শিরোনাম
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২০ ১৯:৪৩

নিখোঁজের ৮ দিন পর নববধূর লাশ উদ্ধার

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

নিখোঁজের ৮ দিন পর নববধূর লাশ উদ্ধার

নিখোঁজের আট দিন পর পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর বাড়ির পাশের ফসলি জমি খুঁড়ে গৃহবধু চম্পা বেগমের (৩২) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের গামরবুনিয়া গ্রামের বিল থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুপ দাসের উপস্থিতিতে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী বাবুল হাওলাদারের বাড়ির সব সদস্য পলাতক রয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ ও নিহত চম্পার স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চাকাইময়া ইউনিয়নের গামরবুনিয়া গ্রামের আবদুল কাদের হাওলাদারের ছেলে বাবুল হাওলাদারের সঙ্গে গত ১ জানুয়ারি পাশ্ববর্তী তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের কলারং গ্রামের চান মিয়া সিকদারের মেয়ে চম্পার বিয়ে হয়। বিয়ের পর গত ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে বেড়াতে নেওয়ার কথা বলে বাবুল হাওলাদার নববধূকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর থেকে চম্পা নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ১৪ জানুয়ারি তালতলী থানায় চম্পার বাবা একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। চম্পা নিখোঁজ থাকার আট দিন পর বুধবার সকালে স্থনীয় এক ব্যক্তি বিলে গরু চড়াতে গিয়ে একটি মরদেহের অস্তিত্ব দেখতে পায়। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মাধ্যমে কলাপাড়া থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। 

নিহত চম্পার বাবা মো. চান মিয়া সিকদার বলেন, একমাত্র মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে বাবুল হাওলাদারের সঙ্গে তাকে বিয়ে দিয়েছিলাম। ববুল হাওলাদার ও তার পরিবারের সদস্যরা আমার মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করে মাটি চাপা দিয়েছে। এঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।  

চাকামাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন করিব কেরামত বলেন, গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় একটি জগন্যতম কাজ হয়েছে। এই হত্যার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য আমি পুলিশকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবো। 
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।  এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য