শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ২০:১৯

পঞ্চগড়কে পরিবেশ বান্ধব সাংস্কৃতিক পর্যটন গন্তব্য ঘোষণার দাবি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি:

পঞ্চগড়কে পরিবেশ বান্ধব সাংস্কৃতিক পর্যটন গন্তব্য ঘোষণার দাবি

বিশ্ব পর্যটন দিবসে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়কে পরিবেশ বান্ধব সাংস্কৃতিক পর্যটন গন্তব্য ঘোষণার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বেশ কয়েকটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। রবিবার দুপুরে পঞ্চগড়ের প্রাণ, প্রকৃতি, পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সংস্থা কারিগর, নাট্য সংগঠন ভূমিজ এবং প্রত্ন গবেষণা বিষয়ক সংগঠন সেন্টার ফর হ্যারিটেজ স্টাডিজের সদস্যরা এই দাবিতে যৌথভাবে এই স্মারকলিপি দেন। 

স্মারকলিপিতে তারা বলেন, পরিবেশ বান্ধব সাংস্কৃতিক পর্যটন শিল্পের সব উপকরণ থাকা সত্যেও এই জেলাকে সরকারিভাবে পর্যটন জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। তাই অযত্নে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো। দেশের সর্ববৃহৎ ভিতরগড় দুর্গনগরীর অমূল্য প্রত্নসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে প্রতিনিয়ত। কেউ মানছে না আদালতের নিষেধাজ্ঞাও। 

তারা আরও উল্লেখ করেন, একমাত্র পঞ্চগড় থেকেই শীতকালে কাঞ্চনজঙ্ঘা নয়ানাভিরাম দৃশ্য খালি চোখে উপভোগ করা যায়। এছাড়া রয়েছে সমতলের শত শত চা বাগান। রয়েছে চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা। যেখানে বিজিবি বিএসএফ যৌথ প্যারেড করে থাকে। উত্তরের সীমান্ত ঠেকেছে এখানেই। পঞ্চগড়ের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ছোট বড় ৪৬ টি নদী। নানা ধরণের পাখির দেখা মেলে এই জেলার বিভিন্ন এলাকায়। এছাড়া পঞ্চগড় জেলার উপর দিয়ে ৪৬ টি নদী প্রবাহিত হয়েছে। এই নদীগুলোর মধ্যে দশটি নদীর উৎপত্তি পঞ্চগড়েই। পঞ্চগড়ে নানা ধরনের পাখি দেখা যায়। এর মধ্যে শেখ ফরিদ অন্যতম। যা অন্য কোথাও দেখা যায় না। পালাটিয়া, হুলির গান, বাউল গানসহ বৈচিত্রময় সংস্কৃতি সমৃদ্ধ এ জেলা। প্রতি বছর লাখো পর্যটক পঞ্চগড়ে ঘুরতে আসলেও পঞ্চগড়কে আজও পর্যটন জেলা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। তাই পঞ্চগড়কে পরিবেশ বান্ধব সাংস্কৃতিক পর্যটন গন্তব্য ঘোষণার দাবি জানান তারা। এতে এ জেলার আর্থ সামাজিক অবস্থার যেমন উন্নতি হবে তেমনি কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে হাজারো মানুষের।  

স্মারকলিপি প্রদানের সময় কারিগর ও ভূমিজের সভাপতি সরকার হায়দার, ভূমিজের সহসভাপতি হাজ্জাজ তানিন, সাধারণ সম্পাদক সোহারাব হোসেন সোহাগ, সেন্টার ফর হ্যারিটেজ স্টাডিজের কর্মী মোস্তাফিজুর রহমান, নিশী আক্তার, দিশারী নাট্যগোষ্ঠির সভাপতি রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। 


বিডি প্রতিদিন/হিমেল


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর