শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ অক্টোবর, ২০২০ ২৩:৪১

দুই নেতার কমিটি দিয়ে চলছে কুষ্টিয়া যুবলীগ

সাংগঠনিক কাজে স্থবিরতা

জহুরুল ইসলাম, কুষ্টিয়া

কমিটির মেয়াদ শেষ হতে চললেও শুধু সভাপতি আর সাধারণ সম্পাদক দিয়েই চলছে কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগ। এতে নেতা-কর্মীর মধ্যে যেমন ক্ষোভ বাড়ছে, তেমনি সাংগঠনিক কাজেও দেখা দিয়েছে স্থবিরতা আর বিশৃঙ্খলা। জানা যায়, ২০১৩ সালের ২০ এপ্রিল পুরনো কমিটি ভেঙে কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। ৯০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নিয়ম থাকলেও আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে জেলা যুবলীগ চলে টানা চার বছর। ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর কুষ্টিয়া যুবলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন হয়। সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে ঢাকায় ফিরে যান। সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছিলেন দ্রুত জেলা কমিটির বাকি সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হবে। এরপর প্রায় তিন বছর কেটে গেলেও সেই ঘোষণা আর আসেনি। জেলা যুবলীগের এক নেতা জানান, ২০১৭ সালে মোটা অংকের টাকার মাধ্যমে যুবলীগের তৎকালীন চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকে তুষ্ট করে রবিউল ইসলাম ও জিয়াউল আলম স্বপন যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ বাগিয়ে নেন। আগামী ৩১ অক্টোবর বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হবে। এখনো কমিটিতে জায়গা না হওয়ায় পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দিন দিন বাড়ছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় তারা দুষছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে। অন্যদিনে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রমে কোনো শৃঙ্খলা নেই। অভিযোগ আছে, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তিন বছর ধরে সংগঠনের কথা না ভেবে আখের গুছিয়ে চলেছেন। তারা নিজেদের ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত। এ সব কারণে পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে তাদের মাথা ব্যথা নেই। যুবলীগ নেতা সালেহীন সেলিম বিশ্বাস বলেন, পূর্ণাঙ্গ কমিটি না হওয়ায় সংগঠন গতিহীন হয়ে পড়েছে। অনেকে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়লেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, কমিটির মেয়াদ শেষ হতে চললেও একটি বর্ধিত সভা পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, জেলায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় উপজেলাগুলোতেও তেমন সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই। কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল ইসলাম স্বপন বলেন, ‘আমরা সম্মেলনের পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি কেন্দ্রে জমা দিয়েছিলাম। যুবলীগের তৎকালীন চেয়ারম্যান কমিটি পাসের বিনিময়ে ২০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় তিনি কমিটি পাস করেননি।’


আপনার মন্তব্য