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘স্বাধীনতার আড়ালে ছিল একটি গণতান্ত্রিক চিন্তা। সেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র আমরা এখনো প্রতিষ্ঠিত করতে পারিনি। গণতন্ত্রবিহীন রাষ্ট্রে বসবাস আর পরাধীন দেশের নাগরিক এ দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য ভাবা যায় না। দেশটা স্বাধীন কাগজে-কলমে কিন্তু ?আমরা পরাধীন। সাত সাগর পাড়ি দিয়ে মনে হয় আমরা সৈকতেই পড়ে আছি। গণতন্ত্রকে আমরা এখনো মুক্ত করতে পারলাম না।’

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, এখন জোর করে নতুন ইতিহাস লেখা হচ্ছে। রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এ দেশের মানুষ ভালোবেসে তাঁকে বীরউত্তম উপাধি দিয়েছিল। সে উপাধি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর