শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ আগস্ট, ২০১৯ ২৩:২৪

চাঁদপুরে দুটি জুট মিল বন্ধ বেকার শত শত শ্রমিক

চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার ডাব্লিউ রহমান এবং স্টার আল-কায়েদ জুট মিলস দুটিতে কিছুদিন ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এতে বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন মিল দুটির শত শত শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তা। মিল দুটি পুনরায় চালু হবে কিনা এমন অনিশ্চয়তা ও হতাশায় দিন কাটাছে তাদের। ডাব্লিউ রহমান জুট মিল ভাড়া নেওয়া সাহারা জুট মিলের প্রোডাকশনের দায়িত্বে থাকা শেখ নাহিদ বলেন, ‘কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৩ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। শ্রমিকরা পাবেন ১২ দিনের মজুরি। গত ২১ জুন সকালে কারণ উল্লেখ না করেই নোটিস টানিয়ে মিলের উৎপাদন বন্ধ করে দেয় সাহারা জুট মিল কর্তৃপক্ষ। মিলে পাট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মালিকের প্রতিনিধি বিশ্বনাথ কুমার বলেন, ‘সাহারা জুট মিলের কাছে আমরা পাট বাবদ ৪৩ লাখ টাকা পাব। তারা বলছে, তাদের ফান্ড নেই। পাট বেপারিদের টাকা মেরে দিয়ে মিলের মালিক পক্ষের লোকজন পালিয়েছে।’ ডাব্লিউ রহমান জুট মিল ব্যবস্থাপক মাহমুদুল হাসান বলেন, দুই বছর চুক্তিতে তাদের মিলটি সাহারা জুট মিল কর্তৃপক্ষকে ভাড়া দেওয়া হয়। চুক্তিমতো ২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবর হতে মিলটি তারা চালাচ্ছে। এখনো মেয়াদ শেষ হয়নি। অপরদিকে সাবেক এমপি ড. শামছুল হক ভূঁঁইয়ার মালিকানাধীন স্টার আল-কায়েদ জুট মিলটি প্রায় দেড় মাস ধরে বন্ধ। 

মহাব্যবস্থাপক স্বাক্ষরিত নোটিসে বলা হয়, মিলের রিপেয়ার  মেইনটেনেন্স কাজের জন্য ১ জুলাই থেকে মিল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ মিলের ব্যবস্থাপক আ. মোতালেব বলেন, ‘তাদের মিলের কোনো সমস্যা নেই। মেইনটেনেন্স কাজ শেষ হলে ২৫ আগস্ট থেকে মিল চলবে। চাঁদপুর সদরে মাত্র দুটি জুট মিল রয়েছে। চালু থাকা এ দুটি মিল থেকে পাটের বস্তা, চট ও সুতলি তৈরি হতো। অধিকাংশ পণ্য পাটের বস্তায় ব্যবহার সরকার বাধ্যতামূলক করায় বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলগুলো আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছিল। স্থানীয়দের দাবি শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে মিল দুটি শিগগিরই চালু করা হোক।


আপনার মন্তব্য