Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১১:২৬
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১২:৪৭

মিন্নির ছবি তোলা সেই রহস্যময় নারীকে নিয়ে সংশয়

অনলাইন ডেস্ক

মিন্নির ছবি তোলা সেই রহস্যময় নারীকে নিয়ে সংশয়

বরগুনায় রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় শুনানিকালে গত বুধবার ছবি তুলতে যাওয়া ওই নারীকে নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পরিবারের সদস্যরা। নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকা বরগুনার আদালত প্রাঙ্গণে ওই নারীর তৎপরতায় সংশয়ে ভুগছে তারা।

মিন্নিকে আদালতে তোলার সময়ই সাংবাদিকদের পাশাপাশি ওই নারী মিন্নির ছবি তোলেন। ওই সময় বিষয়টি সাংবাদিকদের নজরে আসেনি। তবে মিন্নির পরিবার থেকে সাংবাদিকদের জানানোর পর তাঁরা ভিডিও ফুটেজে বিষয়টি দেখতে পান।   

বুধবার সকালে আদালত প্রাঙ্গণে পেশাগত দায়িত্ব পালনে থাকা কয়েকজন সংবাদকর্মী বলেন, সাংবাদিকরা যখন মিন্নির ছবি তুলছিলেন তখন হাতে-পায়ে মোজাসহ বোরকা পরা এক নারীও ভিড় ঠেলে মিন্নির খুব কাছে গিয়ে ছবি তুলতে থাকেন। আদালতের কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় এজলাসের পাশের একটি কক্ষে মিন্নি যখন তার বাবার সঙ্গে অপেক্ষা করছিলেন তখনো সেই নারীকে ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন তারা। সর্বাঙ্গ ঢেকে রাখা ওই মানুষটি আসলে নারী নাকি পুরুষ তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাকে চেনে না মিন্নির পরিবারের সদস্যরাও।

বরগুনায় কর্মরত সাংবাদিক হাসানুর রহমান ঝন্টু বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য ওই সময় তিনি আদালতে গিয়েছিলেন। বোরকা পরা ওই মানুষটিকে দেখে মনে হয়েছে তিনি একজন পর্দানশিন ধার্মিক নারী। কিন্তু মিন্নির ছবি তোলার সময় তিনি যে ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন, তা বেশ সন্দেহজনক। তাই রহস্যময় ওই মানুষটি কে তা জানা জরুরি। 

মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, ‘আমি তড়িঘড়ি করে যখম মিন্নিকে নিয়ে আদালত থেকে বের হতে যাচ্ছিলাম, ঠিক তখনই বোরকা পরা ওই মানুষটি মিন্নির কাছে এসে ছবি তোলা শুরু করেন। তাকে দেখলে একজন পর্দানশিন ধর্মপ্রাণ নারী মনে হলেও তিনি যেভাবে মিন্নির কাছে এসেছেন, সেটা তার পোশাকের সঙ্গে বেমানান। তাই আদালত প্রাঙ্গণে তার ওই কার্যকলাপ দেখে আমার সন্দেহ হচ্ছে।’ পুলিশকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ জানান তিনি।

বরগুনা সদর থানার ওসি আবীর মোহাম্মদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে আজই এ ঘটনা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য