শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৮ মে, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৭ মে, ২০২১ ২২:৪৭

পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে মানুষের ঢল

ফারুক তাহের, চট্টগ্রাম

পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে মানুষের ঢল
Google News

করোনার সংক্রমণ রোধে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। তাই ঢাকার মতো বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের সব বিনোদন কেন্দ্রও বন্ধ রয়েছে। তবে একমাত্র ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায়। এখানে ঈদের দিন বৃষ্টি থামার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়তে থাকে ভ্রমণ ও বিনোদন পিয়াসী মানুষের আনাগোনা। একপর্যায়ে বিকাল হতে না হতেই সৈকতে নামে মানুষের ঢল। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে হাজারো মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো সৈকত এলাকা। পুলিশ মাইকিং করে অহেতুক জটলা না বাড়িয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেও ব্যর্থ হয়। তবে সন্ধ্যার পর  সৈকতের মূল পয়েন্ট থেকে সবাইকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এদিকে ঈদের পর গত দুই দিনও প্রায় একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। নগরবাসীর পাশাপাশি দূর-দূরান্তের ভ্রমণপ্রিয় মানুষেরও আগমন ঘটে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পরিবার-পরিজন তথা প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে রবিবারও সৈকত অভিমুখী মানুষের সংখ্যা কম ছিল না।

সাগরে নেমে গোসল করে, স্পিড বোটে চড়েও অনেকে আনন্দ উপভোগ করেছেন। পাশাপাশি ১৫ নম্বর ঘাটের নেভাল একাডেমি, নগরীর সিআরবি, ২ নম্বর গেট জয় বাংলা উদ্যান ও বায়েজিদ বাইপাস সড়ক এলাকায়ও মানুষের ভিড় দেখা গেছে। ঈদের ছুটি শেষে রবিবার সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান খুললেও ঈদকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের বেড়ানো থামেনি। নগরীর উপকণ্ঠে আনোয়ারার পারকি ও গহিরা সমুদ্র সৈকত, কাট্টলী সমুদ্র সৈকত, মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন কর্ণফুলীর পাড়, অভয়মিত্র ঘাট এলাকায়ও তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখ করার মতো।

এদিকে ঈদের ছুটিতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে নগরীর বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্র ও জনসমাগমস্থলে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পতেঙ্গা ও ইপিজেড এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজন চন্দ্র রায় ও হুছাইন মুহাম্মদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ফয়’স লেক এলাকায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিবেদিতা চাকমা পরিচালনা করেন নগরীর সিআরবি, কাজির দেউড়ি ও ডিসি হিল এলাকায়।

পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জোবায়ের সৈয়দ বলেন, আমরা ঈদের দিন থেকেই খুব সতর্ক অবস্থানে আছি। সাধারণ মানুষের সমুদ্র সৈকত যাওয়ার পথে আমরা বহুভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তারপরও অনেকেই আমাদের বাধা উপেক্ষা করে সৈকতে গিয়ে অবস্থান নিলেও তাদের সন্ধ্যার আগে ফিরিয়ে দিয়েছি। আসলে সব বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকাতে মানুষ উন্মুক্ত স্থান হিসেবে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতেই ভিড় করছে বেশি।

এই বিভাগের আরও খবর