Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০৩

সাবরেজিস্ট্রার অফিসে ভোগান্তির অভিযোগ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

সাবরেজিস্ট্রার অফিসে ভোগান্তির অভিযোগ

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সেবাগ্রহীতারা নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সব অভিযোগ তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা ভুক্তভোগীদের।

জানা গেছে- দলিল রেজিস্ট্রি করতে সরকারকে পৌরসভা এলাকায় প্রতি লাখে শতকরা ১১ ভাগ হারে অর্থাৎ লাখে ১১ হাজার টাকা রাজস্ব জমা দিতে হয়। এছাড়া দলিল প্রতি এনসি ২৪০ টাকা, ই-ফিস ১০০ ও হলফনামা ২০০ মোট সাড়ে ৪শ’ টাকা দিতে হয়। জমি পৌরসভার বাইরে হলে শতকরা ৯ ভাগ হারে রাজস্ব দিতে হয়। অভিযোগ রয়েছে, সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে পৌরসভা এলাকায় প্রতি লাখে ১৭ হাজার ও ইউনিয়নে ১৫ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে। সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সপ্তাহে পাঁচদিন জমি রেজিস্ট্রি হয়। প্রতিদিন গড়ে ১৩০টি দলিল রেজিস্ট্রি হয়ে থাকে বলে রেজিস্ট্রি অফিস সূত্রে জানা গেছে। সে হিসাবে প্রতি সপ্তাহে গড়ে ১৩ লাখ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। রসিদবিহীন এই টাকা কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখা হয় না।

এদিকে এক ভুক্তভোগী জানান- খারিজ খতিয়ান না থাকলে দলিলপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা অতিরিক্ত, আরএস রেকর্ড না থাকলে রেকর্ডপ্রতি এক হাজার, খাজনা রসিদ না থাকলে রসিদপ্রতি ৫০০ টাকা, কবলা দলিলে হাজারপ্রতি চার টাকা হায়ার ভ্যালু নামে আদায় করা হয়। এছাড়া হেবানামা দলিলে প্রতি শতকে অতিরিক্ত ১০ টাকা, জমি বণ্টননামা ও কমিশন দলিলে ইচ্ছামাফিক টাকা পরিশোধ করতে হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৩-৬ মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রিকৃত মূল দলিল ফেরত দেওয়ার নিয়ম থাকলেও মূল দলিল পেতে কয়েক বছর লেগে যায়। মূল দলিল দেরিতে পাওয়ার কারণে ক্রেতা সাধারণের কাছে সরকারি ফি ৪০০ টাকার স্থলে এক হাজার থেকে দুই হাজার টাকা দলিলের নকল উঠাতে আদায় করা হয়।

সদরের সাব-রেজিস্ট্রার মৃত্যুঞ্জয় শিকারী জানান, তার নামে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কথা জানা নেই। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর