শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৯ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:১৫

ব্রিটিশ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ

সিলেটে অনিশ্চয়তায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী

শাহ্ দিদার আলম নবেল, সিলেট

লকডাউনে বন্ধ হয়ে গেছে সিলেটের ব্রিটিশ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার। ৫ এপ্রিল বন্ধ হওয়া সেন্টারটি আবার কবে খুলবে তারও ঠিক নেই। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গমনেচ্ছু সিলেটের কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। অনেক শিক্ষার্থীর কলেজে ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু হয়ে গেলেও অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার বন্ধ থাকায় ভিসার জন্য জমা দিতে পারছেন না পাসপোর্ট। শিক্ষার্থীদের দাবি দিনে অন্তত দুই ঘণ্টা হলেও সেন্টারটি খোলা রাখার। ভিসা ফ্যাসিলিটেশন সার্ভিসÑভিএফএসের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে গমনেচ্ছুরা তাদের ডকুমেন্ট আদান-প্রদান করেন। ভিসার আবেদনও করেন এই মাধ্যমে। ২০০৭ সাল থেকে সিলেটে ভিএফএসের কার্যক্রম চলে আসছে। সিলেট মহানগরের মির্জাজাঙ্গালে হোটেল নির্ভনা ইন-এ প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান। লোকাল লকডাউন রেগুলেশন্সের কারণে সেন্টারটি বন্ধ রয়েছে।

যুক্তরাজ্যে গমনেচ্ছু রাহিমা আক্তার চৌধুরী জানান, ২৫ ফেব্রæয়ারি তিনি স্টুডেন্ট ভিসা পেয়েছেন।

এরপর ডিপেন্ডেন্ট হিসেবে তার স্বামী ও ১০ মাস বয়সী সন্তানের ভিসার জন্য আবেদন করেন। স্বামী ও সন্তানের ভিসা কালেকশনের জন্য ভিএফএস থেকে ৪ এপ্রিল খুদে বার্তা আসে। কিন্তু ওই দিন ইস্টার সান ডের বন্ধের কারণে ভিসা কালেকশন করতে পারেননি। পরদিন গিয়ে দেখেন ভিএফএস বন্ধের নোটিস। তিনি জানান, তার ভিসার অ্যান্ট্রি ক্লিয়ারেন্স শেষ হয়ে যাবে ১৭ মে। এ ছাড়া ১৫ মে তার ফাইনাল পরীক্ষাও রয়েছে।

এ সময়ের মধ্যে তিনি যুক্তরাজ্যে যেতে পারবেন কি না শঙ্কায় রয়েছেন।

মহানগরের মেন্দিবাগের জুনেদ আহমদ চৌধুরী জানান, যুক্তরাজ্যের যে বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন সেখানে ক্লাস শুরু হয়ে গেছে। ভিসার জন্য পাসপোর্ট জমা দিয়েছিলেন কিন্তু ভিএফএস বন্ধ থাকায় পড়েছেন বিপাকে। ভিসা হয়েছে কি না তাও জানতে পারছেন না, ফেরত পাচ্ছেন না পাসপোর্টও।

প্রবাসী অধ্যুষিত বিয়ানীবাজারের আফিয়া বেগম জানান, তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। কিন্তু ভিএফএস বন্ধ থাকায় ভিসার জন্য পাসপোর্ট জমা দিতে পারছেন না।

ভুক্তভোগী আরও অনেক শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকে তারা অনলাইনে ক্লাস করছেন। পাসপোর্ট ডেলিভারি না পাওয়ায় এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। যদি কোনো কারণে ভিসা না হয় তবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় তাদের প্রদেয় ফির ২৫ শতাংশ কেটে রাখবে।

এই বিভাগের আরও খবর