শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২২:৫২

সেচ সংকটে ১২০০ একর আবাদি জমি

নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি

সেচ সংকটে ১২০০ একর আবাদি জমি
শুকিয়ে যাওয়া বোরো খেত -বাংলাদেশ প্রতিদিন

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী ও পোড়াগাঁও ইউনিয়নের চেল্লাখালী নদীর ভাটিতে পানি না থাকায় এক হাজার ২০০ একর সদ্য রোপণ করা বোরো আবাদ সেচ সংকটে পড়েছে। সেচ সংকট নিরসনের জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

এলাকার কৃষক, সেচ মালিক ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চেল্লাখালী নদীর ওপর নির্ভর করে বোরো মৌসুমে পোড়াগাঁওয়ের বাতকুচি থেকে নন্নীর নিশ্চিন্তপুর পর্যন্ত এলাকায় ২০/২৫টি অগভীর নলকূপের মাধ্যমে এলাকাবাসী তাদের  জমিতে সেচ দিয়ে থাকেন। নদীর উজানে দীর্ঘ দিন ধরে বালু উত্তোলনের ফলে নদীতে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এখন বালু উত্তোলন বন্ধ হলেও নদীর উজানের সেচ মালিক ১৫-২০টি অগভীর নলকূপের মাধ্যমে নদী থেকে পানি উত্তোলন করছেন। ফলে নদীর ভাটিতে ১৫ দিন ধরে পানি না থাকায় পোড়াগাঁও ইউনিয়নের একাংশ ও নন্নী ইউনিয়নের চারটি গ্রামের সদ্য রোপণ করা বোরো আবাদ সেচ সংকটে পড়েছে। এলাকাগুলো হচ্ছে পোড়াগাঁও  ইউনিয়নের বাতকুচি, টিলাপাড়া, নন্নী ইউনিয়নের অবয়পুর, তাজুড়াবাদ, নন্নী উত্তরবন্ধ ও নিশ্চিন্তপুর।

নন্নী উত্তর বন্ধ এলাকার মো. ফরিদ আহম্মেদ বলেন, আমি দশ বারো দিন আগে দুই একর জমিতে বোরো ধান লাগাইছি। অহনা নদীতে পানি নাই। খেতও পানির লাইগা ফাইট্টা যাইতাছে। কি করমু বুইজা পাইতাছি না।

মেশিন মালিক আবদুল হক বলেন, আমার মেশিনের আওতায় প্রতি বছর ৫৫ একর জমি আবাদ হয়। এ বছর ২২ একর লাগানোর পর থাইকা নদীতে আর পানি নাই। সব জমি পানির লাইগা ফাইট্টা যাইতাছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফ ইকবাল বলেন, আমি শোনার পর সরেজমিনে গিয়েছিলাম। উজানে পানির প্রবাহ নাই। বালি উত্তোলনের মেশিনগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুর রহমান বলেন, এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে লিখিত পেয়েছি। বিষয়টি জানার পর এলাকায় গিয়েছিলাম। বালু উত্তোলনের সব মেশিন বন্ধ করে দিয়েছি।


আপনার মন্তব্য