শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৯ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:১৮

ইসলামী ফ্রন্টের সাত দফা

কওমিপন্থি মুজাহিদের বিচার ট্রাইব্যুনালে করার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

কওমিপন্থিদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আওতায় আনাসহ সাত দফা দাবি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট। ফ্রন্টের নেতারা গতকাল দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে সংবাদ সম্মেলনে তাদের এসব দাবি তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব স উ ম আবদুস সামাদ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির জন্য হেফাজত যতটুকু দায়ী তেমনি সরকারও দায় এড়াতে পারে না। এসব জঙ্গিবাদীর প্রতি কঠোর না হওয়ায় তারা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সাহস পেয়েছে। কওমিদের দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমর্যাদা প্রদান করা দেশ ও জাতির জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ’৭১-এর ঘাতক-দালাল-রাজাকারদের যেভাবে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে তেমন কওমিদের উদ্যোগে গঠিত স্বাধীনতাবিরোধী আরেক অপশক্তি মুজাহিদ বাহিনীরও বিচার হতে হবে। ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, পটিয়া, ঢাকার বড় ও ছোট কাটারা, লালবাগসহ বিভিন্ন কওমি মাদ্রাসায় মুজাহিদ বাহিনীর ক্যাম্প ছিল। এসব ক্যাম্পে মুজাহিদ বাহিনী রাজাকার-আলবদরের মতোই যুদ্ধাপরাধ করেছিল।

ইসলামী ফ্রন্টের সাত দফার মধ্যে রয়েছেÑ রাজাকার-আলবদর-আলশামসের মতো কওমিপন্থি মুজাহিদ বাহিনীকেও আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার করা। অবিলম্বে জঙ্গি সংগঠনের তালিকাভুক্ত করে হেফাজতে ইসলামকে নিষিদ্ধ করা। কওমি মাদ্রাসাকে অডিটের মধ্যে এনে সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। আলিয়া-কওমি উভয় ধারাকে অভিন্ন শিক্ষানীতির আলোকে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া। কওমি-হেফাজতি জঙ্গিদের অর্থ ও মদদদাতা যে দলেরই হোক না কেন সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করা। খেলাফত মজলিসের নিবন্ধন বাতিলসহ দলটি নিষিদ্ধ করা। নারী নিপীড়ক, ধর্ষক, হত্যাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে ঊঠে দ্রæত আইনে সর্বোচ্চ সাজার ব্যবস্থা করা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা এম এ মান্নান, আল্লামা সৈয়দ মছিহুদ্দৌলা, অধ্যক্ষ আল্লামা আহমদ হোসাইন আল কাদেরী, অধ্যক্ষ শাহ খলিলুর রহমান নিজামী, শাইখ আবু সুফিয়ান আবেদী, পীরজাদা ছাদেকুর রহমান হাশেমী, কাযী মুহাম্মদ সোলায়মান চৌধুরী, পীরজাদা সৈয়দ মুজাফফর আহমদ মুজাদ্দেদি প্রমুখ।

 

এই বিভাগের আরও খবর